ল্যাবএইডের ডা. নাজনীন হত্যা: আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ল্যাবএইড হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. নাজনীন আক্তারসহ তার গৃহকর্মীকে হত্যা মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আমিনুল ইসলামের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ১ মিনিটে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হুমায়ুন কবির ও সিভিল সার্জন ডা. খাইরুজ্জামানের উপস্থিতিতে তার ফাঁসি কার্যকর করা হয়।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আমিনুল ইসলাম নওগা জেলার পত্নীতলা থানার আকবরপুর গ্রামের চাঁন মোহাম্মদ মন্ডলের ছেলে।
সিনিয়র জেল সুপার আমিরুল জানান, ২০০৫ সালে ঢাকার ল্যাবএইডের চিকিৎসক নাজনীন আক্তার ও তার গৃহপরিচারিকা পারুলকে হত্যায় ধানমন্ডি থানায় করা মামলায় আমিনুল ইসলামকে ২০০৮ সালে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।
কারা কর্তৃপক্ষ জানায়, ডা. নাজনীন আক্তারের স্বামী আসারুজ্জামানের বড় বোনের ছেলে আমিনুল ইসলামকে লেখাপড়া করানোর জন্য ঢাকায় নিয়ে এসেছিল ওই পরিবার। তাকে ভর্তি করা হয়েছিল মোহাম্মদপুর কেন্দ্রীয় কলেজে। বিবাদের জেরে ২০০৫ সালের ৭ মার্চ হাসপাতাল থেকে বাসায় ফেরার পর নাজনীনকে কুপিয়ে হত্যা করেন ভাগিনা আমিনুল। পারুল নামে গৃহকর্মী ঘটনাটি দেখে ফেলায় তাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন তিনি।
এরপর বগুড়ায় চলে যান আমিনুল। সেখান থেকে ফরিদপুরে গিয়ে শরিফুল ইসলাম নাম নিয়ে রোজ ৫০ টাকা পারিশ্রমিকে এক বাড়িতে কাজ নেন।
এভাবে আত্মগোপনে থাকার সময় ডিবি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। পরে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে আমিনুল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় করা হত্যা মামলায় ২০০৮ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ৪ আমিনুলকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। ২০১৩ সালে এ আদেশ বহাল রাখেন হাইকোর্ট। এ রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল করলে ২০২১ সালের ১২ জুলাই খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
পরববর্তীতে সকল আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে আমিনুলকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।
-
১৫ অক্টোবর, ২০২৩
-
১০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩
-
০৫ ডিসেম্বর, ২০২২
-
০৬ নভেম্বর, ২০২২
-
২১ ডিসেম্বর, ২০২০
-
০২ সেপ্টেম্বর, ২০২০