০৬ অগাস্ট, ২০২৬ ১২:৪৫ পিএম

দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ভারতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়, বাংলাদেশের ক্ষোভ

দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনার ভারতে গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময়, বাংলাদেশের ক্ষোভ
ফাইল ছবি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ভারতে অবস্থানরত পলাতক ও দণ্ডপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময়ের সুযোগ দেওয়ায় ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ওই অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা বাংলাদেশ ও জনগণের বিরুদ্ধে বিষোদ্গারমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের আয়োজন দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্গঠনের প্রচেষ্টায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার আগেই ভারত সরকারকে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিল। তা সত্ত্বেও অনুষ্ঠানটি হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করছে ঢাকা।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও জানায়, জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী পালনের দিন (৫ আগস্ট) ভারতের মাটিতে শেখ হাসিনার এই কার্যক্রম বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের প্রতি অবমাননা এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি চরম অসম্মান।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ফ্যাসিবাদী সরকারের হাতে শিশু-সহ নিরীহ বেসামরিক মানুষ হত্যার ঘটনাসহ জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠিত তথ্য অস্বীকার করে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা ইতিহাসকে বিকৃত করার ব্যর্থ চেষ্টা করছেন। তবে দেশের জনগণ অতীতের মতো এবারও এ ধরনের অপচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

সরকার বলেছে, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের চেতনাকে ধারণ করে দেশের মানুষ দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকার করেছে যে বাংলাদেশ আর কখনো ফ্যাসিবাদের অন্ধকারে ফিরে যাবে না এবং কোনো দেশের অধীনস্থ রাষ্ট্রে পরিণত হবে না। দণ্ডপ্রাপ্ত শেখ হাসিনা ও তার মাফিয়া চক্রের বাংলাদেশের রাজনীতিতে আর কোনো স্থান নেই বলেও উল্লেখ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ সার্বভৌম সমতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, একে অন্যের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদার ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে গঠনমূলক, পারস্পরিক লাভজনক ও ভবিষ্যৎমুখী সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী।

তবে ২০১৩ সালের বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের বারবার অনুরোধের পরও ভারত সরকারের কাছ থেকে এখনো কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

এতে আরও বলা হয়, এমন পরিস্থিতিতে যে কোনো অজুহাতে শেখ হাসিনাকে প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সুযোগ দেওয়া বাংলাদেশের জনগণের অনুভূতিতে আঘাত করেছে এবং বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সুস্থ বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।

►বিজ্ঞপ্তি দেখুন

জেএইচ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও
একদিনেই অবস্থান বদল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

করোনা ছড়ায় উপসর্গহীন ব্যক্তিও