খুলনায় চার নারী চিকিৎসকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
মেডিভয়েস রিপোর্ট: খুলনায় চার নারী চিকিৎসককে সিআইডি পরিচয়ে তুলে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ করেছেন তাঁদের পরিবার। এ বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) খুলনা শাখায় লিখিত অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী চিকিৎসকদের স্বজনেরা।
আজ রোববার (২০ আগস্ট) সন্ধ্যায় বিএমএ খুলনা শাখার সভাপতি ডা. শেখ বাহারুল আলম মেডিভয়েসকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, ‘গত শুক্রবার থেকে আমাদের চার চিকিৎসকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। কোনো অভিযোগ ছাড়াই সিআইডি তাঁদের তুলে নিয়ে গেছে। তাঁদের মধ্যে একজনের ছোট বাচ্চাও রয়েছে। ভুক্তভোগী চিকিৎসকদের পরিবার আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছে। তুলে নিয়ে যাওয়ার ৪৮ ঘন্টা পার হয়ে গেলেও তাঁদের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।’
এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বাহারুল আলম বলেন, ‘এটাতো কোনো পুলিশি রাষ্ট্র না যে কাউকে কোনো অভিযোগ ছাড়া তুলে নিয়ে যাবে। আমরা অভিযোগ পাওয়ার সাথে সাথেই প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেছি। এখন পর্যন্ত আমাদের কোনো তথ্য জানানো হয়নি। একটা স্বাধীন রাষ্ট্রে এ ধরনের ঘটনা দুঃখজনক।’
নিখোঁজ চিকিৎসকেরা হলেন—ডা. লুইস, ডা নাদিয়া মেহজাবিন তৃষা, ডা. মুত্তাহিন হাসান লামিয়া ও ডা. শর্মিষ্ঠা। এর মধ্যে ডা. শর্মিষ্ঠা খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইন্টার্ন। বাকিরা প্রাইভেট প্র্যাকটিস করেন।
জানতে চাইলে খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন মেডিভয়েসকে বলেন, ‘চিকিৎসক নিখোঁজ বা আটকের বিষয়ে তাঁদের কাছে কোনো তথ্য নেই। পরিবার থেকেও পুলিশকে নিখোঁজের বিষয়টি জানায়নি।’
নিখোঁজ ডা. মুত্তাহিন হাসান লামিয়ার মা ফেরদৌসী আক্তার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নিখোঁজের পর পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে আমাদের জানানো হয়েছে, তাঁদের সিআইডি আটক করেছে।’
ডা. নাদিয়া মেহজাবিন তৃষার ভাই পরিচয়ে একজন বলেন, ‘খুলনা সদর থানার ওসি জানিয়েছেন, সিআইডি তাঁদের নিয়ে গেছে।’
এসএস
-
২২ এপ্রিল, ২০২৬
-
২৭ এপ্রিল, ২০২৫
-
১২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
ইউজিসি-ইউনেস্কোর যৌথ প্রকল্প
‘মানসিক স্বাস্থ্যসেবার আওতায় আন্দোলনে অংশ নেওয়া ১০ হাজার শিক্ষার্থী’
-
১৯ জানুয়ারী, ২০২৫
-
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৪
-
১৬ অক্টোবর, ২০২৪
-
১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
-
১৭ এপ্রিল, ২০২৪