করোনায় মৃত্যু সাড়ে ৩০ লাখ ছাড়াল
মেডিভয়েস ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান চলছে। একই সঙ্গে বিশ্বে করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে চলেছে। করোনার নতুন ধরন বিশ্বজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। এ ভাইরাসটিতে বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ কোটি ৩৫ লাখ ৫৬ হাজার ৩২৬ জন এবং প্রাণ হারিয়েছেন ৩০ লাখ ৫৭ হাজার ৭৮১ জন।
আজ বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে আন্তর্জাতিক জরিপ সংস্থা ওয়ার্ল্ডোমিটারস এ তথ্য জানিয়েছে।
সংস্থাটি জানিয়েছে, গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে করোনাভাইরাস এ পর্যন্ত বিশ্বের ২২১টি দেশ ও অঞ্চল ছড়িয়ে পড়েছে। বিশ্বে এখন পর্যন্ত করোনা থেকে সেরে ওঠা মানুষের সংখ্যা ১২ কোটি ১৯ লাখ ৩১ হাজার ৮০৫ জন।
বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ যুক্তরাষ্ট্র। ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় ভারতের অবস্থান দ্বিতীয়, তৃতীয় অবস্থানে ব্রাজিল আছে, ফ্রান্সের অবস্থান চতুর্থ, রাশিয়া পঞ্চম, যুক্তরাজ্য ষষ্ঠ, তুরস্ক সপ্তম, ইতালি অষ্টম, স্প্যান নবম এবং জার্মানি দশম স্থানে আছে। তালিকায় ৩৩তম অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।
করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তিন কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭০ জন। মারা গেছেন পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৪৫৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত আট মার্চ দেশে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়। আর প্রথম করোনা রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত দেশে মারা গেছেন ১০ হাজার ৫৮৮ জন এবং সাত লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন।
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
-
১৪ জুন, ২০২৪
-
০৭ জুন, ২০২৪
-
০৩ জুন, ২০২৪
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক
হামে চিকিৎসা ব্যর্থতা ও শিশু মৃত্যুর দায়
ড. ইউনূস-নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’