০৫ অক্টোবর, ২০২১ ০১:৫৩ পিএম

রেসিডেন্সির মেয়াদ কমানো নয়, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন নিশ্চিতের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের

রেসিডেন্সির মেয়াদ কমানো নয়, প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন নিশ্চিতের পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের
ছবি: মেডিভয়েস

মো. মনির উদ্দিন: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) অধীনে পরিচালিত রেসিডেন্সি কোর্সের মেয়াদ তিন বছর করা ঠিক হবে না বলে মনে করে বিশেষজ্ঞরা। উন্নত বিশ্বে পোস্ট গ্রাজুয়েশনে কোর্স ভেদে আরও বেশি সময় লাগে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে উচ্চশিক্ষার এসব কোর্সের কাঠামো সাজানো হয়েছিল জানিয়ে তারা বলেন, হুট করে নতুন কোনো সিদ্ধান্ত আসলে এর প্রতি রোগী ও শিক্ষার্থীদের আস্থাহীনতা তৈরি হবে। একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষার এসব কোর্সের প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্টদের মনোযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা। আর শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কোর্সের জন্য সুন্দর একটি কাঠামো দাঁড় করানো থাকলেও এটি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। ফলে চলমান পাঁচ বছরের কোর্সটি ৭/৮ বছর মেয়াদি হলেও ওখান থেকে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত হওয়া অসম্ভব। 

প্রশিক্ষণে মানহীনতা দূর হোক

জানতে চাইলে বিএসএমএমইউ সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘এটা তিন বছর করা ঠিক হবে না। উন্নত বিশ্বে পোস্ট গ্রাজুয়েশন করতে অনেক সময় লাগে। এমনকি কোথাও কোথাও আন্ডার গ্রাজুয়েট কোর্স সম্পন্ন করতেও আমাদের চেয়ে বেশি সময় লাগে। এ কারণে সময় কমানো ঠিক হবে না। এখানে কিছু কোর্স তিন বছর, কিছু চার বছর, কিছু বিষয় পাঁচ বছরও আছে। বরং কোর্সগুলোর প্রশিক্ষণ ও পড়াশোনা যেন কার্যকর করা যায় এ ব্যাপারে সবার মনোযোগ বাড়ানো উচিত। প্রয়োজনে আরও কিছু সমন্বয় এবং ছাত্র-শিক্ষকের ঘনিষ্ঠতা বাড়িয়ে উচ্চশিক্ষার স্তরকে আরও ফলপ্রসূ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন এ ব্যাপারে নজর দেবেন। বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে কোর্সগুলোর সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ কারণে এ ব্যাপারে তাদের দায়িত্ব রয়েছে। এই কোর্স পরিচালনায় পড়াশোনার মানহীনতা নিয়ে যেসব অভিযোগ আছে, তা সমাধানে আন্তরিক হওয়া জরুরি। আন্তর্জাতিক মেডিকেল শিক্ষার সঙ্গে আমাদের তাল মিলিয়ে চলতে হবে। আমাদের কোনোভাবেই পেছানোর সুযোগ নেই। আমাদের পোস্ট গ্রাজুয়েশনের মেয়াদ যথাযথই, বরং অনেক দেশে পোস্ট গ্রাজুয়েশন শেষ করতে ৭/৮ বছর সময় লেগে যায়। কোর্সগুলো চালু করার সময় আমরা এগুলো বিবেচনায় নিয়েছিলাম।’

কোর্সের কারণে তৃণমূলে চিকিৎসক শূন্যতার অভিযোগ প্রমাণিত নয়

এ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হওয়ার কারণগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘যে কারণে এ নিয়ে আলোচনাটা এসেছে, সেটা হলো: চিকিৎসকরা পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সে চলে আসায় অনেক উপজেলায় শূন্যতা তৈরি হয়। এর মাধ্যমে গ্রামে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হয় বলে অনেকের অভিযোগ। সেই বিষয়টা আমাদের দেখতে হবে। এ জন্য অধ্যয়নরতরা পাস করে যেন পূর্বের জায়গায় যথাসময়ে চলে যান, সে দিকে আমাদের নজর বাড়াতে হবে। পাশাপাশি একটি বিষয় নিশ্চিত করতে হবে, তাহলো: কত চিকিৎসক পোস্ট গ্রাজুয়েশনে আসলে উপজেলায় স্বাস্থ্য সেবা ব্যাহত হবে না। শতভাগ সমন্বয়ের মাধ্যমে এ বিষয়গুলো আমাদের বিবেচনায় আনতে হবে।’ 

‘অধিক সংখ্যক চিকিৎসক পোস্ট গ্রাজুয়েশনে আসার কারণে তৃণমূলে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় কিছুটা ঘাটতি হয় বলে অনেকে মনে করছেন। যদিও এ ব্যাপারে সঠিক কোনো তথ্য আমাদের কাছে নাই। সেটাও আমাদের দেখা প্রয়োজন, যাতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সঠিকভাবে চলে’, যোগ করেন বিএসএমএমইউ সাবেক ভিসি।

কোর্স বাধাগ্রস্ত হলে ব্যাহত হবে উচ্চশিক্ষা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান মেডিভয়েসকে বলেন, ‘শিক্ষা নিয়ে দূরদর্শী চিন্তা-ভাবনা করা দরকার। হঠাৎ হঠাৎ যেন সিদ্ধান্ত পরিবর্তন না হয়। এর জন্য প্রয়োজনে আমরা রাউন্ড টেবিল বৈঠক করতে পারি, কিংবা মতবিনিময় সভা করতে পারি। কোনো কিছু চাপিয়ে দিলে হয় না, শিক্ষার্থীদের মতামত নেওয়াও জরুরি। শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া সিদ্ধান্তের ফল কখনো ভালো হয় না। কোর্স পরিচালনায় বিশ্ববিদ্যালয় জড়িত। রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম অতীতে বারবার বাধাগ্রস্ত হয়েছে। একবার চালু হলো, আবার বন্ধ করা হলো, আবার চালু হলো। এতে বিভিন্ন রকম ধারা হয়ে গেলো, কখনো নতুন কোর্স, কখনো পুরনো কোর্স—তাদের পরীক্ষা নিতে গিয়ে আমরা বিভিন্ন সময় হিমশিম খাই। এরপর আবার এফসিপিএস, নানা বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু আছে। এসবের কারণে রোগীদের মধ্যেও অনেক সময় বিভ্রান্তি তৈরি হয়।’ 

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব ফিজিশিয়ান অব বাংলাদেশের (এপিবি) সাবেক এ মহাসচিব আরও বলেন, ‘চলমান কোর্সটি নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে আন্তর্জাতিক মানের করে তৈরি করা হয়েছে। চলমান এই কোর্সটি চলতে দেওয়া উচিত, এটাকে বাধাগ্রস্ত করা ঠিক হবে না। কোর্সটি চলছে এখানে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। শিক্ষা এমন একটি বিষয়, যা নিয়ে বারবার এক্সপেরিমেন্ট করা যায় না। নতুন কিছু করার পরিকল্পনা থাকলে এটা নিয়ে পাঁচ/দশ বছর আগে থেকে ভাবতে হবে। হঠাৎ যদি বলা হয়, আগামী বছর থেকে নতুন নিয়ম, এমন হলে হবে না।’

বাংলাদেশ কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক মোস্তফা জামান বলেন, ‘ভারতের পোস্ট গ্রাজুয়েশন কোর্সগুলোর সঙ্গে মেলালে চলবে না। তাদের ডিএমও আন্তর্জাতিক মহলে পরিচিত না। আমাদের পোস্ট গ্রাজুয়েশনের সময়সীমা তাদের মতো হলে আমাদের মান পতিত হবে। কারণ তাদেরটা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমাদৃত নয়। এ ছাড়া পোস্ট গ্রাজুয়েশন তাদের চেয়ে আমরা অগ্রসর। ওই আদলে করা হলে আমাদের শিক্ষার্থীদের ডিগ্রি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।’

‘কোর্সের সংশোধন বা পরিবর্তন করতে চাইলে বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে হতে পারে। এজন্য বিএসএমএমইউ শিক্ষকদের সঙ্গে বিস্তর আলোচনার ব্যাপার আছে। অল্প কয়জন শিক্ষক নিয়ে আলোচনা করলে হবে না। কোর্স ঘিরে বিদ্যমান সংকট নিয়ে আলোচনা হতে পারে। প্রশিক্ষণ মান নিয়ে আলোচনার সুযোগ রয়েছে। তবে আস্থাহীনতা তৈরি করা ঠিক হবে না। মনে রাখতে হবে, কোর্সের মান অটুট রাখতে করোনাকালে সশরীরে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে,’ যোগ করেন বিএসএমএমইউ প্রভোস্ট।  

আন্ডার গ্রাজুয়েটে নজর দিতে হবে

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৃতপক্ষে মেডিকেল শিক্ষার উন্নতি চাইলে আন্ডার গ্রাজুয়েটের দিকে নজর দিতে হবে। এ দেশের আন্ডার গ্রাজুয়েট শিক্ষা খুবই শোচনীয় পর্যায়ে আছে। দুর্দশাগ্রস্ত আন্ডার গ্রাজুয়েট নিয়ে পথ চলার কারণে মেডিকেল শিক্ষা হোঁচট খাচ্ছে। তাই আন্ডারগ্রাজুয়েটকে শক্তিশালী করতে হবে এবং এর সঙ্গে উচ্চশিক্ষার সমন্বয় ঘটাতে হবে। শিক্ষার্থীদের বেসিক ভালো হলে কাঙ্ক্ষিত উচ্চশিক্ষার নিশ্চিত হবে। সেটা না করে উচ্চশিক্ষায় সময় কমানোর চিন্তা শিক্ষা ব্যবস্থার ধ্বংস করার নামান্তর।’

রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের মত 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন রেসিডেন্ট বলেন, কোর্স তিন বছরের হলে অল্প সময়ে তারা চিকিৎসক হয়ে যাবেন এবং বিশেষজ্ঞ সেবা দেওয়ার সুযোগ পেয়ে যাবে। এ ছাড়া কোর্সটা যেভাবে পরিচালিত হওয়ার কথা সে ভাবে যদি চলে, নিয়মতান্ত্রিকভাবে ভাবে এগিয়ে যায়, তাহলে তিন বছর সময়টা একেবারে কম না। প্রশিক্ষণ ও শেখার জন্য এটা যথেষ্ট সময়, এর মধ্যে একজন চিকিৎসকের সমৃদ্ধ হয়ে যাওয়ার কথা। চলমান পাঁচ বছরের কোর্সের জন্য সুন্দর একটি কাঠামো দাঁড় করানো আছে, কিন্তু এটি যথাযথভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে না। এ কারণে চলমান পাঁচ বছরের কোর্সটি ৭/৮ বছর মেয়াদি হলেও ওখান থেকে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত হচ্ছে না। সে কারণে কোর্সের সময়-সীমা নিয়ে আরও চিন্তা করার সুযোগ রয়েছে। কোর্সটা এভাবে থাকবে নাকি, আরও সুসংগঠিত ও সুশৃঙ্খলা উপায়ে কম সময় নিয়ে পরিচালিত হবে তা নিয়েও ভাবা যেতে পারে।  

আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সকল সাবজেক্টের জন্য একই সময় নির্ধারিত নেই। ব্রিটেনে সাইক্রিয়াট্রিতে প্রশিক্ষণের সময় সীমা ছয় বছর। আর রেডিওলজি জন্য এটা আবার পাঁচ বছর। এভাবে কোর্স ভেদে একেক রকম সময় নির্ধারণ করা আছে। এ হিসাবে আমাদের দেশে প্রতিটা বিষয়ের জন্য গড়ে তিন বা পাঁচ বছর নির্ধারণ করা আছে, এটা বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য হবে না। এদিক থেকে হিসাব করলে কিছু বিষয়ের জন্য দুই বছর, কিছু বিষয়ের জন্য তিন বছর, কিছু বিষয়ের জন্য আবার ৫/৭ বছর সময়ও লেগে যেতে পারে। এটা মূলত বিষয়ের চাহিদার আলোকেই নির্ধারণ করা দরকার।

রেসিডেন্সি-এফসিপিএস কোর্সের দূরত্ব নিরসন জরুরি 

এফসিপিএস ও রেসিডেন্সি কোর্সের মধ্যে প্রচ্ছন্ন একটি দ্বন্দ্বের জেরে রেসিডেন্সি কোর্সের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বলে ধারণা কোনো কোনো রেসিডেন্টের।

এ প্রসঙ্গে বিএসএমএমইউতে অধ্যয়নরত একজন রেসিডেন্ট মেডিভেয়েসকে বলেন, বিসিপিএস এবং বিএসএমএমইউ এ দুটি প্রতিষ্ঠান পোস্ট গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি দিচ্ছে। অথচ কোনো প্রতিষ্ঠান কাউকে স্বীকৃতি দিচ্ছে না। একজন চিকিৎসক পাঁচ বছরের রেসিডেন্সি কোর্স সম্পন্ন করলেও বিসিপিএসের কাছে তা এক বছরের প্রশিক্ষণ হিসাবেও গৃহিত হয় না। অর্থাৎ তারা স্বীকৃতি দেন না। একইভাবে কেউ এফসিপিএস কোর্স করলে রেসিডেন্সিতে তাকেও স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। কিছু বিষয়ে স্বীকৃতি আছে, যেমন: মেডিসিনে এফসিপিএস করা কোনো চিকিৎসক ফেজ-বিতে ভর্তির সুযোগ পান। একইভাবে কারও এমডি করা থাকলে তাকে এফসিপিএসে পার্ট-১ দিতে হয় না, বাকি প্রশিক্ষণ তাকে নিতে হয়। একই দেশে একই শিক্ষকের অধীনে প্রশিক্ষণ হচ্ছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ভিন্নতার কারণে একটা আরেকটার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাচ্ছে না, এটার সমাধান হওয়া দরকার। এই দ্বন্দ্বের কারণে মাঝখানে শিক্ষার্থীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তাদের জীবন থেকে অনেক সময় চলে যাচ্ছে। 

তিনি আরও বলেন, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আন্তরিকতার অভাবে এ সংকট দূর হচ্ছে না। তাঁদের অহংবোধের বলি হচ্ছেন শিক্ষার্থীরা।

চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা এবং প্রশিক্ষণ সম্পর্কিত প্রেষণ নীতিমালা সংশোধনের লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হবে আগামীকাল বুধবার (৬ অক্টোবর)। সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় এ সভায় চিকিৎসকদের উচ্চশিক্ষা সংক্রান্ত ১১টি বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত হতে পারে। আলোচ্য সূচির দুই নম্বরে রয়েছে রেসিডেন্সি কোর্সের মেয়াদ পাঁচ বছরের পরিবর্তে তিন বছরকরণ।

যেসব বিষয়ে সংশোধনী আসতে পারে 

ক. পিএইচডি কোর্সে অধ্যয়নের জন্য প্রেষণ মঞ্জুর সংক্রান্ত বিধান;

খ. এমডি/এমএস রেসিডেন্সি কোর্সের মেয়াদ ০৫ বছরের পরিবর্তে ০৩ বছরকরণ;

গ. স্বেচ্ছায় কোর্স ত্যাগের পাশাপাশি কোর্স আউটের বিধান অন্তর্ভুক্তকরণ [প্রেষণ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৪(ঘ)];

ঘ. সরকারি/বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের তালিকা সংশোধন (প্রেষণ নীতিমালার পরিশিষ্ট-‘ঙ');

ঙ. সাব-স্পেশালিটি ডিগ্রির মঞ্জুরকৃত প্রেষণ মেয়াদের সাথে পরীক্ষার জন্য অতিরিক্ত ০২ (দুই) মাস অন্তর্ভুক্তকরণ [প্রেষণ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৮(ক)]; 

চ. প্রিভেনটিভ ও স্যোশাল মেডিসিন অনুষদের অন্তর্ভুক্ত ‘এমএসসি ইন ফিল্ড এপিডেমিওলজি’ বিষয়টির নাম পরিবর্তন করে ‘এমএসসি ইন এপ্লাইড এপিডেমিওলজি' নামকরণ (প্রেষণ নীতিমালার পরিশিষ্ট-‘ক’);

ছ. ‘রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং' এর পাশাপাশি মেডিকেল রেডিও ডায়াগোনসিস' নাম প্রেষণ নীতিমালার পরিশিষ্ট-‘ক’ তে অন্তর্ভুক্তকরণ;

জ. ৩৯তম বিসিএসের মাধ্যমে স্বাস্থ্য ক্যাডারে নিয়োগপ্রাপ্ত কোভিড ডেডিকেটেড হাসপাতালে পদায়নকৃত চিকিৎসকদের উপজেলা পর্যায়ে চাকরিকাল বিবেচনা;

ঝ. সরকারি চিকিৎসক সরকারি চাকরির পূর্বে বেসরকারি শিক্ষার্থী হিসেবে কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কোর্সের আংশিক সম্পন্ন করে থাকলে তার কোর্সের অবশিষ্ট অংশ একই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সম্পন্ন করার জন্য প্রেষণ [প্রেষণ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৮(ট)];

ঞ. জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের চিকিৎসকদের প্রেষণ মঞ্জুরের ক্ষেত্রে তাদের বেতন-ভাতা প্রাপ্তিতে জটিলতার বিষয়ে আলোচনা [প্রেষণ নীতিমালার অনুচ্ছেদ ৬(খ)];

ট. প্রেষণ সেবা সহজীকরণের লক্ষ্যে অনলাইনে প্রেষণ আবেদন গ্রহণ ও মঞ্জুর।

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : রেসিডেন্সি কোর্স
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত