ছাত্রশিবির মেডিকেল জোনের নবীন বরণ অনুষ্ঠানে মত
নিরাপত্তাহীনতাসহ নানা সংকটে মেডিকেলে উৎসাহ হারাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে চিকিৎসকদের জন্য সন্তোষজনক বেতন কাঠামো ও নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় মেডিকেল পড়াশোনার ব্যাপারে শিক্ষার্থীরা উৎসাহ হারাচ্ছেন বলে মনে করেন চিকিৎসক ও ছাত্রনেতারা। মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানবিক চিকিৎসক, নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ ও সমাজসচেতন হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানান তারা। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যখাতে দুর্নীতি ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতারও কঠোর সমালোচনা করেন তারা।
আজ শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে ঢাকার মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের বরণ এবং ক্যারিয়ার গাইডলাইন বিষয়ক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তারা। এর আয়োজন করে ঢাকার মেডিকেল কলেজগুলো নিয়ে গঠিত বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির মেডিকেল জোন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর পড়াশোনায় কিছুটা শিথিলতা আছে, জীবন উপভোগ করার সুযোগ আছে। কিন্তু মেডিকেল ভর্তির পর থেকে আরেকটা যুদ্ধ শুরু হয়। এখানে মৃত্যু পর্যন্ত পড়াশোনা অব্যাহত রাখতে হবে। এখানে পড়াকেই উপভোগ করতে হয়, ভালোবাসতে হয়।
তিনি বলেন, ‘আপনারা জাতিকে ভালো কিছু দিতে পারেন। যদিও মেধার মূল্যায়ন বাংলাদেশে নেই। আপনারা এমবিবিএসে ভর্তি হয়েছেন, সবাই আপনাদের দিকে তাকায় আর মনে করে, ডাক্তার হওয়া মানে কাড়ি কাড়ি টাকা। কিন্তু বাস্তবতা অনেক কঠিন। এমবিবিএস ডাক্তারদের পাস করার পর যে বেতন দেওয়া হয়, তা সাধারণ বিষয়ে পাস করার পর যে গ্রেডের বেতন দেওয়া হয়, তার চেয়েও কম।
এ সময় কর্মস্থলে চিকিৎসকদের নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরেন ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি। বলেন, কোথাও রোগী মারা গেলে ধরে নেওয়া হয় ডাক্তার ইচ্ছা করেই মেরেছেন। রোগী মৃত্যুর জন্য তাদের গায়ে হাত তোলা হয়। তাদের সুরক্ষায় কোনো আইন নেই। তাদের অধিকার নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সাথে সাথে তাদের বেতন কাঠামোতে তা সমন্বয়ের ব্যবস্থা নেই। এটা দেশের জন্য অনেক বড় ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব কারণে শিক্ষার্থীরা মেডিকেলের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।
তিনি মেডিকেল শিক্ষার্থীদের মানবিক চিকিৎসক হয়ে গড়ে ওঠার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাইকেই দুনিয়া ছেড়ে চলে যেতে হয়, যারা সম্পদের মোহে পড়ে যায়, তারা কেউ স্থায়ী হতে পারেন না। কিন্তু যারা সম্পদের পেছনে ছুটেন না, তারাই অমর হয়ে যান। বিনামূল্যে হাজার হাজার কিডনি অস্ত্রোপচার করা অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলামের মহানুভবতার কথা আজ সবাই জানেন।
‘সেই ডা. কামরুল ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন, এমন কোনো মানুষ আমি পাচ্ছি না যে, আমার পর এটা ধরে রাখবে। সবাই অর্থের পেছনে ছুটছে। আমরা আশা করি, আপনারা মানবিক হয়ে গড়ে উঠবেন, সমাজের জন্য গড়ে উঠবেন’—যোগ করেন শিবির সভাপতি।
শিক্ষার্থীদের চরিত্রবান হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এটা একজন শিক্ষার্থীর জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। চারিত্রিক অধঃপতনের কারণে পারিবারিক জীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
এ সময় পশ্চিমা সংস্কৃতিকে অসার হিসেবে উপস্থাপন করেন নূরুল ইসলাম সাদ্দাম। বলেন, অশ্লীলতা-বেহায়াপনা তাদের সমাজ ব্যবস্থা ধ্বংস করে ছেড়েছে। পশ্চিমা দর্শন মানুষকে কিছুই দিতে পারেনি। চাকচিক্য আর বড় বড় ভবনের মধ্যেও তারা সুখ খুঁজে পায় না। সেখানে ছেলে-মেয়েরা আত্মহত্যা করছে। আত্মহত্যায় বাধা দূর করতে তাদের আইন করতে হচ্ছে। বিপরীতে সামাজিকিকরণ ও পারিবারিক বন্ধনের জন্য আমাদের সবাই সুখী। সুতরাং পশ্চিমাদের কাছ থেকে বাংলাদেশের মানুষের তেমন কিছু নেওয়ার নেই।
তিনি বলেন, পশ্চিমাদের মতের সঙ্গে কিছু না মিললে সেটাকে তারা সন্ত্রাস হিসেবে আখ্যায়িত করে। অথচ তাদের পুরো চরিত্রই হলো সন্ত্রাসের। কিন্তু মিডিয়া ট্রায়ালের মাধ্যমে তারা মুসলমানদেরকে সন্ত্রাসী তকমা দিয়েছে। তারা নানা কৌশলে দেশে দেশে নিজেদের অবস্থান পাকাপোক্ত করে রেখেছে।
সঙ্গ দোষে যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, মাদকসহ নানা বাজে অভ্যাসের জন্য সমাজ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
‘পশ্চিমাদের আরোপিত ধ্বংসাত্মক সংস্কৃতি থেকে মানুষকে বাঁচাতে হলে মেধাবী শিক্ষার্থীদেরকে এগিয়ে আসতে হবে, সমাজকে জানতে হবে, বুঝতে হবে, দর্শনগুলো চর্চা করতে হবে। ডাক্তার হলেও একটি গণ্ডির মধ্যে নিজেদেরকে সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। মেধাবীদের অনেক দায়িত্ব আছে এই সমাজের ওপর। কারণ তাদের প্রতি সরকার ও সমাজের অনেক বরাদ্দ আছে’—যোগ করেন তিনি।
ছাত্রশিবির সভাপতি বলেন, রাষ্ট্রের শিক্ষাখাত, স্বাস্থ্যখাত, প্রতিরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তায় লাখ লাখ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু এগুলো দুর্নীতির কারণে যথাযথভাবে ব্যয় হয় না। স্বাস্থ্যখাতে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়—গবেষণা বলছে, তা বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের হাসপাতালগুলো ভাগাড়ে পরিণত হতো না। অনেক স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে আজ সেবার পরিবেশ নেই। অথচ হাসপতালগুলো আধুনিকায়ন করা হচ্ছে না। সেখানে যথাযথ নীতির অভাবে মানুষগুলো সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
‘সাত কোটি মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। তাদের শিক্ষা-চিকিৎসাসহ সামগ্রিক জীবন মানের উন্নয়নে দায়বদ্ধতা সকল সচেতন নাগরিকের আছে।’
এ সময় একজন শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলতে ছাত্রশিবিরের বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। বলেন, তাদের কর্মসূচির মধ্যে রাজনীতি সম্পৃক্ত কাজের পরিমাণ খুবই কম। তাদের ৯৫ ভাগ কাজই ছাত্রকল্যাণ ও শিক্ষার্থীবান্ধব। সমাজ উন্নয়নমূলকগুলো কাজের পরিমাণ অনেক বেশি।
চলমান ছাত্ররাজনীতির চিত্র তুলে ধরে নূরুল ইসলাম সাদ্দাম বলেন, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আবাসনসহ নানা সংকট তৈরি করে রাখা হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলো শিক্ষার্থীদের দলে ভেড়াতে এ সংকট জিইয়ে রেখেছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজার হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরও শিক্ষার্থীদের আবাসনসহ বিভিন্ন সংকট দূর করা সম্ভব হয়নি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক ও ডাকসু জিএস এস এম ফরহাদ বলেন, চিকিৎসা খাতের অগ্রগতির জন্য নবীনদেরকে যোগ্য হয়ে গড়ে ওঠতে হবে, যাতে দেশের মানুষের চিকিৎসা চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বকে আকৃষ্ট করা যায়।
ফরহাদ বলেন, চিকিৎসা খাতে বাংলাদেশ এখনো নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। উন্নত চিকিৎসার জন্য এখনো অনেক মানুষ বিদেশমুখী হন। আমাদের প্রত্যাশা, আপনারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষতা, সততা ও মানবিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবেন। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলবেন, যেখানে চিকিৎসা নিতে দেশের মানুষকে বিদেশে যেতে হবে না, বরং বিদেশ থেকেই মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশে আসবে।
তিনি বলেন, ‘আপনারা এমন একটি সময়ে মেডিকেলে ভর্তি হয়েছেন, যখন দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ধীরে ধীরে ভয়, দমনপীড়ন ও রাজনৈতিক আধিপত্যের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন গণরুম, গেস্টরুম, রাজনৈতিক প্রভাব এবং নানা ধরনের নির্যাতনের শিকার হয়েছে। ভিন্নমত প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো পোস্টে লাইক দেওয়া কিংবা ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও মূল্যবোধের কারণেও অনেককে শারীরিক ও মানসিক নিপীড়ন সহ্য করতে হয়েছে।
এই পরিস্থিতি দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীদের স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন, দেশ নিয়ে ভাবা এবং নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলার পরিবর্তে অনেককে নিরাপত্তাহীনতা ও মানসিক চাপের মধ্যে শিক্ষাজীবন পার করতে হয়েছে। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ব্যক্তি, শিক্ষা ব্যবস্থা এবং রাষ্ট্র।’
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্টের পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার একটি সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তবে সেই সময়ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করেছে একটি মহল। সচেতন শিক্ষার্থীদের প্রতিরোধ ও দৃঢ় অবস্থানের কারণেই অনেক ক্ষেত্রে সেই অপচেষ্টা সফল হয়নি। বিশেষ করে মেডিকেল শিক্ষার্থীরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে অবস্থান নিয়েছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে। যেখানে অনেকেই ভয়ে নীরব থেকেছে, সেখানে আপনারা সাহসিকতা, সচেতনতা ও দায়িত্ববোধের পরিচয় দিয়েছেন। আপনাদের অভিনন্দন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ফার্টিলিটি হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও কনসালটেন্ট ডা. এসএম খালিদুজ্জামান ক্যারিয়ার সংক্রান্ত বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন। ভালো চিকিৎসক হওয়ার পাশাপাশি জবাবদিহিমূলক রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
অধ্যাপক ডা. শহীদুল ইসলাম আকন মেডিকেল পড়াশোনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতাসম্পন্ন মানুষ হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বুয়েটের আবাসিক হলগুলোর তুলনায় অনেক মেডিকেল কলেজের হলের মান সন্তোষজনক নয়। সরকার অনেক ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বাজার দামের তুলনায় দ্বিগুণ ব্যয়ে পণ্য বা সামগ্রী ক্রয় করলেও তার মান আশানুরূপ হয় না। এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের নীতি-নৈতিকতার অভাব রয়েছে। সমাজ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে এসব অনিয়ম থেকে বেরিয়ে এসে সততা ও জবাবদিহিতার সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে আমাদের সব সময় স্রষ্টার স্মরণ রাখতে হবে।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যতই বড় হই বা যত সফলতাই অর্জন করি না কেন, সমাজের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা ভুলে গেলে চলবে না। সমাজ আমাদের কাছে একটি আমানত। তাই দুর্নীতি বা অনিয়মের মাধ্যমে সমাজের অধিকার ক্ষুণ্ণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।’
এ সময় পড়াশোনা ও পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি পিতা-মাতার প্রতি যত্নশীল হওয়ার আহ্বান জানান অধ্যাপক শহীদ আকন। বলেন, অনেকেই উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশে যেতে চান। তবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের মনে রাখতে হবে, বাড়িতে আমাদের বাবা-মা রয়েছেন। আমরা যদি ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে পাস করে সবাই বিদেশে চলে যাই, তাহলে আমাদের বাবা-মায়ের চিকিৎসার দায়িত্ব কে নেবে? তাই ক্যারিয়ারের পাশাপাশি বাবা-মায়ের প্রতি দায়িত্বশীল হতে হবে। এমনভাবে জীবনকে পরিচালনা করতে হবে, যাতে তাদের শেষ বয়সে কোনো কষ্ট বা অবহেলার মুখোমুখি হতে না হয়। আমাদের জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে।
অনুষ্ঠানে এক্সিলেন্সি অ্যাওয়ার্ড সেরিমনিতে ঢাবি অধিভুক্ত মেডিকেলগুলোর বিভিন্ন প্রফ পরীক্ষায় প্লেসধারী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
আয়োজনের ভূয়সী প্রশংসা করেন উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। এ ধরনের আয়োজন অব্যাহত রাখারও আহ্বান জানান তারা। প্রফ পরীক্ষায় ভালো করার নানা উপায় ও অভিজ্ঞতার বিষয়ে কথা বলেন। একই সঙ্গে ধারাবাহিকতার জন্য মনোবল ধরে রাখারও ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
মেডিকেল জোন সভাপতি ডা. জুলফিকার আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শাখার সেক্রেটারি ডা. আদনান হামজা। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মেডিকেল জোনের সদ্যসাবেক সভাপতি ডা. যায়েদ আহমদসহ কেন্দ্রীয় ও জোনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলরা।
অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণে কুইজ প্রতিযোগিতার পর্ব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ইসলামী ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সাদ্দাম।
এমইউ/