০৭ মে, ২০২৪ ০৭:০৭ পিএম

‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলে রাজধানীর হাসপাতালে চাপ কমতো’

‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র থাকলে রাজধানীর হাসপাতালে চাপ কমতো’
অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম। ফাইল ছবি

মেডিভয়েস রিপোর্ট: রাজধানীতে আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার থাকলে সাধারণ রোগীরা সেখানেই চিকিৎসা নিতে পারতো বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম। 

আজ মঙ্গলবার (৭ মে) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ২০২৪ সালের ডেঙ্গুর প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।

ঢাকায় আরবান প্রাইমারি হেলথ কেয়ার সেন্টার নেই জানিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, এর ব্যবস্থা করতে পারলে অনেক রোগীকে সহজে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।  কিন্তু আরবান হেলথ কেয়ার না থাকায় সাধারণ রোগীরা সরাসরি বড় হাসপাতালে চলে যায়। এতে হাসপাতালের যাদের দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন, তাদের ক্ষেত্রে সেবা বিঘ্নিত হয়, বিলম্ব যায়।

এ সময় দেশে বিভিন্ন সময় ডেঙ্গু সংক্রমণের আচরণগত নানা পরিবর্তন ঘটেছে বলে জানান অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম।

কীটতত্ত্ববিদদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘ডেঙ্গুর ভেক্টরের আচরণগত পরিবর্তন এসেছে। আমরা জেনেছি, ডেঙ্গু মশা রাতেও কামড়াচ্ছে এবং পরিষ্কার পানির পাশাপাশি ময়লা পানিতেও জন্মাচ্ছে। এমনকি গাছের কোঠরেও ডেঙ্গুর লার্ভা জন্মাচ্ছে। গাছের কোঠরে যদি মশা জন্মানো শুরু করে, গ্রাম এলাকার জন্য এটি একটি আশনি সংকেত।’

এবিএম খুরশীদ আলম বলেন, ‘আমরা জানি, গ্রামে গাছ-পালা অনেক বেশি। এসব গাছের কোঠরে যদি মশা জন্মায়, তাহলে সেখান থেকে মশা মারার ব্যবস্থা করতে হবে, যা আমাদের জন্য অনেক বেশি কঠিন হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘মশা মারার ক্ষেত্রে যেসব ওষুধ ব্যবহার করে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং জানিয়েছেন যে ফগিংয়ে কোনো মশা মারা যায় না। এ ছাড়া ভারতেও উচ্চ আদালতের নির্দেশনায় বন্ধ করা হয়েছে ফগিং করা। আমরা এ বিষগুলো নোট নিয়েছি। বিষয়গুলো নিয়ে আমরা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করবো।’

ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানির সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, ‘আমাদের জানিয়েছে, সরকার থেকে অর্ডার পেলে তারা উৎপাদন শুরু করবে। যেসব কোম্পানি উৎপাদন করে থাকে, তাদের সব ভ্যাক্সিন এবং স্যালাইনের উৎপাদনের জন্য একই প্ল্যান্ট। তাই অন্য কোনো ভ্যাক্সিনের সংকট যাতে না দেখা দেয়, সেজন্য আগে থেকেই ব্যবস্থা নিতে হবে।’

অনুষ্ঠানে ডেঙ্গু শনাক্তকরণে দেশীয় আবিষ্কারের কীট উৎপাদন বিষয়ে সরকারের সহযোগিতা চাওয়ার বিষয়ে ডা. এবিএম খুরশীদ আলম জানান, দেশীয় পদ্ধতিতে যে কীট আবিষ্কার হয়েছে তার কীট উৎপাদন বিষয়ে আরো বিষদভাবে পর্যালোচনা করা হবে।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হোসেন জিল্লুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল (সিডিসি) শাখার পরিচালক ডা. শেখ দাউদ আদনান, বিশিষ্ট কীটতত্ত্ববিদ ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার, বাংলাদেশ রেফারেন্স ইনস্টিটিউট ফর কেমিক্যাল মেজারমেন্টসের (বিআরআইসিএম) মহাপরিচালক ড. মালা খানসহ আরও অনেকে।

এএনএম/

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি

বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না

রাজধানীতে জামায়াতের মানববন্ধনে হুঁশিয়ারি

বাজেট বৈষম্য ও স্বাস্থ্যে অব্যবস্থাপনা বরদাশত করা হবে না

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত