মলিকুলার বায়োলজি-বায়োইনফরমেটিক্সের ওপর পাঁচ দিনের কর্মশালা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব প্রিভেনটিভ অ্যান্ড স্যোশাল মেডিসিনে (নিপসম) শুরু হয়েছে মলিকুলার বায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সের ওপর কর্মশালা। রোববার (৮ নভেম্বর) শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী এ কর্মশালা চলবে বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) পর্যন্ত।
স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের উদ্যোগে 'Hands on Training on Molecular Diagnosis of COVID-19 and Basic Bioinformatics' শীর্ষক প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (শিক্ষা) অধ্যাপক ডা. আবু ইউসুফ ফকির, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস’র (BUHS) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী এবং লাইন ডিরেক্টর (মেডিকেল এডুকেশন) অধ্যাপক ডা. আল-আমিন মৃধা।
প্রশিক্ষণ সমাপ্তি দিবসে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাক্তার এ এইচ এম এনায়েত হোসেন উপস্থিত থাকবেন।
কর্মশালায় প্রশিক্ষণার্থী হিসেবে নিপসম এবং দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজের ল্যাবরেটরি মেডিসিনে কর্মরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকবৃন্দ (মাইক্রোবায়োলজিস্ট, ভাইরোলজিস্ট, বায়োকেমিস্ট) অংশগ্রহণ করছেন।
জানা গেছে, নিপসম ল্যাবে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। প্রশিক্ষক হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন দুইজন মলিকুলার বায়োলজি বিশেষজ্ঞ: Dr. Mehmet Ziya Doybaz (from Turkey) ও Dr. Md. Asif Khan (from Singapore); এদেশের প্রথিতযশা ল্যাবরেটরি মেডিসিন বিশেষজ্ঞবৃন্দও প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন।
চিকিৎসায় মলিকুলার বায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপকতা ও অপরিহার্যতা তুলে ধরেন নিপসম পরিচালক অধ্যাপক ডা. বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ। তিনি বলেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানে উন্নত দেশসমূহে গত চার দশকে মলিকুলার বায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্স বিকশিত হয়েছে এবং আগামী দিনেও এ দুটি বিষয় চিকিৎসা বিজ্ঞানকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করবে।
‘রোগ প্রতিরোধ, চিকিৎসা, নতুন নতুন প্রোটিন উৎপাদন, প্রত্যাশিত প্রজাতির উদ্ভিদ এবং জন্তু উৎপাদনের ক্ষেত্রে মলিকুলার বায়োলজির ব্যবহার ক্রমাগত প্রসারিত হতে থাকবে’, যোগ করেন অধ্যাপক বায়জীদ খুরশীদ রিয়াজ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, মলিকুলার বায়োলজি জিন (Gene) এবং প্রোটিনের বৈশিষ্ট্য ও তাদের মধ্যে সম্পর্ক সম্বন্ধে নতুন অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে এবং রোগ-ব্যাধি কীভাবে কোষ, টিস্যু, অর্গান এবং ব্যক্তি বিশেষকে প্রভাবিত করে তা নির্ণয়ের জন্য জৈবরাসায়নিক (Biochemical) এবং শারীরবৃত্তীয় (Physiological) পদ্ধতি বাতলে দেয়।
কোভিড-১৯ মহামারী মলিকুলার বায়োলজি এবং বায়োইনফরমেটিক্সের প্রয়োজনীয়তা ভালোভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে। দুটি বিষয়ে বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল অনেক দেশের পশ্চাৎপদতা রয়েছে, যা কোভিড-১৯ রোগ নির্ণয়ে আমাদেরকে যথেষ্ট ভুগিয়েছে।
কর্মশালার আয়োজনে গুরুত্বপূণ ভূমিকা রাখেন নিপসমের প্রোগ্রাম ম্যানেজার (বৈদেশিক ট্রেনিং) অধ্যাপক ডা. নাসিরউদ্দিন মিঠু। সমন্বয় করছেন নিপসমের ল্যাব ইনচার্জ ডা. ফাহমিদা খান ও ডা.মোহাম্মদ জামালুদ্দিন সাইফ’স।
-
২৮ মে, ২০২৫
-
২২ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৯ নভেম্বর, ২০২৪
-
০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
০৫ জুন, ২০২৪
বিশ্ব পরিবেশ দিবসে নিপসমের নানা আয়োজন
‘সবুজ গাছ নির্মল বায়ু, কমবে দূষণ বাড়বে আয়ু’
-
০৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪