রেসিডেন্সি-এফসিপিএসে সুযোগ পাওয়া চিকিৎসকদের সিন্যাপসের সংবর্ধনা
মেডিভয়েস রিপোর্ট: উৎসবমুখর পরিবেশে রেসিডেন্সি-এফসিপিএস কোর্সে সুযোগ পাওয়া চিকিৎসকদের সংবর্ধনা দিয়েছে পোস্ট গ্রেজুয়েশন ভর্তি কোচিং সেন্টার সিন্যাপস মেডিকেল একাডেমি। মঙ্গলবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ড্যাফোডিল গ্রিন গার্ডেনে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।
সিন্যাপস মেডিকেল একাডেমির চেয়ারম্যান ডা. আব্দুল কাদের নোমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত চিকিৎসক কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. কামরুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. কামরুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসা পেশাকে সুন্দর করতে পড়াশোনা, আন্তরিক সেবা ও মানবিকতার সর্বোচ্চ লক্ষ্য থাকতে হবে। সেই সঙ্গে রোগীদের ভয় দূর করা, আশা দেয়া ও সুস্থ না হলে ইন্টারনেট ঘেঁটে কারণ বের করে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে হবে।
কিডনি প্রতিস্থাপনে নিজের সাফল্যের কথা বলতে গিয়ে তিন বলেন, ‘আমি প্রথম কিডনি প্রতিস্থাপন শুরু করি ২০০৭ সালে। প্রতিস্থাপনকে অত্যন্ত কঠিন কাজ বলা হতো, বেশিরভাগ সময়ে সফলতা আসে না। যে কাজে সফলতা আসে না, সে কাজ করতে ইচ্ছে করে না। আমার ধারণাও ছিল না, আমি প্রতিস্থাপন সার্জারিতে যাবো। আমাকে ২০০১ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির (নিকডু) সহকারী অধ্যাপক করা হয়। আমার কাঁধে যখন দায়িত্ব পড়ে গেল, লোক-লজ্জার ভয় এড়াতে তখন থেকেই কিডনি প্রতিস্থাপনের কাজ শুরু করি।’
‘লজ্জা হচ্ছে ঈমানের অংশ। লজ্জার কারণে কখনো কখনো মন্দ কাজ ছেড়ে দিয়ে ভালো কাজ করতে উদ্বুদ্ধ হই। কিডনি প্রতিস্থাপন করার জন্য প্রশিক্ষণ নিয়েছি, পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পড়াশোনা করেছি। প্রথম দিকে কিডনি প্রতিস্থাপন করেছি বিনামূল্যে।
এ ছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন রেসিডেন্সি-এফসিপিএস ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ চিকিৎসকরা এবং সিন্যাপস মেন্টরগণ।
টিআই/এমইউ