১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৯:৩১ এএম

চট্টগ্রামে কলেরার টিকাদান কার্যক্রম শুরু

চট্টগ্রামে কলেরার টিকাদান কার্যক্রম শুরু
এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বন্দর থানার ৩৮ ও ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে (বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর) বসবাসকারীদের জন্য কলেরার টিকাদানের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আজ রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত এই টিকা দেওয়া হবে।  

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে আগামী বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) তত্ত্বাবধানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর,বি-র বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বন্দর থানার অধীনে ৩৮ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড (বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর)-এ বসবাসকারীদের জন্য কলেরার টিকাদান কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ১৭ সেপ্টেম্বর ৪৫টি কেন্দ্রে বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর এলাকার এক লাখ ৩৫ হাজার মানুষকে কলেরা টিকার প্রথম ডোজ দেওয়ার মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু হয়ে চলবে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত টিকাদান চলবে।

দক্ষিণ কোরিয়ার ইউবায়োলোজিক্স কো. লিমিটেডের তৈরি দুই ডোজের ইউভিকল প্লাস নামের মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা এক বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সীদেরকে দেওয়া হবে।

গর্ভবতী নারী এবং যারা বিগত ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নিয়েছেন, তারা ছাড়া সকলেই এই টিকা নিতে পারবেন। 

পরবর্তীতে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দ্বিতীয় ডোজ টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। কমপক্ষে ১৪ দিন পরপর দেওয়া এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ও নিরাপদ। তবে, এই টিকা নেওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না।

দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, গ্যাভি-এর আর্থিক সহায়তায় এই টিকাদান উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক