প্রেরণার বাতিঘর শিক্ষক
স্বপ্ন, সম্মান ও সত্যের সাথে বুক উঁচিয়ে চলার পেছনে সুপার হিরো তো কেবল শিক্ষকেরাই হতে পারেন।
হেরে যাওয়া, হাল ছেড়ে দেওয়ার পর আবারও নতুন উদ্যমে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণাটাও একজন শিক্ষকই দিতে পারেন।
তীব্র মন খারাপের সময়টাতে যখন কাউকে কাছে পাওয়া যায় না, মাথায় হাত বুলিয়ে চোখের পানি মুছে দিতেও শিক্ষককে পাশে দাঁড়াতে দেখেছি।
অনেক শাসন, অনেক বকাঝকা শেষে আবার বুকে জড়িয়ে ভালোবাসার কান্না করার মতোও শিক্ষক দেখেছি।
পড়াকে ভালোবাসতে হবে কেন, কেন শুধু শিক্ষিত হলেই মানুষ হওয়া যায় না, বুঝিয়ে দেওয়ার মতো এমন শিক্ষকও পেয়েছি।
বন্ধুর মতো সব কথা শেয়ার করে খুব সুন্দর সমাধান পাওয়া শিক্ষকও দেখেছি। যে কোনো প্রশ্ন, যে টপিকে বিরক্ত নন, বরং হাসিমুখে উত্তর দিতে দেখেছি।
আমি দর্পনের উল্টো কোনো প্রতিবিম্বে যাচ্ছি না, কেবল জানি এ মানুষগুলোই কারো না কারো জীবনের সেরা শিক্ষক, অটোচয়েসে যাদের নাম চলে আসার মতো। শিক্ষার্থীরা হয়ত শেখড় থেকে শিখরে চলে যায়, তবে সেই সম্মান, সেই শ্রদ্ধা, সেই ভালোবাসা আজীবন থেকে যায় প্রিয় শিক্ষকের প্রতি।
পুনশ্চ: আজ (৫ অক্টোবর) শিক্ষক দিবস। আমিও এক শিক্ষকের সন্তান। আমার মা শিক্ষক (প্রধান শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত)। শুধু এটাই বলতে পারি, শিক্ষকতা নিঃসন্দেহে গর্ব করার মতো একটা পেশা। হাজারো ভালোবাসায় যুগ যুগ ধরে সবার অন্তরে বেঁচে থাকুক প্রতিটি শিক্ষক।
মো. এহসানুল হক অন্তু
২০১৮-১৯ সেশন
আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ, কিশোরগঞ্জ