অনতিবিলম্বে ডা. মামুনের মুক্তি দাবি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্টার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে সংহতি সমাবেশ করছেন চিকিৎসকরা। আজ শনিবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১১টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে এ সমাবেশ শুরু হয়।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সাইক্রিয়াট্রিস্ট’র আয়োজনে এ সংহতি সমাবেশে বক্তারা পুলিশ কর্মকর্তার হত্যাকাণ্ডে ডা. মামুনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই বলে উল্লেখ করেন।
তারা বলেন, সম্পদ সীমিত হওয়া সত্ত্বেও চিকিৎসকদের আন্তরিকতার কারণেই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সুনামের সঙ্গে এগিয়ে চলেছে। তাদের বিন্দুমাত্র অবহেলা থাকলে করোনার এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের কোনো স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান টিকে থাকার কথা ছিল না। স্বাস্থ্য খাতের প্রাণভোমরা চিকিৎসকদের ত্যাগ-আত্মত্যাগের কারণেই এ ব্যবস্থাপনা সগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে।
ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিতের পাশাপাশি অনতিবিলম্বে চিকিৎসক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের দাবি জানান তারা।
দায়িত্বে অবহলোর অভিযোগ এনে ডা. মামুনকে হাতকড়া পরানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে তারা বলেন, দায়িত্বে অবহেলা আর হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততা এক কথা নয়। হত্যাকাণ্ডে তাঁর কোনো সম্পৃক্ততা প্রমাণিত হয়নি।
প্রসঙ্গত, গত নয় নভেম্বর বেলা ১১টায় আদাবরের মাইন্ড এইড হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে হাসপাতালটির কর্মচারীদের মারধরে মারা যান পুলিশের সিনিয়র এএসপি আনিসুল করিম শিপন। পরদিন ১০ নভেম্বর সকালে নিহত এএসপি আনিসুল করিমের বাবা ফয়েজ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।
এ হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের রেজিস্ট্রার ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে হত্যাকাণ্ডে ডা. মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়নি।
জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই রোগীর চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনো পর্যায়েই ডা. আব্দুল্লাহ আল মামুনের কোনো প্রকার সংশ্লিষ্টতা ছিল না।