ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন

ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন

নার্স ও পুষ্টিবিদ,
বিএসসি ইন নার্সিং (চবি), এমপিএইচ ইন নিউট্রিশন (ইবি)।


২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ১২:১৯ পিএম

দেশে নার্সিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ

দেশে নার্সিং খাতের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথ
ছবি: মেডিভয়েস

স্বাস্থ্য একটি জাতির মৌলিক অধিকার ও মানব উন্নয়নের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। একটি দেশের সামগ্রিক অগ্রগতি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সামাজিক স্থিতিশীলতা অনেকাংশেই সুশৃঙ্খল, কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য খাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করলেও এখনো সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ, দক্ষ জনবল গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোগত উন্নয়নের ক্ষেত্রে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে। বিশেষত নার্স ও মিডওয়াইফের চরম ঘাটতি আমাদের জন্য বড় ধরনের সতর্কবার্তা। 

অন্যদিকে, বিশ্বজুড়ে নার্স ও মিডওয়াইফের ব্যাপক চাহিদা এবং স্বাস্থ্য খাতে মানবসম্পদের গুরুত্ব নতুন করে ভাবনার দুয়ার খুলে দিচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যনীতি, নার্সিং খাতের বর্তমান অবস্থা এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা নিয়ে গভীরভাবে পর্যালোচনা করা এখন সময়ের দাবি।

বর্তমান স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও  নার্সিং খাত

বাংলাদেশ স্বাস্থ্যখাতে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করলেও সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্য অর্জন, বৈশ্বিক স্বাস্থ্যনিরাপত্তা সূচক ও স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তিমূলকতা সূচকে অনেক পিছিয়ে আছে। সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্য অর্জনের সার্ভিস কভারেজ ইনডেক্সে ১০০-এর মধ্যে বর্তমান স্কোর ৫২, যা ২০৩০ সাল নাগাদ কমপক্ষে ৮০-তে উন্নীত করতে হবে। স্বাস্থ্যের মোট ব্যয়ে ব্যক্তির নিজস্ব অংশ বর্তমান ৬৮ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে। ২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বৈশ্বিক স্বাস্থ্যনিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ছিল ১০০-এর মধ্যে ৩৫ দশমিক ৫ এবং ১৯৫ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৯৫তম। অন্যদিকে স্বাস্থ্য অন্তর্ভুক্তিমূলকতা সূচকে ৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর সর্বনিম্ন (৩০.৮)।

বিভিন্ন স্বাস্থ্যসূচকে আমাদের বর্তমান অবস্থান নিশ্চয়ই উন্নয়ন, উন্নয়নচিন্তা ও উন্নয়ন স্বপ্নের সঙ্গে মানানসই নয়। অন্যদিকে এই সূচকগুলোর বৈশিষ্ট্যগুলো যে বার্তা দেয়, তা হলো স্বাস্থ্য গঠন, স্বাস্থ্যসেবা প্রদান এবং স্বাস্থ্যসেবাপ্রাপ্তি শুধু স্বাস্থ্য খাতের ওপর নির্ভর করে না।

যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৩৩০ জন নাগরিকের বিপরীতে একজন ডাক্তার, ভারতে এক হাজার ৬০০ নাগরিকের বিপরীতে একজন ডাক্তার, বাংলাদেশে এক হাজার ৯০০ জনের বিপরীতে একজন ডাক্তার আর কিউবায় মাত্র ১০৫ জন নাগরিকের বিপরীতে একজন ডাক্তার। তারপরও বলতে হয়, তারা ‘প্রিভেনশন ইজ বেটার দ্যান কিউর’ নীতিতে বিশ্বাস করায় স্কুলজীবন থেকেই স্বাস্থ্য সুরক্ষার পাঠ নিয়ে থাকে। হাসপাতালগুলোতে যদি বেডের সংখ্যা বিবেচনায় নেন তাহলে দেখবেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি এক হাজার নাগরিকের বিপরীতে আছে ২.৮টি বেড, ভারতে ২.৭টি বেড, বাংলাদেশে একটিরও কম- ০.৮৭টি বেড এবং কিউবায় ৫টি বেড। প্রত্যাশিত গড় আয়ু যুক্তরাষ্ট্রে ৭৮.৫৪ বছর, ভারতে ৬৯.১৬ বছর, বাংলাদেশে ৭২ বছর আর কিউবায় ৭৮.৬৬ বছর।

এ কারণেই বললাম, কোনো দেশ গরিব, না ধনী তার ওপর স্বাস্থ্যনীতি নির্ভর করে না। স্বাস্থ্যনীতি নির্ভর করে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে। সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই কিউবাকে কারও আমলে নেয়ার কথা নয়। কিন্তু জনগণের রাষ্ট্র বিবেচনায় সেই দেশটিকে অবজ্ঞা করার কোনো সুযোগ নেই, যা একটি পরিকল্পিত স্বাস্থ্যব্যবস্থার ধারক।

আমরা বিগত এক যুগ ধরে ‘উন্নয়ন’ আর ‘প্রবৃদ্ধির’ গল্প শুনে আসছি। এ সময়ে চীনা দার্শনিক কনফুসিয়াসের একটি বাণী স্মরণে আনতে চাই। তিনি বলেছেন, ‘তরতর করে উপরে ওঠার মধ্যে কোনো কৃতিত্ব নেই, কৃতিত্ব হলো গর্তে পড়ে গেলে উঠে আসতে পারো কিনা।’ 

অতীতের কথা এ সময়ে টেনে আনার প্রয়োজন বোধ করছি না। তবে ভবিষ্যতে যেন এমন অন্ধকারে না পড়তে হয়, সেদিক বিবেচনায় একটি শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি।

নার্স ও মিডওয়াইফের বৈশ্বিক চাহিদা ও বাজার বিশ্লেষণ

বাংলাদেশের নার্সিং খাত নিয়ে আমাদের যেকোনো পর্যবেক্ষণ বা নীতি পর্যালোচনা করার আগে বিশ্বে নার্স ও মিডওয়াইফের প্রকৃত চাহিদা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকা জরুরি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২৪ সালের এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ২৯ কোটি নার্স এবং ২.২ কোটি মিডওয়াইফ সারা বিশ্বে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, বার্ধক্য ও স্বাস্থ্যসেবার প্রয়োজনীয়তা বাড়ার কারণে ২০৩০ সালের মধ্যে প্রায় ৪.৫ কোটি নার্স ও ৩১ লাখ মিডওয়াইফের ঘাটতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আরও একটি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এই ঘাটতির সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়বে নিম্ন ও নিম্নমধ্য আয়ের দেশগুলোর ওপর।

এক হাজার রোগীর বিপরীতে একজন নার্স

ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১,০০০ জনে অন্তত ৩ জন নার্স থাকা প্রয়োজন। এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের নার্সের প্রাপ্যতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ১,০০০ জনে ১১.৭ জন নার্স রয়েছে, যা ডব্লিউএইচওর মানদণ্ডের তুলনায় অনেক বেশি এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ইঙ্গিত দেয়। 

কিউবায় নার্সের সংখ্যা প্রতি ১,০০০ জনে ৭.৬ থেকে ৮.২ জন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের উপরে এবং এই দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার শক্তিশালী অবস্থানকে তুলে ধরে। ভারতের অবস্থান তুলনামূলকভাবে দুর্বল, যেখানে প্রতি ১,০০০ জনে ১.৯৬ জন নার্স রয়েছে—ডব্লিউএইচওর মানদণ্ডের নিচে। বাংলাদেশে এ চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক, যেখানে প্রতি ১,০০০ জনে মাত্র ০.২ জন নার্স রয়েছে। এটি ডব্লিউএইচও’র মানদণ্ডের তুলনায় অনেক নিচে এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুতর জনবল সংকটের বিষয়টি নির্দেশ করে। এই পরিসংখ্যানগুলো স্পষ্টভাবে দেখায়, নার্সের পর্যাপ্ত সরবরাহ একটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।

এ চাহিদা পূরণের জন্য অনেক দেশ ইতিমধ্যেই বিদেশি নার্স নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। যেমন—২০২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত নার্সের সংখ্যা ছিল ৩১ লাখ ৭৫ হাজার ৩৯০। ২০২২ সালে যুক্তরাজ্যে সাত লাখ ৪৮ হাজার, জার্মানিতে ১০ লাখ ৪ হাজার, জাপানে ১৭ লাখ ৩৪ হাজার এবং ২০২৩ সালে সৌদি আরবে দুই লাখ ৩৫ হাজার ৪৬১ জন নিবন্ধিত নার্স কাজ করেছেন। (সূত্র: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি স্বাস্থ্য সংস্থা ও পরিসংখ্যান ব্যুরো)। 

এসব উপাত্ত প্রমাণ করে বৈশ্বিক বাজারে নার্সিং পেশার বিশাল চাহিদা রয়েছে।

উত্তরণের উপায়

বাংলাদেশে নার্সের ঘাটতি মোকাবিলায় প্রথমত নার্সিং শিক্ষার পরিসর বৃদ্ধি ও মানোন্নয়নসহ বেশি কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া জরুরি। সেগুলো হলো—

নার্স নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ বৃদ্ধি করা

প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নার্সের সংখ্যা বাড়ানো। আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ প্রদান ও নার্সিং কারিকুলাম হালনাগাদ করা।

নার্সদের মর্যাদা ও বেতন বৃদ্ধি

নার্সদের পেশাগত মর্যাদা ও মানসিক প্রেষণা বৃদ্ধির জন্য সরকারি স্বীকৃতি ও পুরস্কার চালু করা। বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ।

নার্সিং শিক্ষার মানোন্নয়ন

নার্সিং কলেজে অভিজ্ঞ শিক্ষক নিয়োগ, আধুনিক ল্যাব ও ই-লার্নিং সিস্টেম চালু করা। নার্সিং ইউনিভার্সিটি ও উচ্চতর গবেষণার সুযোগ তৈরি।

আন্তর্জাতিক রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা

ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধির ট্রেনিং। আন্তর্জাতিক মানের ট্রেনিং দিয়ে নার্সদের বিদেশে কর্মসংস্থানে সহায়তা।

কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা

নার্সদের জন্য সুরক্ষিত, সম্মানজনক ও চাপমুক্ত কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা। কাজের সময়, ছুটি ও মাতৃত্বকালীন ছুটি নির্দিষ্ট করা।

সংস্কার কমিশনের সুপারিশ ও রাজনৈতিক দলগুলোর দৃষ্টিভঙ্গি

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের অংশ হিসেবে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে গঠিত স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশন নার্সিং পেশার উন্নয়নে বেশ কিছু সুপারিশ করেছে। কমিশনের প্রতিবেদনে নার্সিং পেশার জন্য উল্লেখযোগ্য সুপারিশগুলো হলো—

নার্সিং বিভাগকে একীভূত করা

কমিশন প্রস্তাব করেছে যে, নার্সিং, পরিবার পরিকল্পনা, তামাক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ন্যাশনাল ইলেকট্রো-মেডিক্যাল ইকুইপমেন্ট মেইনটেন্যান্স ওয়ার্কশপ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (নিমিউ অ্যান্ড টিসি) এবং যানবাহন ও যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ সংস্থাকে (টেমো) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে একীভূত করা হবে। এর মাধ্যমে একটি সমন্বিত ও দক্ষ স্বাস্থ্য সেবা ব্যবস্থা গঠন করা সম্ভব হবে।

স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্ত্বশাসিত ক্যাডার গঠন

কমিশন সুপারিশ করেছে যে, স্বাস্থ্য ক্যাডারকে একটি স্বতন্ত্র ও স্বায়ত্তশাসিত ক্যাডারে রূপান্তর করা হোক, যার নাম হবে বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিসেস। এই ক্যাডারটি বিচারিক ক্যাডারের ন্যায় একটি স্বাধীন সিভিল সার্ভিস ক্যাডার হবে এবং এর অধীনে নার্সিং পেশার কর্মকর্তাদেরও অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

ক্যারিয়ার গ্রোথ ও পদোন্নতি

নার্সিং পেশার জন্য ক্যারিয়ার প্ল্যানিং ও পদোন্নতির সুযোগ সৃষ্টি করার সুপারিশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা—এই তিনটি বিভাগে লাইন প্রমোশনের জন্য পর্যাপ্ত পদসোপান তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন

নার্সিং পেশার মানোন্নয়নের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কর্মশালা আয়োজনের সুপারিশ করা হয়েছে, যাতে নার্সরা আধুনিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে দক্ষতা অর্জন করতে পারে।

স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে নার্সিং খাত এগিয়ে যাবে। আশার কথা হলো, বর্তমান সরকারের স্বাস্থ্য সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা বিনামূল্যে চেয়েছেন ৯০ শতাংশ মানুষ। তাই সার্বজনীন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে হলে স্বাস্থ্যকর্মী অর্থাৎ নার্সিং ও মিডওয়াইফদের মানোয়ন্নন করা জরুরি। গত ৪ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নাগরিক কমিটির সাত সুপারিশের মধ্যে একটিতে স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য উন্নত কর্মপরিবেশ ও ন্যায্য পারিশ্রমিকের কথা বলেছে। বিএনপি তাদের ৩১ দফার মধ্যে ২৬ নং দফায় স্বাস্থ্য খাতের গুরুত্বপূর্ণ খাত নার্সিং খাত হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নার্সিং পেশা এখন শুধু স্বাস্থ্য নয়, নীতিনির্ধারণেও গুরুত্ব পাচ্ছে।

নার্সিং খাতের উন্নয়ন মানেই দেশের স্বাস্থ্যখাতের টেকসই অগ্রগতি। প্রশিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাসম্পন্ন নার্সগণ দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারেন। এজন্য সরকার, বেসরকারি খাত ও সমাজের সম্মিলিতভাবে এগিয়ে আসা প্রয়োজন।

এমইউ/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক