১৩ মে, ২০২৪ ০৭:২২ পিএম

লিফটে আটকে রোগীর মৃত্যু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শন

লিফটে আটকে রোগীর মৃত্যু, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত দলের ঘটনাস্থল পরিদর্শন
শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত দল। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লিফটে আটকা পড়ে রোগীর মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদন্ত দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আজ সোমবার (১৩ মে) কমিটির প্রধান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (ডেন্টাল) ডা. মাহমুদা বেগমের নেতৃত্বে পরিদর্শনকালে দলের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান মাহমুদা বেগম বলেন, ‘রোববার সকালে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লিফটে আটকা পড়ে নিহত হওয়ার খবর মিডিয়ায় প্রচার হওয়ার পর এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পেয়ে ঘটনার তদন্তে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। তিন কার্যদিবসের মধ্যে তদন্তের প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সোমবার শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক মো. আমিনুল ইসলাম, উপ-পরিচালক মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, লিফটের অপারেটর, ওয়ার্ড বয় ও গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তদন্তে লিফট বন্ধের কারণ, তা কতক্ষণ বন্ধ ছিল, লিফটে আটকা পড়া লোকজন কীভাবে উদ্ধার হলো ও রোগী মৃত্যুর ঘটনায় কারও কোনো অবহেলা ছিল কি-না সবকিছু খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন তিন সদস্যের কমিটির অপর দুই সদস্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান ও সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রেজা খান। উপ-পরিচালক মো. খায়রুজ্জামান বলেন, ‘রোগীর স্বজনদের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা বলা হবে। তাদের সঙ্গে টেলিফোনে বা ফোন করে নিয়ে এসে কথা বলা হবে।’

প্রসঙ্গত, রোববার (১২ মে) সকালে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের ৩ নম্বর লিফটে আটকে পড়ে এক নারীর মৃত্যু হয়। পরে জয়দেবপুর ফায়ার স্টেশনের কর্মীরা গিয়ে লিফটে আটকে পড়া ওই রোগীর মরদেহ ও অন্যান্যদের উদ্ধার করেন। লিফট অপারেটরদের দায়িত্বে অবহেলার কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ওই নারীর স্বজনরা।

একই দিন হাসপাতালের পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. জাহাঙ্গীর আলম ও গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আব্দুল হালিমের সই করা একটি ব্যাখ্যামূলক চিঠি পাঠানো হয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে। ওই চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, ওই নারী লিফট-এ ৪৫ মিনিট আটকে ছিলেন না, ১০ থেকে ১৫ মিনিট আটকে ছিলেন। মাঝপথে ত্রুটি দেখা দেওয়া লিফটটি আগে থেকে ত্রুটিপূর্ণ ছিল না। রোগী ও স্বজনদের ধাক্কাধাক্কিতে সেটিতে ত্রুটি দেখা দেয়।

এনএআর/এএনএম

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক