অবৈধ ডেন্টাল প্র্যাকটিস বন্ধসহ ২ দফা দাবিতে চমেক ও রামেকে স্মারকলিপি-মানববন্ধন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের আলোকে অবৈধ ডেন্টাল প্র্যাকটিস বন্ধ এবং বিএমডিসি আইনের বাস্তবায়নের দাবিতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) অধ্যক্ষ ও পরিচালকের নিকট স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন মেডিকেলটির ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা।
একই দাবিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেন এবং ইউনিট প্রধান ও হাসপাতাল পরিচালক বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছেন।
মঙ্গলবার ও বুধবার (২৮,২৯ জুলাই) এ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।
এদিকে দুই দফা দাবিতে বিবৃতি দিয়েছে গণস্বাস্থ্য সমাজ ভিত্তিক মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটের শিক্ষক, বিডিএস ডেন্টাল সার্জন, ইন্টার্ন চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীরা। বুধবার (২৯ জুলাই) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিবৃতি দেওয়া হয়।
এতে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, দেশের বিভিন্ন স্থানে এখনও বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (বিএমডিসি) আইন- ২০১০ এর লঙ্ঘন করে অবৈধ ডেন্টাল চেম্বার পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ জনগণ ভুল চিকিৎসা, জটিলতা এবং স্থায়ী স্বাস্থ্যঝুঁকির সম্মুখীন হচ্ছেন।’
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে আইনগত অবস্থান আরও সুস্পষ্ট হয়েছে। তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনগণের নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। এর মাধ্যমে গ্রামীণ জনগণ সহজে বিশেষায়িত ও মানসম্মত মুখগহ্বর ও দন্তচিকিৎসা সেবা লাভ করবে এবং দেশের ডেন্টাল স্বাস্থ্যসেবার বৈষম্য অনেকাংশে দূর হবে। জনস্বার্থে দেশের মুখগহ্বর ও দন্তচিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে আমরা সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের প্রতি দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জোর আহ্বান জানাচ্ছি।’
শিক্ষার্থীদের দুই দফা দাবি—
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং বিএমডিসি আইন, ২০১০ অনুযায়ী- সারা দেশের অবৈধ ডেন্টাল চেম্বার ও বেআইনি ডেন্টাল প্র্যাকটিস বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া এবং দেশের প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও জেলা সদর হাসপাতালে একটি করে পূর্ণাঙ্গ ডেন্টাল সেন্টার স্থাপন এবং এসব কেন্দ্রে ন্যূনতম পাঁচজন বিডিএস ডেন্টাল সার্জন, বিভিন্ন বিশেষায়িত শাখার অন্তত পাঁচজন কনসালটেন্ট ডেন্টাল সার্জন, প্রয়োজনীয় জনবল, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও অবকাঠামো নিশ্চিত করা।
জেএইচ/