১৯ জুন, ২০২৫ ০১:২৪ পিএম

সন্ধানী চমেক ইউনিটের কর্ণিয়া সংগ্রহে নতুন সাফল্য

সন্ধানী চমেক ইউনিটের কর্ণিয়া সংগ্রহে নতুন সাফল্য
ছবি: সন্ধানী চমেক ইউনিটের সৌজন্যে।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: নিজের চোখের আলোয় অন্য এক মানুষের আঁধার পৃথিবী আলোকিত করার ইচ্ছা চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার প্রদীপ চৌধুরীর (৬৬)। কন্যা প্রজ্ঞা লাবনী চৌধুরীর ডাকে এই শেষ ইচ্ছা পূরণে এগিয়ে এলো সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) ইউনিট। সংগঠনটির প্রচেষ্টায় সফলভাবে সংগ্রহ করা হয়েছে তাঁর দুই চোখের কর্নিয়া।

এর মধ্য দিয়ে সন্ধানীর চমেক ইউনিটের ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে আরেকটি সাফল্যের পালক। চলতি ২০২৪-২৫ সেশনে তৃতীয়বারের মতো কর্নিয়া সংগ্রহ করলো সংগঠনটি। গত মঙ্গলবার (১৭ জুন) উপজেলার সাতবাড়িয়া গ্রাম থেকে এই কর্নিয়া সংগ্রহ করা হয়। ইতোমধ্যে কর্নিয়া দুটি ঢাকায় সন্ধানীর চক্ষু ইউনিটে প্রেরণ করা হয়েছে। সংগৃহীত এই কর্ণিয়া আলোহীন এক বা একাধিক মানুষকে দৃষ্টি উপহার দেবে।

জানা গেছে, কর্ণিয়া সংগ্রহকালে সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের উপদেষ্টা ডা. ওমর ফয়সাল, সভাপতি মিথিলা বনিকসহ এক ঝাঁক সন্ধানীয়ান উপস্থিত ছিলেন।

মৃতের আত্মার শান্তি কামনা করে সন্ধানী চমেক ইউনিটের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তানভীন আম্মার মেডিভয়েসকে বলেন, ‘সন্ধানী মেডিকেল ছাত্রছাত্রী দ্বারা পরিচালিত একটি অরাজনৈতিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, যা স্বেচ্ছায় রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান সংক্রান্ত সচেতনতা ও কার্যক্রম পরিচালনা করে। রোগীর প্রয়োজনে রক্তের ব্যবস্থা করা থেকে শুরু করে মরণোত্তর চক্ষু সংগ্রহে সন্ধানী চমেক ইউনিট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ নিয়ে ২০২৪-২৫ সেশনে আমরা তৃতীয় বারের মতো কর্নিয়া সংগ্রহ করলাম।’

চন্দনাইশের বৌদ্ধ সম্প্রদায় মরণোত্তর অঙ্গদানে ভূমিকা রাখছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘চন্দনাইশে যারা বৌদ্ধ আছেন, প্রধানত তারাই অঙ্গদান করেন। তারা মারা যাওয়ার আগে আমাদের কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে যেতে পারে। আমরা তাদের একটি বন্ড (অঙ্গীকারনামা) দেই। পরে তাদের একটি কার্ড দেওয়া হয়। মৃত্যুর পর পরিবারের সদস্যরা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে। ছয় ঘণ্টার মধ্যে অঙ্গ সংগ্রহ করি।’

দেশে কর্নিয়ার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলেও জানান তানভীন আম্মার।

এনএআর/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত