স্বাস্থ্য শিক্ষার নতুন পরিচালক অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের নতুন পরিচালক (গবেষণা, প্রকাশনা ও কারিকুলাম উন্নয়ন) হিসেবে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এ টি এম ফরিদ উদ্দিনকে নিয়োগ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
বৃহস্পতিবার (১২ সেপ্টেম্বর) মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের (পারসোনল-১ শাখা) উপসচিব দূর-রে-শাহওয়াজ স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাঁকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এতে বলা হয়, ‘বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারের নিম্নবর্ণিত কর্মকর্তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাঁর নামের পার্শ্বে বর্ণিত পদে ও কর্মস্থলে পদায়ন করা হলো। পদায়নকৃত কর্মকর্তা আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর তারিখের মধ্যে পদায়নকৃত কর্মস্থলে যোগদান করবেন। অন্যথায় ১৮ সেপ্টেম্বরের পূর্বাহেৃ তাৎক্ষণিক অবমুক্ত বলে গণ্য হবেন। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এবং জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।’
অনুভূতি জানতে চাইলে অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আলহামদুল্লিাহ, আল্লাহর দরবারে অনেক কৃতজ্ঞতা। দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে ঢাকার বাহিরে থাকার পর ঢাকাতে পদায়ন পেয়েছি। পরিবার-পরিজন বসবাস করে ঢাকায়। সেইসঙ্গে ভালো লাগার ব্যাপার তো আছেই।’
তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ একটি অধিদপ্তর। এখানে অতীতে কী কী কাজ হয়েছে, ভবিষ্যতে কী কী করা যায়, সেটি নিয়েও পরিকল্পনা আছে। দীর্ঘ সময় মেডিকেলে শিক্ষকতা করেছি, সে হিসেবে কিছুটা হলেও ধারণা আছে। এটাকে কিভাবে আরও উন্নত করা যায়।’
অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিন আরও বলেন, ‘গবেষণায় অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা পিছিয়ে আছি। সুযোগ থাকার পরও গবেষণাটাতে সেভাবে আমরা মূল্য দিতে পারিনি। চিকিৎসকদের কিভাবে গবেষণায় উৎসাহিত করা যায়, সেটিতে টার্গেট থাকবে। সেইসঙ্গে গবেষণা চালিয়ে যেতে যেভাবে সহযোগিতা করা যায়, এটিও থাকবে। গবেষণায় সহযোগিতার মধ্যে অন্যতম হলো আর্থিক সহযোগিতা। এটা নিয়েও চিন্তা করবো। কারণ গবেষণার বিষয়ে আমার খুব আগ্রহ রয়েছে।’
তিনি বলেন,‘আমাদের গবেষণাগুলোকে কিভাবে আন্তর্জাতিক মানের করা যায়? সেটি নিয়ে চিন্তা করবো। গবেষণার দিক দিয়ে আমাদের দেশকে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিনিধিত্ব করতে পারি। সেটির উপরও গুরুত্ব থাকবে।’
অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিন বলেন, ‘মেডিকেল শিক্ষায় যে কারিকুলাম চালু রয়েছে। দেখতে হবে, এর মধ্যে কোনো দোষ-ক্রটি আছে কিনা। দোষ-ক্রটি থাকলে সংশোধন কিভাবে করা যায়। সেইসঙ্গে কিভাবে আরও উন্নত করা যায়, সেটি নিয়েও আলোচনা করবো।’
অধ্যাপক ডা. ফরিদ উদ্দিনের গ্রামের বাড়ি দিনাজপুর জেলার বিরল উপজেলায়। সেখানে তাঁর বেড়ে ওঠা। তিনি বিরলের সারাঙ্গাই পলাশবাড়ী হাই স্কুল থেকে এসএসসি এবং দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেন। পরে তিনি রংপুর মেডিকেল কলেজের ১৪তম ব্যাচ থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেন। এরপর তিনি বিসিএস স্বাস্থ্য ক্যাডারে যোগদান করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে উচ্চতর কোর্স সম্পন্ন করেন।
ডা. ফরিদ উদ্দিন ২০০৫ সালে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি পান। এরপরে ২০০৮ সালে তাঁকে সহযোগী অধ্যাপক এবং ২০১৯ সালে অধ্যাপক পদে পদোন্নতি দেয় সরকার।
এসএইচ
-
১৮ মে, ২০২৬
-
০৫ অক্টোবর, ২০২৫
-
১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
-
১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
-
২৮ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৬ জানুয়ারী, ২০২৫