সর্বোচ্চ শনাক্তের দিনে আরও ২২০ জনের মৃত্যু
মেডিভয়েস রিপোর্ট: প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ২২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ হাজার ৬৩৯ জনে। এ সময় একদিনে সর্বোচ্চ ১৩ হাজার ৭৬৮ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়েছে।
আজ সোমবার (১২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ৬২৭টি করোনা পরীক্ষাগারে ৪৬ হাজার ৪৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে মোট ৪৪ হাজার ৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭০ লাখ ১৫ হাজার ২৩৪টি। পরীক্ষায় আরও ১৩ হাজার ৭৬৮ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছেন। ফলে দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল ১০ লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৭ জনে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, একদিনে মৃত ২২০ জনের মধ্যে পুরুষ ১৪২ জন ও নারী ৭৮ জন। তাঁদের মধ্যে ১৬৭ জন সরকারি, ৪০ জন বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ও ১৩ জন বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেছে। এখন পর্যন্ত মোট ১১ হাজার ৬৫০ জন পুরুষ (৭০.০২ ভাগ) ও চার হাজার ৯৮৯ জন নারী (২৯.৯৮ ভাগ) রয়েছেন।
এছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও সাত হাজার ২০ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থের সংখ্যা দাঁড়াল আট লাখ ৮১ হাজার ৫২১ জনে।
গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার শতকরা ৩১ দশমিক ২৪ ভাগ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৫ ভাগ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ১৭ ভাগ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬১ ভাগ।
বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, বিশোর্ধ্ব নয়জন, ত্রিশোর্ধ্ব ১৭ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ২৬ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৪৬ জন এবং ষাটোর্ধ্ব ১২১ জন রয়েছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকায় ৬৪ জন, চট্টগ্রামে ৩৭ জন, রাজশাহীতে ২৩ জন, খুলনায় ৫৫ জন, বরিশালে চারজন, সিলেটে ছয়জন, রংপুরে ১৮ জন ও ময়মনসিংহে ১৩ জন রয়েছেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ এর ডিসেম্বরে চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস পৃথিবীজুড়ে মহামারীতে রূপ নেয়। বিশ্বে এ পর্যন্ত ১৮ কোটি ৬৯ লাখ ২ হাজার ৬৮৩ জন ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪০ লাখ ৩৩ হাজারের অধিক। বাংলাদেশে প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়ে গত বছর ৮ মার্চ। এরপর একই বছরের ১৮ মার্চ দেশে করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।
-
০৮ জুলাই, ২০২৫
-
২৪ জুন, ২০২৫
-
২৩ জুন, ২০২৫
-
১৯ জুন, ২০২৫
-
১৮ জুন, ২০২৫
-
১৪ জুন, ২০২৪
-
০৭ জুন, ২০২৪
-
০৩ জুন, ২০২৪