০১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০১:০১ পিএম

ডেন্টাল চেম্বারে প্র্যাকটিসে লাইসেন্স লাগবে না: বিডিএস

ডেন্টাল চেম্বারে প্র্যাকটিসে লাইসেন্স লাগবে না: বিডিএস
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ডেন্টাল চেম্বারে কোন রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় না বিধায় ডেন্টাল চেম্বার সমূহ উক্ত অধ্যাদেশ মোতাবেক প্রাইভেট ক্লিনিকের আওতায় পড়ে না।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডেন্টাল চেম্বারে প্র্যাকটিসের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কোনো লাইসেন্সের প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছে ডেন্টাল চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি (বিডিএস)।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ডেন্টাল সোসাইটি সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. আবুল কাসেম ও মহাসচিব অধ্যাপক ডা. হুমায়ুন কবীর বুলবুল স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এতদ্বারা বাংলাদেশের সকল ডেন্টাল সার্জন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, "দি মেডিকেল প্র্যাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক এন্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স ১৯৮২ এর ২ (ডি)" অনুযায়ী প্রাইভেট ক্লিনিক, রোগ নির্ণয় প্রতিষ্ঠানগুলোর লাইসেন্স গ্রহণ করার বিধান করা হয়েছে। উক্ত অর্ডিন্যান্স অনুযায়ী যে সমস্ত প্রতিষ্ঠানে রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে, প্রাইভেট ক্লিনিক বলতে শুধুমাত্র সেই সব প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।

এতে বলা হয়েছে, ডেন্টাল চেম্বারে কোন রোগী ভর্তি করে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় না বিধায় ডেন্টাল চেম্বার সমূহ উক্ত অধ্যাদেশ মোতাবেক প্রাইভেট ক্লিনিকের আওতায় পড়ে না। সেই ক্ষেত্রে ০৪.০৯.২০১৮ ইং তারিখের পরিপত্র অনুযায়ী ডেন্টাল চেম্বার সমূহকে ডেন্টাল ক্লিনিক বলার সুযোগ নাই। অতএব, ডেন্টাল চেম্বারে প্র্যাকটিস করার জন্য স্বভাবতই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্সের প্রয়োজন নাই এবং এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সকল প্রকার সহযোগিতা প্রদানের জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, লাইসেন্স বা নিবন্ধন নবায়নে আসেনি এমন প্রায় সাড়ে তিন হাজার বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা ভাবছে স্বাস্থ্য বিভাগ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের আবেদন না করায় ধরে নেয়া হচ্ছে এসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বা অনুমোদন নেই। অথবা লাইসেন্স প্রাপ্তির যোগ্যতা নেই। অর্থাৎ সরকারি অনুমোদন ছাড়াই এসব প্রতিষ্ঠান চলছে।

২৩শে আগস্ট নির্ধারিত সময় পর্যন্ত নিবন্ধন নবায়নের জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে ১২ হাজার ২২১টি আবেদন জমা পড়েছে। লাইসেন্স নবায়ন হয়েছে ৪ হাজার ৫১৯টি। প্রক্রিয়ার মধ্যে আসা অপেক্ষমাণ আবেদনের সংখ্যা ৭ হাজার ৬৭২টি।

তবে এখনো যারা আবেদন করেনি এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য আরো কিছুটা সময় চেয়েছে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ওনার্স এসোসিয়েশন। তবে টাস্কফোর্স ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ ধরনের প্রতিষ্ঠান এখন থেকে অবৈধ হিসেবে চিহ্নিত হবে। এগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে।

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক