মডার্নার ভ্যাকসিন অনুমোদনের পথে যুক্তরাষ্ট্র
মেডিভয়েস ডেস্ক: করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ভ্যাকসিন হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে জরুরি অনুমোদন পেতে যাচ্ছে মডার্নার তৈরি ভ্যাকসিন। দেশটির একটি বিশেষজ্ঞ প্যানেল মডার্নার ভ্যাকসিন অনুমোদন করার জন্য সুপারিশ করেছেন।
বৃহস্পতিবার (১৭ ডিসেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে মডার্নার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন অনুমোদন পাওয়া এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। দেশটির বিশেষজ্ঞ প্যানেলের উপস্থিত ২০ সদস্যই মডার্নার ভ্যাকসিন জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারে অনুমোদনের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এর মাধ্যমে মডার্নার ভ্যাকসিন অনুমোদনে আর কোনও বাধা থাকল না।
যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) বলছে, মডার্নার তৈরি করোনা ভ্যাকসিন ১৮ বছর বয়োসোর্ধ্বরা ব্যবহার করলে ঝুঁকির চেয়ে উপকারই বেশি। করোনা মোকাবিলায় ভ্যাকসিনটি ৯৪ ভাগের বেশি কার্যকর।
এতে আরও বলা হয়, মডার্না এবং এনআইএডি যৌথভাবে ভ্যাকসিনটি উৎপাদনের জন্য মার্কিন সরকার আড়াই বিলিয়ন ডলারের তহবিল সহযোগিতা প্রদান করেছে। মার্কিন সরকার মডার্না ভ্যাকসিনের ২০০ মিলিয়ন ডোজ আগাম কিনেছে। আরও ৩ কোটি ডোজ কেনার কথা রয়েছে মার্কিন ফেডারেল সরকারের। এ টিকা গ্রহণের জন্য নাগরিকদের নিজের কোনো অর্থ ব্যয় করতে হবে না বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মর্ডানা ও ফাইজার টিকার মধ্যে তুলনা করে বিবিসি জানায়, মডার্নার টিকা ফাইজারের টিকা থেকে অন্তত দুটি ক্ষেত্রে সুবিধা দেবে। মডার্নার টিকা সংরক্ষণ বা সরবরাহের জন্য চরম শীতল অবস্থা বজায় রাখতে হয় না, যা ফাইজার টিকার ক্ষেত্রে প্রয়োজন। ফলে অতি শীতল অবস্থার জন্য এর সরবরাহ ও মজুতে বিশেষ রেফ্রিজারেটরের প্রয়োজন পরে না।
প্রসঙ্গত, বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে বিশ্বে সবচেয়ে বিপর্যস্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭২ লাখের অধিক মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ লাখ ১০ হাজারের অধিক মানুষ। দেশটিতে বর্তমানে ভ্যাকসিন কার্যক্রম চলমান আছে। মডার্নার ভ্যাকসিন অনুমোদনের মাধ্যমে তা আরও বেগবান হলো।
-
২৫ অক্টোবর, ২০২৬
-
০৯ অগাস্ট, ২০২৬
-
১৫ জুলাই, ২০২৬
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকদের উপেক্ষা
আইসিএমএইচের শিশু বিভাগের প্রধান করা হলো আওয়ামীপন্থী চিকিৎসককে
ডিএমসি লিভার ফেস্টে বিশেষজ্ঞরা
লিভারে আক্রান্ত পাঁচ কোটি মানুষ, চিকিৎসক আছেন দেড়শোরও কম