১৭ জুলাই, ২০২৩ ০৪:১২ পিএম

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট শুরু
ভিসি বলেন, ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, অর্গান ট্রান্সপ্লান্টসহ এ ধরণের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নাই। কম খরচে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্ট (প্রতিস্থাপন) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইউরোলজি বিভাগের অধ্যাপক রেনাল ট্রান্সপ্ল্যান্ট সার্জন অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলালের নেতৃত্বে ২৫ সদস্যের চিকিৎসক দল এই ট্রান্সপ্লান্ট কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন।

আজ সোমবার (১৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। পরে কিডনি প্রতিস্থাপন কার্যক্রম সম্পর্কে সাংবাদিকদের বিস্তারিত জানান তিনি।

পিরোজপুরের বাসিন্দা ৪২ বছর বয়সী বড় ভাই সুজন রায়কে কিডনি দিয়েছেন ৩১ বছর বয়সী ছোট ভাই সুসেন রায়।

বিএসএমএমইউ ভিসি বলেন, ক্যান্সার, হৃদরোগ, স্ট্রোক, অর্গান ট্রান্সপ্লান্টসহ এ ধরণের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির জন্য দেশের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নাই। কম খরচে উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা দেয়ার কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। দেশের অর্থ বিদেশে গিয়ে ব্যয় করে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন নাই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে নেপাল, ভূটান, শ্রীলংকাসহ বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকরা উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের জন্য অধ্যয়ন করছে। আশা করি, এসব দেশের রোগীরাও বাংলাদেশে চিকিৎসাসেবা নিবেন।

তিনি বলেন, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে রয়েছে বিশ্বমানের ৫টি সেন্টার। রয়েছে দেশের সেরা অপারেশন থিয়েটার। এই হাসপাতালের প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের পর দেশের চিকিৎসাসেবা দানে বিশেষ করে সর্বাধুনিক উন্নতমানের চিকিৎসাসেবা দেয়ার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। কয়েকশত কোটি টাকা বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। 

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের রোগীদের যাতে বিদেশে যেতে না হয় এবং দেশেই সর্বাধুনিক চিকিৎসা পায় সেই লক্ষ্যে ২০২২ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের শুভ উদ্বোধন করেন। পরবর্তীতে এখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগী দেখা শুরু করেন। এ পর্যন্ত প্রায় ২১ হাজার রোগী সেবা নিয়েছেন।  ল্যাবরেটরি টেস্ট, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, ইটিটি, ইকোসহ সর্বমোট ৪০ হাজারেরও অধিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ৫ জুলাই অন্তঃবিভাগের কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর ১২২ জন রোগী সেবা নিয়েছেন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৯৫ জন। এ সময়ে ১৬ জন রোগীকে অপারেশন সেবা দেয়া হয়েছে।

টিআই 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত