ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে পরিণত, কক্সবাজারে মৃত্যু ৩
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ঘূর্ণিঝড় ‘হামুনের’ প্রভাবে ঝোড়ো হাওয়ায় দেওয়াল ও গাছ চাপা পড়ে কক্সবাজার জেলায় তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় আহত হয়েছেন ২৫ জন। তাদেরকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। হামুনের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড পর্যটন নগরী। ঝড়ে উড়ে গেছে গাছপালাসহ কাঁচা ও আধা পাকা ঘরবাড়ি, উপড়ে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি।
নিহতরা হলেন- কক্সবাজার শহরের বাসিন্দা আবদুল খালেক, চকরিয়ার বদরখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আসকর আলী। এ ছাড়া মহেশখালীর বড় কুলালপাড়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) দিবাগত রাত সোয়া একটায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাত একটায় হামুন উপকূল অতিক্রম শেষ করেছে। এটি দুর্বল হয়ে স্থল নিম্নচাপে পরিণত হয়ে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় অবস্থান করছে। এটি আরও স্থলভাগের দিকে এগিয়ে বৃষ্টি ঝরিয়ে দুর্বল হতে পারে। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড়টির মূল অংশ উপকূল অতিক্রম করার সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার।
ওই একই দিন রাত সাড়ে নয়টার দিকে আবহাওয়া অধিদপ্তরের জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা সাতটার দিকে উপকূল অতিক্রম শুরু করে। রাত আটটার দিকে কক্সবাজারে ঝড়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০৪ কিলোমিটার।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ গত সোমবার ঘূর্ণিঝড় ‘হামুনে’ রূপ নেয়। শুরুতে আবহাওয়াবিদেরা বুধবার দুপুরের মধ্যে ঘূর্ণিঝড়টি বাংলাদেশ উপকূলে আঘাত করবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন।
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে অনেক জায়গায় স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ থেকে ৫ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হয়। চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে টেকনাফে ৮৭ মিলিমিটার। খুলনা ও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলায় মাঝারি বৃষ্টি হয়েছে। সেই সঙ্গে বেশির ভাগ উপকূলীয় এলাকায় দমকা হাওয়া বয়ে যায়। তবে বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৭০ কিলোমিটারের মধ্যে ছিল। অর্থাৎ কালবৈশাখীর চেয়ে সামান্য বেশি গতিতে বাতাস বয়ে যায়।
প্রসঙ্গত, ঝুঁকিপূর্ণ ১০ জেলার ১৫ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়ার নির্দেশ দেয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। জেলাগুলো হলো পটুয়াখালী, ভোলা, বরিশাল, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, বরগুনা, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর। মঙ্গলবার সকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।
এএইচ/
-
২৩ অক্টোবর, ২০২৪
-
২১ অক্টোবর, ২০২৪
-
২০ অক্টোবর, ২০২৪
-
১৮ অক্টোবর, ২০২৪
-
২৮ মে, ২০২৪
-
২৩ মে, ২০২৪
-
১৭ নভেম্বর, ২০২৩