অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতনতাই ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ সম্ভব
মেডিভয়েস ডেস্ক: অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধিসহ পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখলে ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে। অনিয়ন্ত্রিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে মানব শরীর অ্যান্টিবায়োটিক রেসিস্ট্যান্স (অকার্যকর) হয়ে উঠছে। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত ভীতিকর।
রোববার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বন ভবন মিলনায়তনে হৈমন্তী মিলনায়তনে ওয়ান হেলথ দিবস উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তারা এ কথা জানান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ, ইউএসএইডসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সমন্বয়ে স্বাস্থ্য সচেতনতার লক্ষ্যে পালিত হয়েছে দিবসটি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ওয়ান হেলথ ধারণাটি বিশ্ব স্বীকৃত। উন্নত অনেক দেশেই এ ধারণার ওপর কাজ হচ্ছে। মূলত হেলদি পিপল, হেলদি অ্যানিমেলস ও হেলদি অ্যানভায়রনমেন্ট এ তিনের সমন্বয়ে ‘ওয়ান হেলথ’।
ওয়ান হেলথ বাংলাদেশের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর নিতিশ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, নভেম্বরের তৃতীয় দিন দিবসটি হলেও এবার পুরো মাসজুড়েই ইন্টারন্যাশনাল ওয়ান হেলথ ডে উদযাপিত হবে। নানা কর্মসূচি চলবে দিবসটি ঘিরে। ওয়ান হেলথ এর লক্ষ্য মানুষ, প্রাণী এবং পরিবেশের টিকে থাকা ও রক্ষা করা। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যগুলো ত্বরান্বিত করতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমরা করোনাভাইরাসসহ অনেকগুলো মহামারি মোকাবিলা করেছি। ২০০৯ সালের পরে আমরা অন্তত ৪টি মহামারির মুখোমুখি হয়েছি। কোভিড-১৯ আমাদের একটি বড় শিক্ষা ছিল।
বিশ্বে খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, সঠিক খাদ্য ব্যবস্থা (ফুড সিস্টেম) না থাকায় সারা বিশ্বে সমানভাবে সেই চাহিদা পূরণে ঘাটতি রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমস্যাগুলো মোকাবিলায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। এখানে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
বন পরিবেশ জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফারহিনা আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য, প্রাণিসম্পদ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকেরা।
টিআই/এএনএম