গলায় ফাঁস দিয়ে চিকিৎসকের ‘আত্মহত্যা’
মেডিভয়েস রিপোর্ট: গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বগুড়া মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. আব্দুস সালাম সেলিম। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর।
শনিবার (১৪ আগস্ট) সকাল আটটায় যশোর শহরের পুরাতন কসবা বিমান অফিসপাড়া এলাকার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন তার স্ত্রী মনিরা বেগম।
তিনি সদর উপজেলার মোমিননগর নওদাগা এলাকার মৃত সুলতান আহমেদের ছেলে।
মনিরা বেগম বলেন, সকালে তিনি রান্না করছিলেন। ওইসময় চিকিৎসক সেলিম ঘরের কার্নিশে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। মাস তিনেক ধরে ডা. আব্দুস সালাম সেলিম মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতাল থেকে বগুড়ায় বদলি করা হয়। তিনি সেখানে যেতে চাননি। এসব কারণে তিনি আত্মহত্যা করতে পারেন বলে মনে করছেন স্ত্রী মনিরা।
এর আগে ডা. আব্দুস সালাম যশোর জেনারেল হাসপাতাল ও কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজে কর্মরত ছিলেন।
জানতে চাইলে তাঁর পূর্বের কর্মস্থল যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আখতারুজ্জামান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমি ঘটনাটি বিস্তারিত জানি না। যশোর থেকে বদলি হওয়ার পর তাঁর এতদূর আসা-যাওয়ায় কষ্ট হয়ে যেত। শুনলাম, এ কষ্ট সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করেছেন। এটা ঠিক আত্মহত্যার কারণ হতে পারে না।’
ডা. আব্দুস সালামের চাচাতো ভাই শাহিনুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ঝিনাইদহের মহেশপুর এলাকায় তার শ্বশুর বাড়ি। প্রায় সময় তিনি ওই এলাকায় রোগী দেখতে যেতেন। এছাড়া নিজের গ্রামেও তিনি গরিব রোগীদের সেবা দিতেন। এসব এলাকায় তিনি গরিবের চিকিৎসক বলে পরিচিত। তিনি খুবই ভালো মানুষ ছিলেন। আমাদের ধারণা তাকে হত্যা করা হয়েছে অথবা আত্মহত্যার জন্য বাধ্য করা হয়েছে।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তাজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্য ময়নাতদন্ত করা হচ্ছে। রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
-
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
২৬ অগাস্ট, ২০২৩
-
০৬ অগাস্ট, ২০২৩
-
১৮ জুলাই, ২০২৩
-
২৬ এপ্রিল, ২০২৩
-
১৯ জানুয়ারী, ২০২৩
-
১০ অগাস্ট, ২০২২
-
৩০ জুন, ২০২২
-
২৯ জুন, ২০২২