সেবার মাধ্যমে বার্ন ইনস্টিটিউটকে বিশ্বে পরিচিত করাতে চাই: ডা. সামন্ত
মেডিভয়েস রিপোর্ট: শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটকে সর্ববৃহৎ হিসেবে নয়, রোগীদের উন্নত সেবা দিয়ে বিশ্বের কাছে পরিচয় করিয়ে দিতে চান বলে জানিয়েছেন ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ডা. সামন্ত লাল সেন।
আজ মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) সকালে শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ‘ষষ্ঠ প্লাস্টিকন আন্তর্জাতিক সম্মেলন’ স্বাগত বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক সামন্ত লাল সেন বলেন, ১৯৭২-৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মাত্র পাঁচ শয্যা নিয়ে প্রথম বার্ন ইউনিটের যাত্রা শুরু হয়। ভারতীয় প্লাস্টিক সার্জন ডা. দেবদিলকে নিয়ে এ বার্ন ইউনিটের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন আমার তরুণ চিকিৎসক হিসেবে সে হাসপাতালে কাজ করার সৌভাগ্য হয়।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেক) ৫০ শয্যার বার্ন ইউনিট চালু করা হয়। পরবর্তীতে নিমতলীর ভয়াবহ অগ্নিদুর্ঘটনায় দগ্ধ রোগীদের করুণ অবস্থা দেখে ৫০ থেকে ১০০ এবং পরবর্তীতে ৩০০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। সবশেষে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসায় প্রথম ও পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট নির্মাণ করা হয়।
ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধুর অবদান তুলে ধরা দায়িত্ব ও কর্তব্য উল্লেখ করে সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, বাবার হাতে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) পাঁচ এবং মেয়ের হাতে (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) ৫০০ এ গল্পের বাস্তব সাক্ষী আমি নিজে। এ গল্প আমি প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে জানিয়ে যাবো। এ ছাড়া সম্প্রতি পাঁচটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ বেডে বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিট প্রকল্প অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যুক্ত হোন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক, সোসাইটি অব প্লাস্টিক সার্জন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ, ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি অধ্যাপক ডা. হেদায়াত আলী খানসহ আরও অনেকে।