এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা নির্ধারিত যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে: বিসিপিএস
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ান্স অ্যান্ড সার্জন্সের (বিসিপিএস) এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে। সকল অংশীজনের মতামতের ভিত্তিতে ঈদ-উল-আযহার পর ২, ৩ ও ৪ জুন পরীক্ষার দিন ঠিক করা হয়েছে। ফলে হুট করে এই তারিখ পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।
বিসিপিএস সভাপতি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ সহিদুল্লা আজ মঙ্গলবার (১৯ মে) সন্ধ্যায় মেডিভয়েসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘অনেক চিন্তা-ভাবনা করে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অনেকের মতামতের আলোকে এটা করা হয়েছে। সমস্যার মধ্যে ঈদের কয়েক দিন পর পরীক্ষা হচ্ছে, এটা একটা ধরতে পারেন। তবে এতে শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ কল্যাণ হবে। এতে ফলাফলের পর প্রত্যেক বছর ওদের জয়েন করতে বিলম্ব হয়, পাঁচ বছরের কোর্স শেষ করতে দেরি হয় এবং ট্রেনিংয়ের কারণে কখনো কখনো ছয় মাস পরীক্ষা পিছিয়ে যায়। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়েই এটা করা হয়েছে, পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে মিল রেখে। আর ঈদের পর পরীক্ষা এভাবে বহুবার হয়েছে।’
বিসিপিএস সভাপতি আরও বলেন, ফলাফলের পর যেন পাস করা শিক্ষার্থীদের অ্যালটমেন্টের জন্য পর্যাপ্ত সময় থাকে। পাঁচ বছরের কোর্স বিলম্বিত হয়, সেই সময় ক্ষেপণ যেন থামানো যায়।
বিসিপিএস সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেক আগে থেকেই পরীক্ষার সূচি সাজানো থাকে। ফলে পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই। পেছানোর কোনো অবকাশ নেই।
প্রসঙ্গত, এফসিপিএস পার্ট-১ জুলাই-২০২৬ পরীক্ষায় বসছেন ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক। গত ২৯ এপ্রিল দিবাগত রাত ১২টায় এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত হয়। এতে মেডিসিন অ্যান্ড অ্যালাইডে চার হাজার ৩১২ জন, সার্জারি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ৩৪২ জন ও গাইনি অ্যান্ড অ্যালাইডে দুই হাজার ১৩৫ জন তালিকাভুক্ত হয়েছেন।
এ ছাড়াও অন্যান্য বিষয় মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ৪৮০ জন চিকিৎসক পরীক্ষায় বসছেন।
গত ৩০ এপ্রিল এসব তথ্য নিশ্চিত করে বিসিপিএস সচিব অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মো. জামাল মেডিভয়েসকে বলেন, পরীক্ষা ও পড়াশোনার মানের ব্যাপারে বিসিপিএস আপোষহীন। এর ফলে দিন দিন এফসিপিএস পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে।
এসব কারণে গতবারের তুলনায় এবার দেড় হাজারের বেশি পরীক্ষার্থী বেড়েছে বলেও জানান তিনি।
এর আগে গত ৭ জানুয়ারি এফসিপিএস পার্ট-১ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ১০ হাজার ৮৫০ জন চিকিৎসক। এর মধ্যে মোট দুই হাজার ৩০৮ জন পাস করেছেন। সে অনুযায়ী, পাসের হার ২১.২৭ শতাংশ।
এমইউ/