সাহসী ভূমিকার জন্য জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড পেলেন দুই চিকিৎসক বোন
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ডা. যাকিয়া সুলতানা নীলা ও ডা. ইসরাত জাহান ইভা। দুই বোন। দু’জনেই নিয়োজিত চিকিৎসা পেশায়। এ পেশাগত পরিচয়ই জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হয়ে উঠেছিল তাদের অস্ত্র। তৎকালীন ফ্যাসিবাদী সরকার ও তার পেটোয়া বাহিনীর রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আহতদের চিকিৎসায় সর্বস্ব দিয়ে এগিয়ে এসেছিলেন তারা। সেই সাহসী অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ এ দুই বোন পেয়েছেন ‘জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড-২০২৫’।
ডা. নীলা জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ভিট্রিও-রেটিনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক। হাসপাতালটিতে ভর্তি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবার কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকাও পালন করেন তিনি। ছোটবোন ডা. ইভা ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের (মমেক) সার্জারি বিভাগের রেজিস্ট্রার।
গতকাল শুক্রবার (৮ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশন তাদের পুরস্কৃত করে। প্রধান অতিথি হিসেবে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন। এ সময় বাছাইকৃত মোট ১০০ নারীকে জুলাই কন্যা অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ডা. নীলা চক্ষুবিজ্ঞান হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন। এ সময় আওয়ামীপন্থী চিকিৎসকদের বাধা ও রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে আহতদের চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত হন তিনি।
ওই সময়ের স্মৃতিচারণ করে ডা. যাকিয়া সুলতানা নীলা মেডিভয়েসকে বলেন, ‘নির্দিষ্ট একটি দলের মদতপুষ্ট চিকিৎসকরা হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে, যেন আহতদের চিকিৎসাসেবা না দেই। আমাকে আয়নাঘরে পাঠানোর হুমকি দেওয়া হয়। তার পরেও ভয়কে অগ্রাহ্য করে হাসপাতালের চিকিৎসকরা আহতদের সেবায় এগিয়ে এসেছেন। আমরা আমাদের সর্বস্ব দিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছিলাম।’
ডা. ইসরাত জাহান ইভা মেডিভয়েসকে জানান, জাতীয় বীরদের সেবা দিতে পেরে প্রশান্তি অনুভব করেন তিনি। বলেন, যতদিন বেঁচে থাকবো, এই ভেবে মনে একটা প্রশান্তি কাজ করবে।
এনএআর/
-
২৫ অগাস্ট, ২০২৫
ট্রাইব্যুনালে চিকিৎসকের জবানবন্দি
অভ্যুত্থানে এক চোখ অন্ধ হয়েছে ৪৯৩ জনের, ১১ জন হারিয়েছেন দুই চোখ
-
২২ অগাস্ট, ২০২৫
-
০৯ অগাস্ট, ২০২৫
-
১৮ জুলাই, ২০২৫
-
০২ জুন, ২০২৫
গণঅভ্যুত্থানে হামলা-ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টা
চাকরি হারাচ্ছেন বিএমইউর চিকিৎসকসহ ৩৪ কর্মকর্তা-কর্মচারী