১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৩:০৩ পিএম

অপুষ্ট মা ও কিশোরীর সংখ্যা কমে ২০ ভাগে

অপুষ্ট মা ও কিশোরীর সংখ্যা কমে ২০ ভাগে
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যই সম্পদ। সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ। সুস্বাস্থ্যের জন্য কৈশোরকালে পুষ্টির বিষয়ে সচেন থাকতে হবে।

মেডিভয়েস রিপোর্ট: দেশে আগে ৪০-৫০ ভাগ মা ও কিশোরী অপুষ্টিতে ভুগতো জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, তা কমিয়ে ২০ ভাগে নামিয়ে আনা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে মাতৃ ও কিশোর পুষ্টি: বাংলাদেশে কিশোরী ও মহিলাদের জন্য ন্যায়সঙ্গত পুষ্টি পরিচর্যা বৃদ্ধি শীর্ষক এক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যই সম্পদ। সুস্থতার জন্য পুষ্টিকর খাবার গুরুত্বপূর্ণ। সুস্বাস্থ্যের জন্য কৈশোরকালে পুষ্টির বিষয়ে সচেন থাকতে হবে। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষিত, স্বাস্থ্যবান ও প্রশিক্ষিত জাতি গঠনের ওপর জোর দেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, পুষ্টিকর খাবারে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, এতে চিকিৎসা সেবার ওপর চাপ কমে।

তিনি বলেন, নতুন প্রজন্ম জাংক ফুড খাওয়ার কারণে তাদের স্থুলতা বৃদ্ধি পায়। ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগ সৃষ্টি হয়।

জাহিদ মালেক বলেন, দেশে খাদ্য ও শিক্ষা ব্যবস্থায় উন্নতির ফলে শিশু ও মাতৃ মৃত্যুহার অনেক কমেছে। কোনো এক সময় মাতৃ-মৃত্যুহার ছিল ৬০০ এর কাছে। এখন ১৬০ এর ঘরে চলে আসছে। শিশু মৃত্যুহার ১৫০-২০০ ছিল। এখন সেটি নেমে ৩০ এর ঘরে আসছে। 

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে শিশু মৃত্যুহার ১২ ভাগে নামিয়ে আনতে হবে। মা মৃত্যুহার ৭০ এর নিছে।

এ সময় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে ফের মশা নির্মূলের ওপর গুরুত্বারোপ করেন জাহিদ মালেক। বলেন, এজন্য মশা নিধন যাদের দায়িত্ব, তাদের যথাযথভাবে কাজ করতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিন সারাদেশের হাসপাতালগুলোতে তিন হাজার রোগী ভর্তি হচ্ছে। এ অবস্থায় মশা নিধন জরুরি।

এ সময় নিজেদের কাজের পরিধি উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দায়িত্ব হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া, সেটি আমরা করছি। সব সরকারি হাসপাতালে শয্যা, চিকিৎসক, স্যালাইন পর্যাপ্ত পরিমাণ আছে।’

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এ আয়োজনে সহযোগিতায় ছিলেন ইউনিসেফসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থাগুলো।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহারিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবীরসহ উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ।

এমইউ

মেডিভয়েসের জনপ্রিয় ভিডিও কন্টেন্টগুলো দেখতে সাবস্ক্রাইব করুন MedivoiceBD ইউটিউব চ্যানেল। আপনার মতামত/লেখা পাঠান [email protected] এ।
মাসুদ কামালের প্রতি ড্যাবের হুঁশিয়ারি

ক্ষমা না চাইলে আইনি ব্যবস্থার মুখোমুখি হতে প্রস্তুতি নিন

সাত কর্মদিবসের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার

ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ভাতা নবম গ্রেডের বেসিক

  এই বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
করোনা ও বার্ধক্যজনিত অসুস্থতা

এক দিনে চিরবিদায় পাঁচ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক