২৭ এপ্রিল, ২০২১ ০১:৫৯ পিএম

চীন পাঁচ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

চীন পাঁচ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত

মেডিভয়েস রিপোর্ট: চীন পাঁচ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেন, আমরা ভারতের টিকার ওপর নির্ভর করে বসে নেই। ইতোমধ্যে রাশিয়া-চীনের সাথে টিকার জন্য যোগাযোগ করেছি। দ্রুত ইতিবাচক সংবাদ আসবে।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস (বিসিপিএস) প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

যথাসময় ভারতের করোনা টিকার না পাওয়ায় টিকা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা ভারতের কাছে তিন কোটি টিকা চেয়েছিলাম। চাহিদা অনুযায়ী টাকাও দিয়েছি। কিন্তু এখন তারা আমাদের টিকা দিচ্ছে না। সরকার এবং বেক্সিমকো এই বিষয়ে চেষ্টা চালাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে কথা বলেছেন। তবে কবে টিকা আসবে তা নিশ্চিত নয়।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা ভারতের টিকার ওপর নির্ভর করে বসে নেই। ইতোমধ্যে রাশিয়া-চীনের সাথে টিকার জন্য যোগাযোগ করেছি। চীন পাঁচ লাখ টিকা উপহার হিসেবে দেবে বলে জানিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের করোনা হাসপাতালগুলোতে সাত হাজার রোগীর চিকিৎসা দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে। রোগী বেড়ে যদি ২১ হাজারে পৌঁছায় তাহলে চিকিৎসা কার্যক্রম চালাতে হিমশিম খেতে হবে। এখন যেভাবে হিমশিম খাচ্ছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত। অথচ ভারতে পর্যাপ্ত অক্সিজেনসহ চিকিৎসা ব্যবস্থা উন্নত ছিল।

আমরা এখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের মাশুল দিচ্ছি উল্লেখ করে জাহিদ মালেক বলেন, প্রতিদিন গড়ে ১০০ জন করে মানুষ মারা যাচ্ছেন। আক্রান্তের হার গত বছরের তুলনায় অনেকগুন বেড়েছে। তাই এই সময়টিতে ভুল থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে।

তিনি বলেন, টিকা নেবার পরও মানুষের উদাসীনতা বাড়ায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে। করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দেশে অক্সিজেনের কোনো অভাব নেই বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি। 

মন্ত্রী বলেন, দেশে চলমান লকডাউনের কারণে করোনা সংক্রমণের হার অর্ধেকে নেমে এসেছে। আর জনগণের কথা মাথায় রেখেই লকডাউনের মধ্যেও দোকানপাট খুলে দিয়েছে সরকার।

জাহিদ মালেক বলেন, হাসপাতালের আইসিইউতে প্রতিটি করোনা রোগীর জন্য সরকারের ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হচ্ছে। আর একজন সাধারণ রোগীর জন্য ব্যয় হচ্ছে ১৫ হাজার টাকা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ঢাকায় করোনা রোগীর জন্য আড়াই হাজার বেড ছিল। এখন সাত হাজার বেড হয়েছে। এটা আমরা রাতারাতি করতে সক্ষম হয়েছি। প্রতিটি হাসপাতালেই করোনা চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছি। টিবি হাসপাতাল, গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতাল ও শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটেও করোনা চিকিৎসা হচ্ছে।

এ সময় স্বাস্থ্য  অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম উপস্থিত ছিলেন।
 

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
  ঘটনা প্রবাহ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক
  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি
জাতীয় ওষুধনীতি-২০১৬’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন

নিবন্ধনহীন ওষুধ লিখলে চিকিৎসকের শাস্তি