দেশের গরীব মানুষের যেন একটি পয়সাও অপচয় না হয়: বিএসএমএমইউ ভিসি
মেডিভয়েস রিপোর্ট: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, সকল গবেষকদের মনে রাখতে হবে, দেশের গরীব মানুষের যেন একটি পয়সাও (অর্থ) অপচয় না হয়।
আজ সোমবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বি ব্লকের ১২৭ নং সম্মেলন কক্ষে এসব কথা বলেন তিনি।
অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমান প্রশাসন জনগুরুত্বপূর্ণ ও যেসব বিভাগে ফিজিওলজি, অ্যানাটমি, ফরেনসিক মেডিসিন, ভাস্কুলার সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ফ্যাকাল্টির সংখ্যা কম সে বিষয়ের আসন সংখ্যা দেড়গুণ থেকে দ্বিগুণ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বর্তমানে দেশে মেডিকেল সংখ্যা বৃদ্ধি এবং শিক্ষকদের অবসরজনিত কারণে ফ্যাকাল্টির সঙ্কট রয়েছে। আসন সংখ্যা বৃদ্ধি করে বাংলাদেশে মেডিকেল কলেজের শিক্ষক সঙ্কট কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি দক্ষ জনগোষ্ঠী তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।
তিনি বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্প্রতি ওয়ার্ল্ড হার্ট ফেডারেশনের সভাপতির সঙ্গে বৈঠককালে বিএসএমএমইউর পিএইচডি কোর্সে বেশি সংখ্যক ছাত্র ভর্তি, এডভান্স ফেলোশিপ চালু করার বিষয় শুনে খুব আনন্দিত হয়েছেন।
বিএসএমএমইউ ভিসি গবেষকদের অনুদান যথাযথভাবে ব্যয় করার পরমর্শ দিয়ে বলেন, সকল গবেষকদের মনে রাখতে হবে, দেশের গরীব মানুষের যেন একটি পয়সাও (অর্থ) অপচয় না হয়।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাত দিয়ে অধ্যাপক শারফুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশে কৃষি গবেষণায় অনেক উন্নত হয়েছে। ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যখাতেও এমন উন্নয়ন হবে।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর বক্তব্যে স্বাস্থ্য গবেষণার জন্য তাগিদ দিয়েছেন। আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পরে সবাইকে বিভিন্ন সময় ও বিভিন্ন ফোরামে গবেষণা করার জন্য বলেছি।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (অ্যাকাডেমিক) অধ্যাপক ডা. একেএম মোশাররফ হোসেন, প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. ছয়েফ উদ্দিন আহমদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল, রেজিস্ট্রার ডা. স্বপন কুমার তপাদার প্রমুখসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, চিকিৎসক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, সকালে বিএসএমএমইউর ৬৭ জন গবেষক, শিক্ষক ও চিকিৎসকের মাঝে পাঁচ কোটি ৯৪ লাখ টাকা গবেষণা অনুদান প্রদান করা হয়।