ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

ডা. মুহাম্মাদ সাঈদ এনাম ওয়ালিদ

চিকিৎসক, মনোরোগ বিশেষজ্ঞ কলামিস্ট, জনস্বাস্থ্য গবেষক।


১৮ জুলাই, ২০২৫ ০৭:২৯ পিএম

হাই ওঠা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের চমকপ্রদ তথ্য

হাই ওঠা নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞানের চমকপ্রদ তথ্য
প্রকীকী ছবি

আমাদের সবারই হাই ওঠে। ঘুম পেলে, শরীর ক্লান্ত হলে, কিংবা কখনো কখনো অন্যের হাই ওঠা দেখেও! তবে এ নিয়ে চিকিৎসা বিজ্ঞান জানাচ্ছে এক চমকপ্রদ খবর। হাই তোলা শুধু অলসতা বা বিরক্তির লক্ষণ নয়, বরং এটি মস্তিষ্ক ঠাণ্ডা রাখার একটি স্বাভাবিক কৌশল।

যখন আমরা হাই তুলি, তখন একসঙ্গে ঠাণ্ডা বাতাস শরীরে প্রবেশ করে এবং মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহ বেড়ে যায়। এর ফলে মস্তিষ্কের তাপমাত্রা কিছুটা কমে যায়। এই প্রক্রিয়াকে বলে Brain thermoregulation. এটি মস্তিষ্ককে সতেজ, সচল ও অতিরিক্ত উত্তাপ থেকে রক্ষা করে।

গবেষণায় দেখা গেছে, বড় মস্তিষ্কের প্রাণীদের হাই তুলতে সময়ও বেশি লাগে। যেমন—মানুষের হাই হয় গভীর ও দীর্ঘ, কারণ আমাদের মস্তিষ্ক বেশি জটিল। এতে বোঝা যায়, হাই তোলার সঙ্গে নিউরনের সংখ্যা ও মস্তিষ্কের জটিলতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

তাই হাই তোলা কোনো সংকোচের বিষয় নয়—এটি আপনার মস্তিষ্কের একটি বুদ্ধিদীপ্ত রক্ষাকবচ। যখন আপনার মস্তিষ্ক বেশি গরম বা ক্লান্ত হয়ে পড়ে, তখন সে নিজেই ঠাণ্ডা হতে ‘হাই’ তোলা কার্যক্রম চালায়।

সত্যিই আমাদের শরীর কতটা চমৎকারভাবে নিজের যত্ন নেয়, তাই না?

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি

বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না

রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি

বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত