২৮ অক্টোবর, ২০২১ ০৩:৪৮ পিএম

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের খাতা অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি

মেডিকেল শিক্ষার্থীদের খাতা অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতি
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্র একই কলেজে না দেখে এবং রেজাল্ট শিট না করে ভিন্ন ভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সেই খাতা মূল্যায়ন ও রেজাল্ট সিট করানো উচিত বলে মতামত দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

‘বিএমডিসি বনাম শাহ এমডি আরমান অ্যান্ড আদার্স’ সংক্রান্ত এক মামলার শুনানিতে আজ বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) পাঁচ সদস্যের বিচারপতির আপিল বিভাগের ভার্চুয়াল বেঞ্চে এমন মতামত দেন তিনি।

এ সময় শুনানিতে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম।

প্রধান বিচারপতি বলেন, দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর পরীক্ষার খাতা তো সেই একই বিশ্ববিদ্যালয় দেখে না। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সে খাতা দেখতে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের রিটেনের খাতা কাটা হয় এবং রেজাল্ট শিট করা হয় যে কলেজের শিক্ষার্থী সেই একই কলেজে।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার তানজীব উল আলমের উদ্দেশ্যে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন বলেন, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা একই কলেজে না দেখে এবং রেজাল্ট শিট না করে ভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সে খাতা দেখানো ও রেজাল্ট শিট করানো উচিত।

প্রসঙ্গত, মেডিকেল কলেজের চূড়ান্ত পেশাগত পরীক্ষায় (শেষ বর্ষ) একজন ছাত্রের খাতা চার ভাগ হয়ে চারজন এক্সামিনার দেখেন, যার দুইজন নিজ মেডিকেলের আর দুইজন বাইরের মেডিকেলের। একইভাবে মৌখিকেও পঞ্চাশ ভাগ নম্বর দেন বাইরের এক্সটার্নাল এক্সামিনার। সরকারি-বেসরকারি সব মেডিকেলে অনেক আগে থেকেই এই নিয়ম অনুসরণ করা হয়। 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : মেডিকেল শিক্ষার্থী
এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

এনডিএফের কর্মশালায় বিশেষজ্ঞদের মত

দুর্নীতির লাগাম না টানলে বড় বরাদ্দেও সুফল মিলবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক