বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
বেড়েছে প্রাণঘাতী ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়া, নতুন তালিকা প্রকাশ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার পরিমার্জিত তালিকা প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সংস্থাটি বলছে, আগের তুলনায় ড্রাগ রেজিস্ট্যান্স বৃদ্ধির সাথে সাথে আরো প্রাণঘাতী হয়েছে এসব ব্যাকটেরিয়া। এ ছাড়া এমন প্রাণঘাতী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যাও বেড়েছে।
গত শুক্রবার (১৭ মে) ডব্লিউএইচও’র এক প্রতিবেদনে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এর আগে ২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো ‘ব্যাকটেরিয়াল প্রায়োরিটি প্যাথোজেন্স লিস্ট (বিপিপিএল)’ প্রকাশ করে সংস্থাটি।
প্রকাশিত তালিকায় এ ধরনের ব্যাকটেরিয়াকে ১৫ পরিবারে অন্তর্ভুক্ত করে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে সবচেয়ে বিপজ্জনক, খুব বিপজ্জনক এবং মাঝারি বিপজ্জনক ব্যাকটেরিয়া। তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের ছড়িয়ে পড়া রোধে অভিনব ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পদ্ধতি বিকাশের পরামর্শও দিয়েছে ডব্লিউএইচও।
ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক এবং পরজীবী যখন ওষুধে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায় না, বরং মানুষকে আরো অসুস্থ করে তোলে এবং রোগ ছড়িয়ে পড়া, দুর্বলতা ও মৃত্যু ঘটায় তখন অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স ঘটে। মূলত এ পর্যায়ে ওষুধ ও অ্যান্টিবায়োটিককে বুড়ো আঙুল দেখাতে পারে এসব ব্যাকটেরিয়া। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল ওষুধের অপব্যবহার ও অতিব্যবহারের কারণেই অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সৃষ্টি হয়।
ডব্লিউএইচও’র অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বিভাগের সহকারী ডিরেক্টর জেনারেল ড. ইউকিকো নাকাতানি বলছেন, ‘এই তালিকায় বিশ্বব্যাপী ড্রাগ রেজিস্ট্যান্ট ব্যাকটেরিয়ার মানচিত্র তৈরি এবং জনস্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব নির্ণয় করা হয়েছে। এর মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক সংকট মোকাবেলা সহজ হবে।’
তিনি বলেন, ‘২০১৭ সালে প্রথম ব্যাকটেরিয়াল প্রায়োরিটি প্যাথোজেন্স লিস্ট প্রকাশের পর থেকে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্সের হুমকি তীব্রতর হয়েছে। এ সময়ে অসংখ্য অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা হ্রাস করেছে।’
এনএআর/
-
১৩ মে, ২০২৬
-
১২ মে, ২০২৬
-
২৫ এপ্রিল, ২০২৬
বিস্তার দেশের ৯১ শতাংশ জেলায়
হামের উচ্চঝুঁকিতে বাংলাদেশ: ডব্লিউএইচও
-
১০ এপ্রিল, ২০২৬
এফসিপিএসে নতুন নীতিমালা
‘মেধাক্রমের ভিত্তিতে ভাতা সীমাবদ্ধ হলে প্রশিক্ষণার্থীরা আর্থিক অনিশ্চয়তায় পড়বেন’