এফসিপিএস পার্ট-১: জানুয়ারিতে উত্তীর্ণ ৫০০৪ প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন অনুমোদন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস্ এন্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস-১ম পর্বে উত্তীর্ণ ৫ হাজার চার জন প্রশিক্ষণার্থীর পদায়ন ও প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নতুন নীতিমালা অনুমোদন করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (১৯ মে) স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের চিকিৎসা শিক্ষা-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। নীতিমালাটি প্রণয়নের লক্ষ্যে গঠিত কমিটির তৃতীয় সভা চলতি বছরের ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হয়েছিলো এবং সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ সচিবের অনুমোদন লাভ করে।
নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, এফসিপিএস ১ম পর্বে উত্তীর্ণ প্রশিক্ষণার্থীদের পদায়নের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর নির্ধারিত সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের ক্যাটাগরি বিন্যাস অনুসরণ করা হবে। ‘এ’ ক্যাটাগরির প্রতিষ্ঠানে প্রতি ইউনিটে সর্বোচ্চ ২৪ জন, ‘বি’ ও ‘সি’ ক্যাটাগরিতে ২০ জন এবং ‘ডি’ ক্যাটাগরিতে ১৬ জন প্রশিক্ষণার্থী রাখার সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া প্রশিক্ষক হিসেবে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে এফসিপিএস বা সমমান ডিগ্রিধারী সহকারী অধ্যাপক ও সদর হাসপাতালের কনসালটেন্টদের বিবেচনা করা হবে। ইউনিট প্রধানের তত্ত্বাবধানেই প্রশিক্ষণার্থী নিয়োগ দেওয়া হবে।
নীতিমালার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক, প্রশিক্ষণার্থীদের মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে সম্পূর্ণ অটোমেশন পদ্ধতিতে পদায়ন নিশ্চিত করা। অটোমেশন প্রক্রিয়ার বাইরে কোনো হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রশিক্ষণার্থী গ্রহণ করতে পারবে না।
এছাড়া পদায়নপ্রাপ্ত প্রশিক্ষণার্থীদের নিজ নিজ উপজেলায় পাঁচ বছরের মধ্যে ন্যূনতম দুই বছর কর্মরত বা প্রশিক্ষণে থাকার শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মেডিসিন ও গাইনি অ্যান্ড অবস বিভাগে অতিরিক্ত প্রশিক্ষণার্থীর চাপ কমানো না পর্যন্ত নতুন পদায়ন বন্ধ থাকবে।
সরকারি ভাতাভুক্ত প্রশিক্ষণার্থীদের ক্ষেত্রে প্রতি সেশনে সর্বোচ্চ এক হাজার জনকে মেধার ভিত্তিতে নির্বাচিত করা হবে। শুধুমাত্র অটোমেশন প্রক্রিয়ায় নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরাই এ ভাতার জন্য বিবেচিত হবেন।
জাতীয় প্রয়োজন বিবেচনায় এনাটমি, ফিজিওলজি, ফার্মাকোলজি, বায়োকেমিস্ট্রি, প্যাথলজি, মাইক্রোবায়োলজি, ফরেনসিক মেডিসিন, কমিউনিটি মেডিসিন, এনেস্থেসিওলজি, ডার্মাটোলজি, হেমাটোলজি, সাইকিয়াট্রি, ট্রান্সফিউশন মেডিসিন, ফ্যামিলি মেডিসিন, ফিজিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন, রেডিওথেরাপি এবং রেডিওলজি অ্যান্ড ইমেজিংসহ কয়েকটি বিষয়ে পদায়নের ক্ষেত্রে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
পর্যায়ক্রমে অন্যান্য বিষয়ের প্রশিক্ষণার্থীদের অবশিষ্ট আসনের বিপরীতে পছন্দ ও মেধাক্রম অনুযায়ী পদায়ন করা হবে। এই প্রক্রিয়ায় যারা নির্বাচিত হতে ব্যর্থ হবেন, তারা পরবর্তী সেশনে অগ্রাধিকার পাবেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এমআই/