১০ জুন, ২০২৬ ০৪:১০ পিএম

জিয়াউর রহমানের সময় ৩১ শয্যার হাসপাতাল চালু হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

জিয়াউর রহমানের সময় ৩১ শয্যার হাসপাতাল চালু হয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: জিয়াউর রহমানের সময় ৩১ শয্যার হাসপাতাল চালু হয়েছিল, যা খালেদা জিয়ার সরকার ৫০ শয্যায় উন্নীত করে। সেই ধারাবাহিকতায় এসব হাসপাতালকে বর্তমান সরকার ১০১ শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে।

আজ বুধবার (১০ জুন) সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা আধুনিকায়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর অবদান ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এসব কথা জানান। 

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সততা-নিষ্ঠার যে ভিত্তি রেখে গেছেন, এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্বাস্থ্যসেবাসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নে গুরুত্ব দিচ্ছেন।

জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)।

মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকা নিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান সেই ডাকটা না দিলে এত তাড়াতাড়ি বাংলাদেশের মানুষ যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ত না। কারণ, যারা যুদ্ধের দাবিদার, যারা স্বাধীনতার কবজ নিয়ে বুকে ঘুরছে, তারা তো সব পালিয়ে গিয়েছিল। তারা জাতিকে কোনো নির্দেশনাই দিয়ে যায়নি।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমি বলব না যে জিয়াউর রহমানের একটা ডাকে দেশটা স্বাধীন হয়ে গেছে। বাট আই মাস্ট সে, অনেক গুরুত্ব বহন করেছিল সেই ডাক। যেই মুহূর্তে শুনলাম, জিয়াউর রহমান বলেছেন “আমি মেজর জিয়া বলছি, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করছি” পাগলের মতন আমরা যুদ্ধে ঝাঁপায়ে পড়েছি।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জিয়াউর রহমান সাহস করে বিদ্রোহ করে, কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সেখানে বসে থাকেননি, রণক্ষেত্রে যুদ্ধ করেছেন জেড ফোর্সের কমান্ডার হিসেবে। আবার ১৯৭৫ সালে জাতি যখন একেবারে বিপর্যস্ত, সেনাবাহিনীতে যখন চেইন অব কমান্ড বলে কোনো কিছু ছিল না, সিপাহি বিপ্লবের মাধ্যমে আবার তাঁকে ক্ষমতায় আনল জনগণ। ক্ষমতায় গিয়ে জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলে। 

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, তাঁকে (শেখ হাসিনা) দেশে রাজনীতি করতে দিয়েছিলেন জিয়াউর রহমান। কিন্তু তিনি (শেখ হাসিনা) জীবনে এই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেননি।

আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী এম. এ. মুহিত। এতে সভাপতিত্ব করেন ড্যাবের সিনিয়র সহসভাপতি অধ্যাপক মো. আবুল কেনান।

জেএইচ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক