০৪ জুন, ২০২৪ ১২:৫৬ পিএম

২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ নির্মূলে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ নির্মূলে সরকার অঙ্গীকারাবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রধানমন্ত্রী ২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠ নির্মূলে যে অঙ্গীকার করেছেন, তা পূরণে স্বাস্থ্য বিভাগ অঙ্গীকারাবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। এ লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সরকারি, বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার (৪ জুন) সকালে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও কুষ্ঠরোগ নির্মূলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার শুভেচ্ছাদূত সাসাকাওয়া ইয়োহেইয়ের সাথে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠক শেষে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন এসব তথ্য গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সাসাকাওয়া ইয়োহেইকে বলেন, ‘কুষ্ঠ রোগ নির্মূলে বাংলাদেশ সরকার বড় রকমের সফলতা অর্জন করেছে। ১৯৯১ সালে প্রতি ১০ হাজার জনসংখ্যার মধ্যে কুষ্ঠ বিস্তারের হার ছিল ১৩.৬ জনে। সরকারের ঐকান্তিক চেষ্টার ফলে বর্তমানে তা শুন্য দশমিক ১৮তে দাঁড়িয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ‘শূন্য কুষ্ঠ’ (জিরো লেপ্রসি ইনিশিয়েটিভ-২০৩০) অর্জনে ইতোমধ্যে বিশদ কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্য যথাশীঘ্রই কুষ্ঠ শনাক্তকরণ, যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিতকরণ, কুষ্ঠ রোগীদের পুনর্বাসন, স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের ক্যাপাসিটি বিল্ডিং, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিসহ নানামুখী প্রচেষ্টা চলমান রয়েছে। এ ছাড়া ৫ম স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর প্রোগ্রামের আওতায় কুষ্ঠ নির্মূলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’

এ সময় সাসাকাওয়া ইয়োহেইকে বাংলাদেশে কুষ্ঠ নির্মূলে অবদান রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এ ছাড়া বাংলাদেশে কুষ্ঠ রোগীদের জন্য বিশেষায়িত একটা হাসপাতাল নির্মাণে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে এগিয়ে আসার অনুরোধও জানান তিনি। কুষ্ঠ রোগ ছাড়াও স্বাস্থ্য সেবার নানান পর্যায়ে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশন যে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে সেটাও অবহিত করেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. রোকেয়া সুলতানা, স্বাস্থ্য সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম, অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন ও বিশ্বস্বাস্থ্য) ড. মো. জিয়াউদ্দীন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির, লাইন ডিরেক্টর ডা. মো. মাহফুজুর রহমান সরকারসহ নিপ্পন ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

এনএআর/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক