০৪ ডিসেম্বর, ২০২১ ০৩:৩১ পিএম

শজিমেকে হার্টের রোগীদের রিং পড়ানো শুরু

শজিমেকে হার্টের রোগীদের রিং পড়ানো শুরু
শজিমেক হাসপাতালে হার্টের রোগীদের স্টেনটিং বা রিং পড়ানো কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হার্টের রোগীদের স্টেনটিং বা রিং পড়ানো কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। আজ শনিবার (৪ ডিসেম্বর) সকালে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মীর জামাল উদ্দিন এ সেবা কার্যক্রমের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শজিমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ মহসীন, শজিমেকের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. রেজাউল আলম জুয়েল, হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ প্রমুখ।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ‘এতদিন শজিমেক হাসপাতালে শুধু এনজিওগ্রাম করা হলেও এনজিওপ্লাস্টি বা স্টেনটিং করা হতো না। রিং স্থাপন কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে বগুড়াসহ আশেপাশের জেলাগুলোর হৃদরোগীরা স্বল্প খরচে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন। ৭৫ হাজার টাকা থেকে এক লাখ ৭০ হাজার টাকায় মেডিকেটেড রিং দেয়া হবে। সংশ্লিষ্টরা নিজ নিজ সাধ্যমত রিং স্থাপন করতে পারবেন।’

এর আগে ৩১ আগস্ট ২০০৬ সালে বগুড়া শহরের ছিলিমপুরে শজিমেক হাসপাতালের উদ্বোধনের কয়েক মাস পর ওই হাসপাতালে প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে এনজিওগ্রাম চালু করা হয়। ২০০৭ সালে প্রথম হাসপাতালে সাতজন রোগীর এনজিওগ্রাম করার মাধ্যমে এনজিওগ্রাম চালু করা হয়। এরপর দীর্ঘদিন এনজিওগ্রাম বন্ধ থাকার পর ২০১৯ সালে নতুন মেশিন স্থাপনের মাধ্যমে ২০২০ সাল থেকে আবারও এনজিওগ্রাম চালু করা হয়। কোভিড-১৯ এর কারণে আবারো বন্ধ থাকার পর ২০২১ সালের মার্চ মাস থেকে চালু হয় এনজিওগ্রাম।

শজিমেক হাসপাতালের উপপরিচালক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, ‘জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগিতায় শনিবার থেকে হাসপাতালে স্টেনটিং বা রিং পড়ানো কার্যক্রম শুরু হবে। ওই হাসপাতালের ১৩ সদস্যের একটি টিম বগুড়ায় আসছেন। তারা স্টেনটিং করবেন। এরপর থেকে এখানে সপ্তাহে ২ দিন করে রিং পড়ানো হবে। এতে করে বগুড়াসহ আশে-পাশের জেলার হার্টের রোগীরা খুব স্বল্প খরচে এখানে হার্টের চিকিৎসা করাতে পারবেন।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক