দেশে অমিক্রনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত, দ্রুত ছড়ায় সংক্রমণ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) জিনোম সেন্টারের গবেষণায় দেশে মহামারি করোনাভাইরাসের অমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট বা উপ-ধরন বিএ.৪/৫ (BA.4/5) শনাক্ত হওয়ার দাবি করেছে গবেষক দল। এটি আগের ধরনগুলোর চেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়াতে পারে বলে ধারণা করছেন গবেষকরা।
আজ মঙ্গলবার (২১ জুন) যবিপ্রবির ভিসি ও জেনোম সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন মেডিভয়েসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এটি বিশ্বের অনেক জায়গায় ছড়াচ্ছে। ধরনটির উৎপত্তি আফ্রিকায়। এই ভাইরাসটিতে আমাদের ভ্যাকসিন দিয়েই প্রতিরোধ করা সম্ভব। তবে ভ্যাকসিনেটেড মানুষের মধ্যেও হতে পারে। তবে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো এই ধরনটির আমাদের দেশে বেশি নেই। সামনে কি হবে বলা কঠিন, পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে কারও জানা নেই। তবে ধরনটি ছড়ানোর আশঙ্কা আছে। যেহেতু ভাইরাসের এই ধরনটি ভ্যাকসিনকে বাইপাস করতে পারে।’
ড. আনোয়ার আরও বলেন, ‘ভাইরাসটি স্বাভাবিক গতি সব জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে। ইতিমধ্যে ভারত, আফ্রিকা, মালয়েশিয়া ও আমেরিকায় ছড়াচ্ছে।’
করোনার এই নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের বিষয়ে যবিপ্রবির সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) আবদুর রশিদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘বাংলাদেশি দুজনের শরীরে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ধরনের নতুন সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। জিনোম সেন্টারের একদল গবেষক যশোরের দুজন আক্রান্ত ব্যক্তির থেকে সংগৃহীত ভাইরাসের আংশিক (স্পাইক প্রোটিন) জিনোম সিকুয়েন্সের মাধ্যমে করোনার নতুন এ উপ-ধরনটি শনাক্ত করেন। যাদের একজনের বয়স ৪৪ বছর এবং অন্যজনের ৭৯ বছর।’
তিনি আরও বলেন, ‘আক্রান্ত ব্যক্তিদের একজন করোনা প্রতিরোধী ভ্যাকসিনের বুস্টার ডোজ এবং অন্যজন দুই ডোজ ভ্যাকসিন নিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন হাসপাতালে, অন্যজন বাসায় থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।’
যবিপ্রবির অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান ও জিনোম সেন্টারের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. ইকবাল কবীর জাহিদের নেতৃত্বে করোনার নতুন এই সাব-ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত করা হয়। গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন, বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান ড. হাসান মো. আল-ইমরান, পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শিরিন নিগার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তানভীর ইসলাম, ড. সেলিনা আক্তার, অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. অভিনু কিবরিয়া ইসলাম, শোভন লাল সরকার, এ এস এম রুবাইয়াতুল আলম, মো. সাজিদ হাসান, জিনোম সেন্টারের গবেষণা সহকারী প্রশান্ত কুমার দাস ও রাসেল পারভেজ।
-
০৭ জুলাই, ২০২৫
-
২৮ মার্চ, ২০২৫
-
১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
-
০১ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৩ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
১৯ অগাস্ট, ২০২৪
-
২৪ জুলাই, ২০২৪
-
১৩ জুলাই, ২০২৪
-
০৭ জুলাই, ২০২৪