ডা. বুলবুল হত্যাকাণ্ড: ইউডিসি এলামনাই এসোসিয়েশনের মানববন্ধন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেন্টাল সার্জন ডা. আহমেদ মাহি বুলবুল হত্যা হত্যার প্রতিবাদে ‘ইউডিসি এলামনাই এসোসিয়েশন' নেতৃত্বে প্রতিবাদ ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
আজ বুধবার (৩০ মার্চ) দুপুর ১২টায় ইউনিভার্সিটি ডেন্টাল কলেজ প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ পালন করা হয়।
সমাবেশ ইউনিভার্সিটি ডেন্টাল কলেজ (ইউডিসি) সাবেক অধ্যক্ষ আব্দুল মালেক ভুইয়া বলেন, ডা. আহমেদ মাহি বুলবুল এ কলেজের ষষ্ঠ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। অবিলম্বে বুলবুলের খুনিদের গ্রেপ্তার করতে হবে। ছুরিকাঘাতে মারা গেছেন নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড তা তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।
এ ছাড়া সংগঠনটির সাংগঠনিক সম্পাদক গোবিন্দ ভৌমিক বৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করে বলেন, ডা. আহমেদ মাহি বুলবুলের দুই সন্তান, স্ত্রী, মা, বোনের ভরণ-পোষণের দায়িত্ব নেওয়া প্রয়োজন।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইউডিসি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা.মাহমুদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক ডা.খালেদ মোহাম্মদ ইসলাম তান্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. গোবিন্দ ভৌমিক বৃন্দ, সাবেক সাধারন সম্পাদক ডা. মেহেদী আল মাসুদ। এ ছাড়া ডেন্টাল কলেজের শিক্ষকদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন ডা.আবদুল কাদের, ডা. আবুল কালাম আজাদ, ডা. আতিকুজ্জামান খান, ডা. সাইফুল ইসলাম, ডা. অনিকেত মিত্র, ডা. মাহমুদ আলমসহ প্রমুখ। প্রাক্তন ছাত্রদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডা. গালিব, ডা.নিলয় দাস, ডা. আরিফুর রহমান এবং ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মধ্যে ডা. ফারদিন এহসান, ডা.ফরহাদ, ডা. ফয়সালসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, রোববার (২৭ মার্চ) ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে নিহত হন ডেন্টাল সার্জন ডা. বুলবুল হোসেন। সকাল আটটার দিকে মিরপুরের কাজীপাড়া থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
ডা. বুলবুলের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ সেনাবাহিনীর সদস্য ছিলেন। চাকরি করাকালীন ১৯৯৯ সালে মারা যান। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন বুলবুল। ১৯৯৭ সালে রংপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি ও রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করে ঢাকার মগবাজারে ইউডিসিতে ভর্তি হন। সেখান থেকে বিডিএস পড়াশোনা শেষ করে প্র্যাকটিস শুরু করেন।