ময়মনসিংহে চিকিৎসকের আত্মহত্যা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: পারিবারিক কলহের জেরে আত্মহত্যা করেছেন কুষ্টিয়ার বেসরকারি একটি হাসপাতালের অ্যানেসথেশিওলজিস্ট ডা. সাদমান রাফি রনি (৩৮)।
মঙ্গলবার (১৮ জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ শহরের নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ কামাল আকন্দ মেডিভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, রাতে খাওয়া-দাওয়া করে ঘুমিয়েছিলেন ডা. সাদমান। বাহির থেকে তাঁর বাসায় কেউ প্রবেশ করার কোনো সুযোগ নেই, চার দিক থেকে সংরক্ষিত ছিল। প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, তিনি আত্মহত্যা করেছেন। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে।
পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে শাহ কামাল বলেন, ‘তাঁর পরিবারে দীর্ঘদিন ধরে কলহ চলছে, এজন্য তিনি হতাশায় ভুগতেন। বেশ কিছু দিন ধরে স্ত্রী ডা. নাহিদা সুলতানা নিপার সাথে ঝামেলা চলছিল, হতাশার অন্যতম কারণ ছিল এটা। তিনি সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্মরত। দুইজন দুই জায়গায় থাকতেন। তাঁর ১২ বছর বয়সের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। ওই কন্যা তার মায়ের সঙ্গেই থাকতো। ডা. নাহিদা মেয়েকে তার বাবার সঙ্গে কথা বলতে দিতো না। এজন্য ডা. সাদমানের মনে আরও ক্ষোভ তৈরি হয়।’
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে ডা. সাদমানের কক্ষে রক্তাক্ত অবস্থায় তার লাশ দেখতে পান বৃদ্ধা মা রেহেনা বেগম। বাড়িতে মা ও সাদমান ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইমসিন ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন না থাকলেও ডা. সাদমানের কক্ষের মেঝে রক্তে ভেজা ছিল। নিহতের অণ্ডকোষের কাছে একটি ছোট ছিদ্র পাওয়া গেছে। সেখান থেকে রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
শাহ কামাল আকন্দ বলেন, নিহতের অণ্ডকোষের কাছে ইনজেকশন নেওয়ার ছিদ্র পাওয়া যাওয়া গেছে। নেশাজাতীয় ইনজেকশনও পাওয়া গেছে। পুলিশের পক্ষ থেকে একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এসএএইচ/এমইউ
-
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
-
২৬ অগাস্ট, ২০২৩
-
০৬ অগাস্ট, ২০২৩
-
১৮ জুলাই, ২০২৩
-
২৬ এপ্রিল, ২০২৩
-
১৯ জানুয়ারী, ২০২৩
-
১০ অগাস্ট, ২০২২
-
৩০ জুন, ২০২২
-
২৯ জুন, ২০২২