সহধর্মিনীর আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া চাইলেন অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: পরলোকগত সহধর্মিণী মরহুমা মাহমুদা বেগমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে সবার দোয় চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ।
বুধবার (১০ ফেব্রুয়ারি) নিজের ফেসবুক পেজে এক পোস্টে সহধর্মিণীর মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি পরিবারের সবার জন্য দোয়া চান তিনি।
মেডিভয়েসের পাঠকদের জন্য পোস্টটি হুবহু তুলে দেওয়া হলো।
প্রিয় শোভাকাঙ্খীগণ, সহকর্মীবৃন্দ, আমার প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এবং সুপ্রিয় সুধীবৃন্দ-
গত ২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ আমার সহধর্মিণী মাহমুদা বেগমের অকাল মৃত্যুতে আপনারা সবাই সমবেদনা জানিয়েছেন, দোয়া ও প্রার্থনা করেছেন। অনেকে আমার মুঠোফোনে, সোশ্যাল মিডিয়ায় সমবেদনা জানিয়ে শোকবার্তা পাঠিয়েছেন। আমি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি এবং সকলকে আলাদাভাবে উত্তর দিতে না পারার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
সকলের প্রতি আমার বিনীত অনুরোধ, আমার পরলোকগত স্ত্রীর আত্মার মাগফেরাত কামনা করবেন এবং আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন।
ধন্যবাদান্তে-
ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ
এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান অধ্যাপক মাহমুদা বেগম। ওই দিন দুপুর আড়াইটায় রাজধানীর গ্রিন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।
মাহমুদা বেগম তেজগাঁও সরকারি কলেজের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
গত ১৭ ডিসেম্বের করোনা পরীক্ষার পর দিন ১৮ ডিসেম্বর তাঁর করোনা পজিটিভ রিপোর্ট আসে। এর পর থেকে তিনি ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এর পর করোনা নেগেটিভ আসলেও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হন তিনি।
দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকায় মাহমুদা বেগমের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। গত ২৯ জানুয়ারি রাত নয়টার দিকে তাঁকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে গত ১৫ ডিসেম্বর গ্রিনলাইফ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইউজিসি অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ। দুদিন পর তার স্ত্রী অধ্যাপক মাহমুদা বেগমের দেহেও করোনা শনাক্ত হয়। পরে তাকেও একই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
গত ১ জানুয়ারি নমুনা পরীক্ষায় তাঁর নেগেটিভ ফল আসার কয়েক দিন পর হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে যান অধ্যাপক আব্দুল্লাহ। কিন্তু মাহমুদা বেগমের আর ফেরা হলো না।