মানসিক নির্যাতনের ‘আয়নাঘর’ থেকে মুক্ত বিএসএমএমইউর ১৭৩ চিকিৎসক
সাখাওয়াত হোসাইন: গত ৮ আগস্ট একসাথে ১৭৩ জন চিকিৎসককে সহকারী অধ্যাপক বা সমমানের পদে পদোন্নতি দিয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ)। দেড় যুগের বেশি সময় অপেক্ষার পর বহু প্রত্যাশিত এ পদোন্নতি পান তাঁরা।
জানা গেছে, গত ২০০৩-২০০৬ সালে বিভিন্ন পদে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান এই চিকিৎসকরা। দেড় যুগ ধরে পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্য হওয়া সত্ত্বেও পদায়ন ‘বঞ্চিত’ ছিলেন তাঁরা। বিভিন্ন সময় তাঁদেরকে পদোন্নতির কথা উঠলেও ২০০৩-২০০৬ সালে নিয়োগ পাওয়ায় পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। সবশেষ ২০১৯ সালে পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকরা আদালতের শরণাপন্ন হন, সেখানে তাঁদের পক্ষে রায় আসে। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁদের পদোন্নতি দেয়নি। দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেখ হাসিনার বিদায়ের পর তাঁদের পদোন্নতি দেওয়া হয়।
সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং সাধারণ মুসলিম হওয়ায় অনেক চিকিৎসককে দেড় যুগের বেশি সময় পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত রাখা হয়।
মানসিক নির্যাতনের ‘আয়নাঘর’ বিএসএমএমইউ
পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকরা নিজেদের ওপর চলা অন্যায্য আচরণের জন্য বিএসএমএমইউকে মানসিক নির্যাতনের ‘আয়নাঘর’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তাঁরা বলছেন, তাঁদেরকে প্রতিনিয়ত মানসিক যন্ত্রণা সহ্য করতে হতো, সম্ভাব্য সকল উপায়ে তাঁদেরকে নির্যাতন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউরোসার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব মেডিভয়েসকে বলেন, ‘এতোদিন আমরা বঞ্চনার শিকার ছিলাম। আমরা তৃতীয় শ্রেণীর নাগরিক হিসেবে বিএসএমএমইউতে ছিলাম। আমাদের সঙ্গে বাজে ব্যবহার করা হতো। আমি নিউরোসার্জন, আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জেনারেল ইর্মাজেন্সিতে। যত রকমের শাস্তি দেওয়া যায়, সব করেছে। এরপর রুম দিত না। সিনিয়রদেরকে দিয়ে জেনারেল ওয়ার্ক করানো হয়েছে । অথচ আমাদের চোখের সামনে জুনিয়ররা প্রফেসর হয়েছেন, গুরুত্বপূর্ণ পদে বসেছেন। আমাদের সাথের যারা সরকারের গোলামী-তেলবাজি করেছে, সবাই ফুল প্রফেসর হয়ে গেছে। আমাদেরকে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে পদায়ন আটকে রেখেছে।’
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মো. সহিদুল ইসলাম মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমি ২০১০ সালে পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি, এখন আমার অধ্যাপক থাকার কথা, আমি মাত্র সহকারী অধ্যাপক। এক সময় মনে হতো মেডিকেল অফিসার হিসেবে জয়েন করেছি, মেডিকেল অফিসার হিসেবে অবসরগ্রহণ করতে হবে। কি যে মানসিক যন্ত্রণা ছিল বলে বোঝানো যাবে না!’
যেভাবে গুরুত্বহীন মুসলিম চিকিৎসকরা
১৯৯৮ সালে একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বিএসএমএমইউ। অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার বা সমমানের পদে কর্মরতরা পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করার দুই বছর পর সহকারী অধ্যাপক, তিন বছর পর সহযোগী অধ্যাপক এবং পাঁচ বছর পর অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। কিন্তু ২০০৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি পদে অধ্যাপক ড. প্রাণ গোপাল দত্ত নিয়োগ পান। এর পর ৩৩তম সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নিয়োগ ও পদোন্নতির নিয়ম বাতিল করে দেন। এর পর থেকে পদোন্নতি পেতে নিয়োগ বোর্ডে ভাইভার মুখোমুখি হওয়ার নিয়ম চালু করেন।
ভুক্তভোগী চিকিৎসকরা জানান, ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত এ নিয়ম চালু করেছেন বিশেষ ধর্মের (হিন্দু) ও অন্ধ আওয়ামী চিকিৎসকদের বিএসএমএমইউতে চাকরি ও পদায়ন দেওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করতে। ডা. প্রাণ গোপালের সময় অপেক্ষাকৃত কম যোগ্য সনাতন ধর্মের চিকিৎসকরা নিয়োগ পেয়েছেন এবং দ্রুত পদায়ন পেয়েছেন। সেইসঙ্গে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র যোগ্য প্রার্থী থাকা সত্ত্বেও বাহির থেকে হিন্দু ও আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকদের নিয়োগ দেওয়ার এ নিয়ম চালু করেন। এতে সাধারণ বা অন্য ঘরানার যোগ্য চিকিৎসকরা বঞ্চিত হন। এ নিয়ম চালুর মাধ্যমে যোগ্য চিকিৎসক নিয়োগ পাওয়ার পথ বন্ধ করে দেন ডা. প্রাণ গোপাল। তিনি দেশের স্বাস্থ্যখাত ও স্বাস্থ্য শিক্ষা ধ্বংস করার পথ খুলে দেন।
প্রাণ গোপালের আমলে বিএসএমএমইউতে মুসলিম চিকিৎসকদের গুরুত্বহীন করে রাখার বর্ণনা পাওয়া যায় ডা. সহিদুল ইসলামের বয়ানে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘ধারাটা বাতিল করা হয়েছে শুধুমাত্র যোগ্য সাধারণ মুসলিম ও ভিন্নমতের চিকিৎসকদের নিয়োগ ও পদোন্নতি বন্ধ করার জন্য। ভাইভাতে অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল নিজ পছন্দ অনুযায়ী হিন্দু ও নিজ দলের চিকিৎসকদের নিয়োগ ও পদোন্নতি দিয়েছেন। সাধারণ যোগ্য কোনো মুসলিম চিকিৎসক নিয়োগ পাননি। আমরা একেকজন পাঁচ-সাতবার করে ভাইবা দিয়েছি পদোন্নতি দেয়নি। আমাদের প্রত্যেকের দুই-তিনটা করে ডিগ্রি, তারপরও পদোন্নতি দেয়নি।’
‘আমার বিভাগে আমার ছাত্র কলোরেক্টাল সার্জারি বিভাগের ডা. কৃষ্ণ পদ সাহা, আমার অধীনে কাজ করেছেন, আমার ১০ থেকে ১২ বছরের জুনিয়র। সার্কুলার দেওয়ার পর তিনিও আবেদন করেছেন, আমিও করেছি। আমাকে এডমিট কার্ডই দেয়নি, তাঁকে ছয়-সাত মাস আগে বিএসএমএমইউর সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. শারফুদ্দিন আহমেদ সহকারী অধ্যাপক পদে নিয়োগ দিয়েছেন’, যোগ করেন ডা. সহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেন, ‘অর্থোপেডিক্স সার্জারি বিভাগে আমার দুই ব্যাচ জুনিয়র ডা. কৃষ্ণপ্রিয় সাহা। তিনি যখন পোস্ট গ্রাজুয়েশন করেছেন, আমিও একই সময়ে করেছি। তিনি তিন-চার বছর আগে অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন অর্থোপেডিক্স বিভাগে। সেইসঙ্গে ল্যাবরেটরি মেডিসিনে আছে ডা. দেবতোষ পাল, আমার চেয়ে দুই বছরের জুনিয়র। এখানে নিয়োগ পেয়ে পদোন্নতি পেয়ে অধ্যাপক হয়েছেন, এরপর বিভাগীয় চেয়ারম্যান হয়েছেন, এখন চেয়ারম্যান পদে মেয়াদও শেষ হয়ে গেছে। এ রকম উদাহরণ ভুরি ভুরি। প্রত্যেক বিভাগের চিত্র একই রকম।’
অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে হিন্দু চিকিৎসক
চিকিৎসকরা বলছেন, বিএসএমএমইউর গুরুত্বপূর্ণ সব পদে হিন্দু চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা। আর মুসলিম যারা আছেন, তারা অধিকাংশ আওয়ামী সমর্থক। অন্য সাধারণ চিকিৎসকরা কোনো গুরুত্বপূর্ণ পদে নেই এবং অবহেলিত।
এ প্রসঙ্গে ডা. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিএসএমএমইউতে গেলে সাইনবোর্ড বা নেমপ্লেট দেখে মনে হবে, এটা কলকাতার কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। সব গুরুত্বপূর্ণ পদে বসা হিন্দুরা, অমুক বৈরাগী, অমুক দত্ত, অমুক দাস, অমুক সাহা, অমুক সেন, অমুক চন্দ্র, অমুক কৃষ্ণ বা কৃষ্ণা ইত্যাদি। কোনোভাবেই মনে হবে না, এটি ৯০ ভাগ মুসলিম দেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে সাধারণ মুসলিমরা কোণঠাসা। শুধু তাই নয়, ভালো কোনো দায়িত্বও পান না।’
মুসলিমদের সংখ্যালঘুকরণের পেছনে ডা. প্রাণ গোপাল
অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তকে বিএসএমএমইউসহ সারাদেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে মুসলিম চিকিৎসকদের সংখ্যালঘুকরণের জনক আখ্যা দিয়েছেন ‘পদবঞ্চিত’ চিকিৎসকরা। জানা গেছে, ডা. প্রাণ গোপাল মুসলিম ও ভালো চিকিৎসকদের কোণঠাসা করার জন্য যত ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সব করেছেন। পরবর্তী ভিসিরা এ অনিয়ম বহাল রাখেন। তারা ক্ষমতা ধরে রাখতে ও নিজেকে সুশীল হিসেবে প্রমাণ করতে বেশি বেশি হিন্দু ও কট্টর আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকদের নিয়োগ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সব গুরুত্বপূর্ণ পদে বসান। কোনো কোনো ক্ষেত্রে হিন্দু প্রার্থী থাকলে আওয়ামীপন্থীদেরও বাদ দিয়ে দেন তাঁরা। সেইসঙ্গে নিজের ক্ষমতা ধরে রাখতে হিন্দু চিকিৎসকদের সাথে রাখেন।
পদবঞ্চিত চিকিৎসকরা অভিযোগ করেন, শুধু বিএসএমএমইউ নয়, সারাদেশের সব স্বাস্থ্য সেবা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেই মুসলিমদের সংখ্যালঘু করার প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত। এক্ষেত্রে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ব্যবহার করেছেন, তাঁর অনুসারীরাও একই কাজ করেছেন। অধ্যাপক প্রাণ গোপাল দেশের স্বাস্থ্যখাতের বিভিন্ন নিয়োগে সুপারিশও করতেন, এতে যোগ্য মুসলিম প্রার্থীরা বাদ পড়ে যেতেন। বিনিময়ে অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল ও তাঁর সহযোগীরা কামিয়েছেন কোটি কোটি টাকা।
এ বিষয়ে ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, ‘নিয়োগ দেওয়ার জন্য সার্কুলার দিত আর আওয়ামী পরিবারের ছেলে-মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন আর ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়োগ দেওয়া হয়। অগ্রাধিকারের তালিকায় রাখা হতো হিন্দু চিকিৎসকদের।’
যেভাবে পদ বঞ্চিত করা হয়েছে
ডা. রুহুল কুদ্দুস বিপ্লব বলেন, ‘যোগ্য মুসলিম প্রার্থীরা পদোন্নতি পাননি, তাঁরা ছিলেন বঞ্চিত। তাঁরা প্রায় দুইশ’ চিকিৎসকের পদোন্নতি আটকে দিয়েছে। ভাইভা বোর্ডে গেলেই জিজ্ঞাসা করে নিয়োগ পেয়েছো কখন, বলার পর বলতো, ও তুমি ..., তোমার পদায়ন হবে না, চলে যাও। এরপর আজেবাজে প্রশ্ন করে শেষ। আর কোনো ভাইবাতে আমাদেরকে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। শুধুমাত্র হিন্দু আর ছাত্রলীগ নেতারা নিয়োগ পেয়েছেন। বহুবার পদোন্নতির ভাইভা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে ডা. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘ভাইবা বোর্ডে প্রথমেই জিজ্ঞেস করে আপনার নিয়োগ কোন সালে? ২০০৩-২০০৬ সাল। আপনার ভাইবা দেওয়ার দরকার নাই, চলে যান।’
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের হেমাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. কাজী মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমরা চাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো চিকিৎসক পদোন্নতি বঞ্চিত না হোক। সবাই তো আর স্বাচিপ-ড্যাব করবে না, অনেক সাধারণ চিকিৎসক আছে। আমাদেরকে বঞ্চিত করার কোনো কারণ দেখছি না। পদোন্নতি পাওয়ার জন্য যে যোগ্যতা প্রয়োজন, তার থেকে অনেক বেশি যোগ্যতা আছে আমাদের। ডিগ্রি, বিভাগের পারফরম্যান্স, প্রকাশনা, অভিজ্ঞতা সবই আছে। ২০০৩-২০০৬ নিয়োগ পেয়েছি, এটা মনে করে পদোন্নতি দেওয়া হয়নি।’
ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তো মানুষ এবং চিকিৎসক। আমাদের প্রফেশন অন্য সব প্রফেশন থেকে আলাদা। একজন ডাক্তারের পদোন্নতি হবে, মেধা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা সবকিছু মিলিয়ে। কে হিন্দু, কে মুসলমান, কে লাল বা নীল রংয়ের, বিএনপি বা আওয়ামী লীগ, এটা হওয়া উচিত না। আমাদের কথা হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত যেকোনো চিকিৎসক, যার পদোন্নতি পাওয়ার যোগ্যতা আছে, আমরা চাই সকলের পদোন্নতি হোক।’
বিএসএমএমইউর সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্তের নামে উঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে ফোন করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি। গুঞ্জন রয়েছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে নিজ দলের সরকার পতনের পর তিনি আত্মগোপনে রয়েছেন।
নায়কদের ভুলে যাননি বঞ্চিতরা
পদোন্নতি পাওয়ার পর শ্রদ্ধাভরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের স্মরণ করেছেন দেড় যুগের বেশির সময় পদোন্নতি বঞ্চিত চিকিৎসকরা। তাঁরা বলছেন, এ আন্দোলনে শহীদরা আত্মত্যাগ না করলে তাঁদের পদোন্নতি তো দূরে থাক, তাঁদেরকে আরও কোণঠাসা করা হত। সেইসঙ্গে শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করেন চিকিৎসকরা।
ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, ‘সবার আগে যদি কাউকে শ্রদ্ধা জানাতে হয়, তাহলে যে ছেলেরা জীবন দিয়ে শেখ হাসিনার পতন ঘটিয়েছেন তারাই শ্রদ্ধারপ্রাপ্য। তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশে পরিবর্তন এসেছে। এখন আমরা আনন্দ করবো বা উৎসব করবো, এ মন-মানসিকতা এখন নেই।’
এমইউ/
-
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
তিন দিনব্যাপী দ্বাদশ জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন অনুষ্ঠিত
বিএসপিএমআর’র লাইফ টাইম এচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত অধ্যাপক কামরুল
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী
-
১৬ মার্চ, ২০২৫
-
১১ মার্চ, ২০২৫