নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড
ভুয়া ইন্টার্নশিপ সনদে রেজিস্ট্রেশন, বাতিলে রামেকের আবেদনের নথি নেই বিএমডিসির কাছে
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বিভাগীয় প্রধানদের স্বাক্ষর জালিয়াতি করে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের ইন্টার্নশিপ সম্পন্ন করার সনদ বাতিল করেছিল রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল। অনিয়মের বিষয়টি বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিলকে (বিএমডিসি) অবহিতও করে রামেকহা কর্তৃপক্ষ। তবে এরই মধ্যে নিয়ন্ত্রক সংস্থাটিকে ‘বোকা বানিয়ে’ নিবন্ধন গ্রহণ করে বগুড়ার টিএমএসএস মেডিকেল কলেজে লেকচারার হিসেবে কাজ করছেন তিনি।
তবে চিঠির বিষয়ে অবগত নন জানিয়ে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার ডা. লিয়াকত হোসেন মেডিভয়েসকে বলেছেন, তাদের কাছে এ সংক্রান্ত কোনো চিঠি নেই। প্রকৃত ‘ফাঁক’ ধরতে রামেক হাসপাতালে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সঙ্গে কথা বলে দাপ্তরিক অনুলিপি চেয়েছেন।
অন্যদিকে ডা. সিয়ামের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করতে বিএমডিসি বরাবর চিঠি পাঠানোর বিষয়টি মেডিভয়েসকে নিশ্চিত করেছেন রামেকের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ। তিনি বলেন, দাপ্তরিক সকল প্রক্রিয়া মেনে রেজিস্ট্রির মাধ্যমে চিঠি দেওয়া হয়েছে, যার নথি তাদের কাছে সংরক্ষিত আছে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা এবং শান্তি সমাবেশের নামে ক্যাম্পাসে নৈরাজ্য তৈরি করায় রামেকের ছাত্রলীগের ১৫ নেতাকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার এবং ছয়জনকে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা করে কর্তৃপক্ষ।
২০২৪ সালের ৬ নভেম্বর গৃহিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ২৯তম ব্যাচের ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামকে ছয় মাসের জন্য ইন্টার্নশিপ স্থগিত এবং হোস্টেল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ তদন্তে গঠিত কমিটি সিট বাণিজ্য, র্যাংগিং, শিক্ষার্থীদের নির্যাতন ও জুলাইয়ের ছাত্র অভ্যুত্থানের বিরোধিতার অভিযোগ প্রমাণ পায়।
শাস্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২০২৫ সালের ৩ মে অবশিষ্ট ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য কাজে যোগ দেন। বিভাগীয় প্রধানদের স্বাক্ষরিত ইন্টার্নি প্রশিক্ষণের লগবুক হাসপাতাল অফিসে জমা দিয়ে ইন্টার্ন কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট গ্রহণ তিনি।
কিন্তু পরবর্তীতে অভিযোগ উঠে ডা. সিয়াম অবশিষ্ট ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করে কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছেন। বিষয়টি আমলে নিয়ে তার অনিয়ম তদন্তে সাত সদস্যের কমিটি গঠন করে রামেক কর্তৃপক্ষ। কমিটি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় প্রধানদের স্বাক্ষর জালিয়াতিসহ একাধিক প্রতারণার প্রমাণ পায়। পরে ইন্টার্নশিপ কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে অবহিত করে।
বিএমডিসির রেজিস্ট্রার বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, ‘উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে আপনাকে জানানো যাচ্ছে যে, ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়াম, ২৯তম বিডিএস (বিএমডিসি সাময়িক রেজিষ্ট্রেশন নং-১৬৫৪৫, রেজিস্ট্রেশনের তারিখ: ১৬.০১.২০২৪) এর বিরুদ্ধে বিগত সরকারের সময় ছাত্র রাজনীতিতে জড়িত থেকে সাধারণ ছাত্রদের সঙ্গে বিভিন্ন সন্ত্রাসীমূলক কর্মকান্ড; হোস্টেলের সিট দখল, র্যাগিং ও নির্যাতনের অভিযোগ উত্থাপিত হলে অত্র হাসপাতাল কর্তৃক সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হয় ও গত ০৩/১১/২০২৪ ইং তারিখে অত্র হাসপাতালের স্মারক নং-রামেকহা/প্রশা/২৪/৬৩৭৭ মোতাবেক ডিসিপ্লিনারী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার ০৬ মাসের জন্য ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং স্থগিত করা হয় যার মেয়াদ ০২/০৫/২০২৫ ইং তারিখে শেষ হয় (ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং স্থগিতাদেশের কপি সংযুক্ত)।’
‘উক্ত ডাক্তার ০৩/০৫/২০২৫ তারিখে তার অবশিষ্ট ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার জন্য নিয়মতান্ত্রিকভাবে যোগদান করেন (পুনরায় ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং-এর যোগদানের আবেদনের কপি সংযুক্ত)। যোগদান পরবর্তীতে উক্ত ডাক্তার ডেন্টাল ইউনিটের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণের স্বাক্ষর সম্বলিত ইন্টার্নী প্রশিক্ষণের লগবুক অত্র হাসপাতাল অফিসে জমা প্রদান করলে তাকে স্বাভাবিক নিয়মে ইন্টার্ন কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়’—বলা চিঠিতে।
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মো. আবু তালেব স্বাক্ষরিত চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘পরবর্তীতে সাধারণ ইন্টার্নী চিকিৎসক ও তার সহকর্মীরা কর্তৃপক্ষের নিকট এই মর্মে অভিযোগ করেন যে, অবশিষ্ট ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করে তিনি ইন্টার্ন কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছেন। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি দ্রুত আমলে নিয়ে স্মারক নং-রামেকহা/প্রশা/২৫/৪০৭৮/১(১৩), তারিখ ২৪/০৭/২০২৫ ইং মোতাবেক সাত সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে (কপি সংযুক্ত)। উক্ত তদন্ত কমিটি সন্দেহাতীতভাবে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের ইন্টার্নশীপ ট্রেনিং ডিউটিতে অনুপস্থিতি, বিভাগীয় প্রধানদের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রতারণার সুস্পষ্ট প্রমাণ পায়। সেই প্রেক্ষিতে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিমিত্তে গত ১১/০৮/২০২৫ তারিখে স্মারক নং-রামেকহা/প্রশা/২৫/৪৬০১ মোতাবেক ডিসিপ্লিনারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।’
তদন্ত কমিটির সুপারিশ ও ডিসিপ্লিনারী কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক তার বিরুদ্ধে অত্র হাসপাতাল কর্তৃক নিম্নবর্ণিত শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। যথা—১. ইন্টার্নশিপ কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএমডিসিকে অবহিত করণ। ২. ভবিষ্যতে এই হাসপাতালে যে কোন ধরনের ট্রেনিংয়ে সুযোগ প্রদান না করা।
‘উপরোক্ত বর্ণনার আলোকে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন/ইন্টার্নি সার্টিফিকেট দ্রুত বাতিল করে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য আপনাকে বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো’—বলা চিঠিতে।
বিএমডিসির কাছে চিঠির তথ্য নেই?
কলেজ কর্তৃপক্ষের এ রকম আবেদনের পরও কীভাবে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়াম রেজিস্ট্রেশন পেলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে বিএমডিসি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. লিয়াকত হোসেন মেডিভয়েসকে বলেন, তাদের কাছে এ ধরনের চিঠির কোনো নথি নেই।
তিনি বলেন, ‘আমি সকালে চেক করেছি? ওর ফাইল এবং সবকিছু চেক করা হলো। এখানে কোনো জিনিস আমরা ধরতে পারলাম না। পরে রাজশাহীতে স্টাফকে ফোন করলাম। ওরা বলছে, ওই চিঠি নাকি ওরা দিয়েছে। কিন্তু আমাদের কাছে কোনো চিঠি নেই। চিঠির যে দাপ্তরিক কপি, সেটা আমাদেরকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠাতে বলেছি। ওইটা পেলে তখন আমরা বুঝতে পারবো যে একচুয়ালি ফাঁকটা কোন জায়গায়।’
‘সে যদি আমাদের এখান থেকে ফুল রেজিস্ট্রেশন নেয়, ভুয়া ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট দিয়ে, সেটা অবশ্যই একেবারে বিচারের পর্যায়ে চলে যাবে’—বলেন তিনি।
চিঠির নথি রামেকে সংরক্ষিত
জানতে চাইলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মুখপাত্র ডা. শেখ শামীম আহমেদ মেডিভয়েসকে বলেন, ‘তার স্থায়ী রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করার জন্য এখান থেকে যে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাদের মাধ্যমে বিএমডিসি বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছিল। সেই নথিপত্র আমাদের সংরক্ষিত আছে।’
ঘাঁটাঘাঁটি করে বিএমডিসির রেজিস্টারের চিঠি পাওয়ার ব্যাপারে ডা. শামীম বলেন, ‘এখন উনাদের বক্তব্য, উনারা বলতে পারবেন। আমাদের বক্তব্য হচ্ছে, আমাদের এখান থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে এবং সেটা রেজিস্ট্রির মাধ্যমে। গুরুত্বপূর্ণ চিঠির ক্ষেত্রে অফিশিয়াল যে প্রসিডিউর অনুসরণ করা হয়, সেটা আমরা করেছি এবং আমাদের নথিপত্র সংরক্ষিত আছে।’
তিনি আরও বলেন, যেকোনো ডাক্তার এখানকার নাগরিক হোক বা বাইরের, প্র্যাকটিস করতে গেলে বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। যতক্ষণ ওই রেজিস্ট্রেশন আছে, ততক্ষণ পর্যন্ত আইনত তিনি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়ার অধিকারী। এটা বাতিল করতে হলে বিএমডিসিই করবে। যেহেতু তার ইউনিট প্রধানদের স্বাক্ষর জালিয়াতি প্রমাণিত হয়েছিল। ডিসিপ্লিনারি কমিটি সুপারিশ করেছিল যে এটা বৈধভাবে হয়নি, তার ইন্টার্নশিপই কমপ্লিট হয়নি। সুতরাং তিনি স্থায়ী বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশনপ্রাপ্য হওয়ার যোগ্য নন। এর পরও তিনি যে রেজিস্ট্রেশন পেয়েছিলেন, সেটা তথ্য বিকৃত করে এবং কোনো ক্ষেত্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তির স্বাক্ষর নকল করে বিএমডিসিকে বোকা বানিয়ে এনেছেন, সহজ কথা।
‘যেহেতু এখান থেকে স্বাক্ষরগুলো নকল হয়েছে, সুতরাং আমাদের দায়িত্ব বিএমডিসিকে জানানো এবং আমরা নিয়ম অনুসরণ জানিয়েছি এবং তার রেজিস্ট্রেশন স্থগিত করার জন্য আবেদন করেছি। পরবর্তীতে যে পদক্ষেপ নেওয়ার সেটাই নিবে’—বলেন তিনি।
সিয়ামের জালিয়াতির বিষয়টি অবগত কিনা—জানতে চাইলে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিট প্রধান ডা. আমিরুল ইসলাম শাহীন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘তার বিএমডিসির রেজিস্ট্রেশন জমা দিয়েছিল আমাদের এইচআর এডমিন অফিসে, মানে কপিগুলো। ওরা যখন অনলাইনে কপি ভেরিফাইয়ে গেছে, তখন সেখানে ওকে পেয়েছে। আমরা যেহেতু জানতাম না, সে কারণে ওর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।’
‘অনলাইনে তার জালিয়াতির খবর আমরা জানতে পেরেছি কয়েক দিন আগে। নট মোর দ্যান সেভেন ডেইজ। পরে কয়েকজন এ সংক্রান্ত নথি আমাদের কাছে পাঠায়। এ নিয়ে আমরা এইচআর এডমিনের সাথে কথা বলছি, তারা দেখবেন। আমাদের এখানে নিয়োগ প্রক্রিয়াটা সম্পন্ন হয় মূলত এইচআর এডমিন অফিসের মাধ্যমে, সবকিছু ভেরিফাই করা হয়। আমরা পরীক্ষার বোর্ডে থাকি।’
বিএমডিসি বলেছে, ভুয়া ইন্টার্নশিপ সার্টিফিকেট দিয়ে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে থাকলে তিনি অবশ্যই বিচারের পর্যায়ে চলে যাবেন। সেক্ষেত্রে তার ব্যাপারে আপনাদের অবস্থান কেমন হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তার দুর্নীতির বিষয়ে বিএমডিসি নোটিফাই করলে আমাদের আর এই প্রসিডিউরে (চাকরি বাতিল) তেমন কোনো ঝামেলাই হবে না। আমরা চাই না করাপ্টেড কেউ আমাদের সাথে থাকুক।’
প্রসঙ্গত, এক বছরের ইন্টার্নশিপের বাধ্য-বাধকতা থাকলেও ছয় মাস প্রশিক্ষণ নিয়েই চূড়ান্ত সনদ নেন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের নেতা শাহরিয়ার রহমান সিয়াম। গত বছরের ১৫ মে গোপনে এ সনদ উত্তোলন করেন তিনি।
পরে এ ঘটনা তদন্তে একই বছরের ২৪ জুলাই মেডিসিন বিভাগের প্রধান ডা. আজিজুল হক আজাদকে প্রধান করে সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে হাসপাতাল প্রশাসন। চার কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়।
কমিটির প্রতিবেদনে তার বিরুদ্ধে অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। তথ্য অনুযায়ী, তিনি অবশিষ্ট ইন্টার্ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন না করে তিনি ইন্টার্ন কমপ্লিশনের সার্টিফিকেট গ্রহণ করেছেন।
তদন্ত কমিটি সন্দেহাতীতভাবে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের ইন্টার্নশিপ ট্রেনিং ডিউটিতে অনুপস্থিতি, বিভাগীয় প্রধানদের স্বাক্ষর জালিয়াতি ও প্রতারণার সুস্পষ্ট প্রমাণ পায়। সেই প্রেক্ষিতে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের বিষয়ে গত ১১ আগস্ট /০৮/২০২৫ তারিখে স্মারক নং-রামেকহা/প্রশা/২৫/৪৬০১ মোতাবেক ডিসিপ্লিনারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।’
এর পরিপ্রেক্ষিতে তার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নিমিত্তে গত ১১ আগস্ট ডিসিপ্লিনারী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
পরে তদন্ত কমিটির সুপারিশ ও ডিসিপ্লিনারী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে হাসপাতাল কর্তৃক নিম্নবর্ণিত শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে। সেগুলো হলো—১. ইন্টার্নশিপ কমপ্লিশন সার্টিফিকেট বাতিল ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিএমডিসিকে অবহিত করা এবং ভবিষ্যতে এই হাসপাতালে যে কোন ধরনের ট্রেনিংয়ে সুযোগ প্রদান না করা।
পরবর্তীতে এর আলোকে ডা. শাহরিয়ার রহমান সিয়ামের রেজিস্ট্রেশন/ইন্টার্নি সার্টিফিকেট দ্রুত বাতিল করে তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের জন্য বিএমডিসির কাছে অনুরোধ করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
এমইউ/