ঢাকা মেডিকেলের অবস্থা রাফা ক্যাম্পের মতো: হাসনাত আব্দুল্লাহ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে ফিলিস্তিনের রাফা ক্যাম্পের মতো মনে হয় বলে মন্তব্য করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ধারণার চেয়েও কয়েকগুণ রোগী সেখানে ভর্তি আছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ শনিবার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর কুর্মিটোলা হাসপাতালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব মন্তব্য করেন। এর আগে আলোচনা সভায় অংশ নেয় তারা।
এদিকে আজ থেকে আগামী ৯০ দিনের মধ্যেই স্বাস্থ্যখাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর।
সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘আমরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) ঘুরে দেখেছি। সেখানে যে অবস্থা আমরা দেখেছি, ধারণার চেয়েও কয়েকগুণ বেশি রোগী সেখানে ভর্তি আছে। বিগত দিনে আমরা অনেক উন্নয়নের ফিরিস্তি শুনেছি। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের অবস্থা দেখে রাফা ক্যাম্পের মতো মনে হয়।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আলোচনায় ঢামেক পরিচালক ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ছিলেন। তারা জানিয়েছেন, যদি রাজনৈতিক পলিসি না থাকে তাহলে ভঙ্গুর স্বাস্থ্য খাতকে ৯০ দিনের মধ্যে জনমুখী করা সম্ভব। আমরা সেজন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবো।’
তিনি বলন, ‘সারাদেশে আহত সবাইকে আজ থেকে ফ্রিতেই চিকিৎসা দেওয়া হবে। এছাড়া বেসরকারি হাসপাতালে যাদের চিকিৎসা বাবদ টাকা দেওয়া হয়েছে তাদের টাকাও ফেরত দেওয়া যায় কীভাবে, সেটার ব্যবস্থা নিয়েছি।’
সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীর বলেন, ‘প্রত্যেক হাসপাতালের পরিচালককে আমরা বলেছি, আপনাদের সার্ভিসে যদি কোনো গ্যাপ বা দুর্বলতা থাকে, আপনাদের ট্রলিম্যান যদি টাকা নেয়, পরীক্ষা-নিরীক্ষায় যদি মানুষ নিগ্রহের শিকার হয়, তাহলে ছাত্র-জনতা কোনোভাবেই আপনাদের ছেড়ে দেবে না। সুতরাং আমরা নিজ নিজ জায়গা থেকে প্রত্যেকের দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা প্রত্যেক হাসপাতালেই একটি অভিযোগ বক্স খুলেছি, সরকারি হোক বা বেসরকারি হোক, যে কেউ প্রতারিত হলে এখানে অভিযোগ জানাবেন এবং সেগুলোতে ২৪ ঘণ্টা ৭ দিন হেল্প ডেস্ক থাকবে। আমাদের এই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়। তবে আশা করছি আজ থেকে শুরু করে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব হবে।’
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘যখন আপনার ওপর কোনো কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয় না, যখন আপনার মতামতকে প্রাধান্য দেওয়া হয় তখনই পরিবর্তন সম্ভব। গত চার বছর আমরা বলেছি আমাদের ন্যাশনাল হেলথ ইন্স্যুরেন্স করতে হবে। ন্যাশনাল হেলথ অথরিটি করতে হবে, ইন্ডিপেন্ডেন্ট কমিশন করতে হবে। স্ট্র্যাটেজিক কেনাকাটা করতে হবে, যন্ত্রপাতি না কিনে সার্ভিস কিনতে হবে। সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি।’
এনএআর/
-
১৮ জুলাই, ২০২৫
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী
-
১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
০১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
২৯ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২০ জানুয়ারী, ২০২৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি
এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষার ফল পুনরায় প্রকাশের দাবি
-
১৫ জানুয়ারী, ২০২৫