২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০৯:৩৯ এএম

ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’

ঢাকার বাতাস ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ভারতের দিল্লি, পাকিস্তানের লাহোর আর রাজধানী ঢাকার বাতাস আজ শনিবার (২১ ডিসেম্বর) ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৮টা ৪৭ মিনিটে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এ তথ্য।

বায়ুদূষণ তালিকায় শীর্ষে অবস্থান করা দিল্লির দূষণ স্কোর ৩০০ অর্থাৎ সেখানকার বাতাস খুবই অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। অপরদিকে, লাহোরের দূষণ স্কোর ২৩৫ এবং ঢাকার স্কোর ২০৫ অর্থাৎ এ দুই শহরেরও বায়ু খুবই অস্বাস্থ্যকর। এরপরে রয়েছে ঘানার আক্রা এবং পঞ্চম অবস্থানে পাকিস্তানের আরেক শহর করাচি রয়েছে।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে তাকে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১-১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১-১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ। সে হিসেবে দূষণের মাত্রার দিক থেকে ঢাকার বাতাস গত দুই দিনের মতো আজও খুব অস্বাস্থ্যকর। কিছুটা দূষণ বাড়লেই এটি দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় পৌঁছে যাবে।

দূষণের তালিকায় দুইয়ে থাকা লাহোরের বায়ুমান পরিমাপ করা হয়েছে ২৬৬। চতুর্থ অবস্থানে থাকা আক্রার বায়ুমান ২০৩ আর পাঁচে থাকা করাচির বায়ুমান ১৯৪। বায়ুমানের দিক থেকে দূষিত শহরের তালিকায় ছয় থেকে দশে থাকা শহরগুলো হলো, আফগানিস্তানের কাবুল, ইরাকের বাগদাদ, ভিয়েতনামের হ্যানয়, ভারতের মুম্বাই এবং ইরানের তেহরান।

বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্যসমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বায়ুদূষণ প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী ৫২ লাখ মানুষের মৃত্যুর কারণ বলে ২০২৩ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নালে (বিএমজে) প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় তুলে ধরা হয়। এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : বায়ুদূষণ
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক