২৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪ ০৮:৩৯ পিএম

ফাইনাল প্রফ পরীক্ষা এগিয়ে আনার দাবি পরীক্ষার্থীদের, ডিন অফিসের না

ফাইনাল প্রফ পরীক্ষা এগিয়ে আনার দাবি পরীক্ষার্থীদের, ডিন অফিসের না
প্রতীকী ছবি।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: করোনাভাইরাসের কারণে পিছিয়ে পড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) অধিভুক্ত মেডিকেল কলেজগুলোতে অধ্যয়নরত ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থীরা ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ের কিছু আগে আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষা এগিয়ে আনা হলেও ঢাবি বরাবরই দেরিতে পরীক্ষার আয়োজন করছে। তবে কর্তৃপক্ষ বলছে, নির্ধারিত কারিকুলাম মেনে নভেম্বরে ফাইনাল প্রফেশনাল পরীক্ষা আয়োজন করা হবে। এক্ষেত্রে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কারিকুলাম অনুসরণ না করে আগে পরীক্ষা নিচ্ছেন বলেও জানান তাঁরা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) এক শিক্ষার্থী মেডিভয়েসকে বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা নভেম্বর-২০২৪ এ নেওয়া হলে পরবর্তী ব্যাচের প্রফ হবে মে-২০২৫ এ, তখন আমরা সাপ্লিমেন্টারি প্রফ পাবো না। আমাদের সাপ্লিমেন্টারি প্রফ দিতে হবে পরবর্তী ব্যাচের সাথে। সাপ্লি পরীক্ষায় শিক্ষার্থী কম থাকায় কম সময়ে শেষ হয়ে যায়। এ ব্যাচে ১০-১৫ জন সাপ্লি পরীক্ষার্থী থাকে, এটা একদিন ভাইভা নিলেই শেষ হয়ে যাবে। কিন্তু নিয়মিত প্রফে এক-দেড় মাস ধরে ভাইভা হবে। কোনো এক বিষয়ে সাপ্লি খেলে তাকে নিয়মিতদের সঙ্গে পুরো চার মাস ধরে পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় যুক্ত থাকতে হবে।’

একাধিক শিক্ষার্থী জানান, মেডিকেলের বিদ্যমান কারিকুলাম অনুযায়ী, মে-জুনে নিয়মিত এবং নভেম্বরে সাপ্লিমেন্টারি প্রফের আয়োজন করা হয়। সব সেশনের শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ও সাপ্লি পরীক্ষা এ নিয়মেই হয়ে আসছে। কিন্তু শুধু ২০১৮-১৯ সেশনের এ নিয়মের বাইরে পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে।’

স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের ২০১৮-১৯ সেশনের এক শিক্ষার্থী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) করোনার সেশনজট পুষিয়ে নিয়ে যথা সময়ে পরীক্ষা আয়োজন করছে। কিন্তু ঢাবি যথা সময়ে পরীক্ষা না নিয়ে আমাদের প্রতি অবিচার করে যাচ্ছে।’

শিক্ষার্থীরা জানান, তৃতীয় প্রফেও তাদের আলাদা করে সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা নেওয়া হয়নি। ২০১৯-২০ সেশনের নিয়মিত প্রফের সাথে সাপ্লি দিতে হয়েছে। ফাইনাল প্রফটা মে-জুনের মধ্যে নিলে তারা আলাদা সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা দিতে পারবেন বলে জানান।

জানতে চাইলে ঢাবির চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কমিটির চেয়ারম্যান ডা. শাহরিয়ার নবী মেডিভয়েসকে বলেন ‘আমরা সব সময় একাডেমিক কারিকুলাম অনুসরণ করি। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যারা আগে পরীক্ষা নিচ্ছে, তারা কারিকুলামের বাইরে গিয়ে এটা করছে। আমরা এটা করবো না, করতে পারি না। কারণ এতে সার্টিফিকেট প্রশ্নবিদ্ধ হবে।’

তিনি বলেন, ‘এটা শুধু আমার একার সিদ্ধান্ত না। পরীক্ষা কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল শিক্ষক এ বিষয়ে একমত হয়েছেন। হয় কারিকুলাম মেনে পরীক্ষা দিতে হবে, না হলে পরীক্ষা ছাড়াই সার্টিফিকেট দিয়ে দিতে হবে। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলো করোনার সময় ক্লাস হয়েছে, এটা দেখিয়ে পরীক্ষা নেয় সে কাজটা তো আমরা করতে পারি না।’

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : ঢাবি
সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত