১২ ডিসেম্বর, ২০২৩ ০৫:২১ পিএম
পাবে ২ কোটি ৩০ লাখ শিশু

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু, চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত

ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন শুরু, চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত
রাজধানীর মহাখালীতে নিপসম সেন্টারে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন। ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: সারাদেশে শুরু হয়েছে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল ক্যাম্পেইন। আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) দেশের সকল ইপিআই কেন্দ্র, কমিউনিটি ক্লিনিক ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে ছয় থেকে ৫৯ মাস বয়সী শিশুকে ক্যাপসুল খাওয়ানো হচ্ছে। আর দুর্গত এলাকাগুলোতে এ কার্যক্রম চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এই দিনগুলোতে সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্ধারিত বয়সের শিশুদের টিকা খাওয়ানো হবে।

এবার দুই কোটি ৩০ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫ শত শিশুকে ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। এর মধ্যে ৬-১১ মাস বয়সী ২৭ লক্ষ ৮৭ হাজার ৫০০ শিশুকে নীল রঙের এবং ১১-৫৯ মাস বয়সী দুই কোটি ৩০ লক্ষ দুই হাজার শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

সকালে শিশুদের জন্য ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইন উপলক্ষে রাজধানীর মহাখালীস্ত নিপসম সেন্টারে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করে শিশুদেরকে এই ক্যাপসুল খাওয়ানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘টিকাদানে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল। টিকাদানে আমাদের সফলতা বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত। করোনার সময়েও বাংলাদেশ এক দিনে এক কোটি বিশ লক্ষ মানুষকে টিকা দিয়ে বিশ্বে আলোচিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে৷ এবার ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য আমরা ২ কোটি ৪০ লক্ষ শিশুকে টার্গেট করেছি। এজন্য আমাদের প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই টিকাদান প্রক্রিয়ায় এবার ৪০ হাজার স্বাস্থ্যকর্মী ও দুই লাখ ৪০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী প্রস্তুত রয়েছে।’

এই টিকা খাওয়াতে কেউ যেন গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল একেবারেই নিরাপদ এবং অত্যন্ত উপকারী। ভিটামিন-এ প্লাস ক্যাপসুল শিশুদের অন্ধত্ব দূর করার পাশাপাশি বামনত্ব প্রতিরোধ করে। এই টিকা দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করে। সকল ধরনের মৃত্যুহার ২৪% হ্রাস করে এবং হাম, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়াজনিত কারণে মৃত্যু রোধ করে। সুতরাং এই টিকা জাতীর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য দেশের সকল ৬-৫৯ মাস বয়সী শিশুকে খাওয়াতে হবে। টিকা খাওয়াতে শিশুদেরকে ভরাপেটে নিয়ে আসতে হবে। ৬ মাসের কম বয়সী ও ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুকে এই টিকা খাওয়ানো যাবে না।

সভায় বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আজিজুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু এনডিসি, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. টিটু মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক আহমেদুল কবীরসহ অন্যান্য বক্তাগণ।

এএনএম/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত