সব মাথাব্যথা মাইগ্রেন নয়
মাথাব্যথা হলেই অনেকে মাইগ্রেন ভেবে নেন। এমন ধারণা আমাদের মধ্যে অনেকেরই আছে। কিন্তু সব মাথাব্যথাই মাইগ্রেন নয়। মাথাব্যাথার বিভিন্ন কারণের মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মাইগ্রেন। মেয়েদের মধ্যে এ রোগ বেশি দেখা যায়।
মাইগ্রেন কেন হয় তা বিজ্ঞানীরা আজও সুনির্দিষ্টভাবে জানতে পারেননি। মাথায় রক্ত চলাচলের তারতম্যের কারণে মাইগ্রেন হয় বলে কেউ কেউ বলেন। কিছু কিছু বিষয় মাইগ্রেনের ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে। যেমন—চকলেট, পনির, কফি ইত্যাদি বেশি খেলে মাইগ্রেনের ব্যথা হতে পারে। জন্মবিরতিকরণ ওষুধ, দুশ্চিন্তা করা, ভ্রমণ, তীব্র আলো ও উচ্চশব্দ ইত্যাদি মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু করতে সহায়তা করে।
মাইগ্রেনের ব্যথার স্থায়ীত্ব
মাইগ্রেনের ব্যথা মাথার এক পাশে হয়। সাথে বমি বমি ভাব হয়। এই ব্যথা শুরু হলে কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। মাইগ্রেনের ব্যথার তীব্রতা আলোতে বাড়ে। রোগী অন্ধকারে থাকতে পছন্দ করে।
মাইগ্রেনের ব্যথার লক্ষণ
অনেক রোগী মাইগ্রেনের ব্যথা শুরু হওয়ার আগেই বুঝতে পারেন। এ সময় কিছু বিশেষ লক্ষণ দেখা দেয়। চোখের সামনে আঁকাবাঁকা রেখা দেখা দিতে পারে। ঝাপসা দেখা, কথা বলতে অসুবিধা হতে পারে। শরীরের কোনো অংশ ঝিনঝিন করা বা অবশ লাগতে পারে।
টেনশনজনিত মাথাব্যথা সবচেয়ে বেশি হয়। বেশির ভাগ মাথাব্যথাই হয় টেনশন বা অতিরিক্ত দুশ্চিন্তার কারণে। মেয়েদের এই সমস্যা বেশি হয়। এ ছাড়া ক্লাস্টার মাথাব্যথা, সাইনুসাইটিসের ব্যাথা, ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া, দাঁতের ব্যাথা, ব্রেনের টিউমার, ব্রেনের ইনফেকশন ইত্যাদি কারণেও মাথা ব্যথা হতে পারে।
সুতরাং মাথাব্যথা হলেই মাইগ্রেন ভেবে নিজে নিজে ওষুধ খাবেন না। কারণ বের করা উচিত। বিভিন্ন কারণেই কিন্তু মাথাব্যথা হয়। তাই মাথাব্যথা হলেই মাইগ্রেন এই ধারণা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সঠিক চিকিৎসা নিতে হবে।
এএনএম/