বর্ণিল আয়োজনে ৫৬তম ‘এসবিএমসি ডে’ উদযাপিত
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বর্ণিল আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজের (শেবাচিম) ৫৬তম দিবস উদযাপিত হয়েছে। বুধবার (২০ নভেম্বর) সারাদিন নানা উৎসব-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করেছে মেডিকেল পরিবার।
এদিন বেলা ১২টায় স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় অ্যাকাডেমিক ভবন থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবারও অ্যাকাডেমিক ভবনে এসে শেষ হয়।
অনুষ্ঠানে বর্ণাঢ্য আয়োজনের জন্য উদযাপন কমিটির সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে শেবাচিম প্রাক্তন ছাত্র সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডা. রফিক আল কবির লাবু বলেন, সারাবিশ্বের যেকোনো প্রান্তের শেবাচিমিয়ানদের জন্য আজকের দিনটি বিশেষ একটা দিন। আমি মনে করি, আমাদের আজকের অনুষ্ঠান সার্থক।
এর আগে সকাল ৯টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু হয় উদযাপন কর্মসূচি। পরে জুলাই-আগস্টের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে এক মিনিট নিরবতা ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সাড়ে ৯টায় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করা হয় অনুষ্ঠানের। পরে ১১টায় কেক কাটার আয়োজন করা হয়। বেলা ১টায় শহীদ পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে আয়োজকরা।
বিকাল তিনটার দিকে খেলাধুলার আয়োজন করা হয়। বিকাল সাড়ে ৪টায় অনুষ্ঠিত হয় পিঠা উৎসব। পরে সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান শুরু হয়। এতে মঞ্চনাটক উপস্থাপন করেন শেবাচিম শিক্ষার্থীবৃন্দ। একই সাথে সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি সঙ্গীত পরিবেশন করে ইনকিলাব মঞ্চ ও আর্টসেল ব্যান্ড। পরে র্যাফেল ড্রর মাধ্যমে শেষ হয় শেবাচিম দিবসের অনুষ্ঠান।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অনুভূতি প্রকাশকালে বিডিএস দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নুর ইসলাম বলেন, শেবাচিমের পূর্ববর্তী কোনো প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এত সুন্দর ও আনন্দঘন পরিবেশে উদযাপিত হয়নি। ভবিষ্যতে যেন এমন বর্ণালী অনুষ্ঠান শেবাচিমে আরো বেশি উৎযাপিত হয় এ আশাবাদও ব্যক্ত করেন তিনি।
এ ছাড়া জুলাই স্মৃতি সংরক্ষণের লক্ষ্যে ‘মুক্ত করো ভয়’ শিরোনামে দেয়ালিকা প্রকাশ করা হয়। একই সাথে ক্যালিওগ্রাফি অঙ্কন করে শেবাচিম ইনকিলাব মঞ্চ।
প্রসঙ্গত, ১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর বরিশালের দক্ষিণ আলকন্দা এলাকায় বরিশাল মেডিকেল কলেজের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৮ সালে এতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে ১৯৭৭ সালে বরিশালের মহান নেতা শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হকের নামে নামকরণ করা হয়। এ বছর ৫৭ বছরে পা রাখলো চিকিৎসা শিক্ষার অন্যতম শীর্ষ এই প্রতিষ্ঠানটি।
এনআই/এনএআর/
-
২২ অগাস্ট, ২০২৩