২০ অক্টোবর, ২০২৫ ০৭:৪৮ পিএম

সাংবাদিক ওবায়দুর মাসুমের ওপর হামলায় বিএইচআরএফের নিন্দা

সাংবাদিক ওবায়দুর মাসুমের ওপর হামলায় বিএইচআরএফের নিন্দা
বিডিনিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ওবায়দুর মাসুম। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিডিনিউজের সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট ওবায়দুর মাসুমের ওপর হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএইচআরএফ)। 

সোমবার (১৯ অক্টোবর) বিকেলে এক বিবৃতিতে ফোরামের সভাপতি রাশেদ রাব্বি ও সাধারণ সম্পাদক মঈনুল হাসান সোহেল এ নিন্দা জানান।

বিএইচআরএফের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরিফ সাওন স্বাক্ষরিত বিবৃতিতে জানানো হয়, কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রোববার (১৯ অক্টোবর) দিবাগত রাত সাড়ে ১০টার দিকে নরসিংদীর মাধবদী থানার কান্দাইল এলাকায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নরসিংদী ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।

ওবায়দুর মাসুমের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে জানানো হয়, ঢাকা থেকে নরসিংদীতে বাড়ি ফেরার সময় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কান্দাইল এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ দুটি মোটরসাইকেল ওবায়দুল মাসুমের বাইকের গতিরোধ করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই একটি বাইক থেকে দুজন নেমে তার পিঠ, বাহু ও ডান পায়ে পেটায়। এর মধ্যে একজন গালিগালাজ করে। এ সময় তার বাইকের সামনের অংশে ভাঙচুর করা হয়। পরে তারা দ্রুত বাইক ঘুরিয়ে ঢাকার দিকে চলে যায়।

ওবায়দুর মাসুম বিএইচআরএফের সদস্য। তার উপর এ রকম আকস্মিক হামলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য সাংবাদিকদের সংগঠনটি।

বিবৃতি বলা হয়, ওবায়দুর মাসুমের উপর হামলার ঘটনা আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির বহিঃপ্রকাশ। এই ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না। এই ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক